প্রাচীন যুগে 'মমি' কিভাবে তৈরি হতো তা নিয়ে গবেষণা করতেই জীবন্ত কবর চারজনকে ! জেরায় দাবি আসিফের - The News Lion

প্রাচীন যুগে 'মমি' কিভাবে তৈরি হতো তা নিয়ে গবেষণা করতেই জীবন্ত কবর চারজনকে ! জেরায় দাবি আসিফের

 



দি নিউজ লায়ন;  প্রাচীন যুগে 'মমি' কিভাবে তৈরি হতো এবং বছরের পর বছর মৃতদেহ কিভাবে সংরক্ষিত থাকতো তা নিয়ে গবেষণা করতেই নিজের বাবা,মা, বোন এবং ঠাকুমাকে মর্মান্তিক কায়দায় খুন করেছিল অভিযুক্ত ছেলে আসিফ মহম্মদ ! তারপরে বিভিন্ন কেমিক্যাল মৃতদের শরীরে মিশিয়ে সাদা কাপড়ে মুড়িয়ে কফিনবন্দি অবস্থায় ঘরের মধ্যেই পুঁতে দিয়েছিল অভিযুক্ত ছেলে। এই ঘটনার চার মাস পর অভিযুক্ত আশিফ মহম্মদের এক দাদা রাহুল শেখ পুলিশের কাছে এই তথ্য ফাঁস করেছে । আর তাতেই হতবাক হয়ে গিয়েছে জেলা পুলিশের কর্তারা।


 এমনকি মাত্র ১৮ বছর বয়সে আসিফ মহম্মদের মাথায় এই ধরনের পরিকল্পনা কিভাবে এলো তাতেও  চিন্তায় পড়ে গিয়েছে তদন্তকারী পুলিশ কর্তারা । শনিবার সকালে অভিযুক্ত আসিফ মহম্মদের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের ঘটনাটি জানতে পেরে রীতিমতো চমকে উঠেছেন জেলা পুলিশের কর্তারা। পাশাপাশি  একসঙ্গে পরিবারের চার সদস্যকে খুনের বিষয়টি সামনে আসতেই গ্রামবাসীরাও অবাক হয়ে গিয়েছেন। পুলিশ অভিযুক্ত আসিফ মহম্মদকে গ্রেফতার করেছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের বক্তব্য , কোনদিনই বাড়ি থেকে বেড়াতো না আসিফ মহম্মদ । সে তার কয়েকজন আত্মীয়দের ফোনে বলেছিল তার বাবা-মা ,বোন , ঠাকুরমা নাকি মহারাষ্ট্রে ফ্ল্যাট কিনে চলে গিয়েছেন। সেখানে বাবা ব্যবসা শুরু করেছেন।


 তিন - চার বছর পর মালদায় আসবেন। আর আসিফ মহম্মদের এই কথা কেউ কেউ বিশ্বাস করেছিল । কিন্তু এরই মধ্যে যে বাড়িতে বাবা, মা , বোন এবং ঠাকুমাকে মর্মান্তিক ভাবে খুন করে মমি গবেষনার পরিকল্পনা নিয়েছিল অভিযুক্ত ছেলে আসিফ, তা ভুণাক্ষরেও কেউ টের পায় নি । অবশেষে ঘটনার চার মাস পর পুলিশের কাছে ধীরে ধীরে সমস্ত ঘটনার উদঘাটন হতে শুরু করেছে।অভিযুক্ত আসিফ মহম্মদ কালিয়াচকের একটি মিশন স্কুল থেকে স্টার মার্কস নিয়ে মাধ্যমিক পাস করেছিল । এরপর কালিয়াচকের একটি হাইস্কুলে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি হয় । কিন্তু মাঝ পথেই সে পড়াশোনা বন্ধ করে দেয়। বাড়িতেই নিরিবিলি পরিবেশে থাকতে বেশি পছন্দ করতো সে। আর তারই ফাঁকে এরকম অপরাধের ঘটনায় যে ওই ছেলেটি ঘটাতে পারে তা ভেবে কূল করতে পারছেন না গ্রামবাসীরা।


কোন মন্তব্য নেই

Thankyou To Comment us

Blogger দ্বারা পরিচালিত.