ভ্যাকসিনে প্রথম ডোজ গ্রহণের পরই দেহে চৌম্বকীয় শক্তি সঞ্চার!
দি নিউজ লায়ন; ভ্যাকসিনে প্রথম ডোজ গ্রহণের পরই দেহ আকর্ষণ করছে ধাতব বস্তু। খুচরো পয়সা, খুন্তী, কাঁচি, আস্ত মোবাইল সবই আটকে ধরছে শরীরে।মহারাষ্ট্রের পর কোভিড টিকাকরনের জেরে এবারে মানব শরীরে চৌম্বকীয় ক্ষেত্র পরিণত হওয়ার ঘটনা শিলিগুড়ির ভারতনগরে। শিলিগুড়ি পুরনিগমের ২৪নাম্বার ওয়ার্ড ভারতনগরের বাসিন্দা নেপাল চক্রবর্তী ৭ই জুন শিলিগুড়ি জেলা হাসপাতাল থেকে ভ্যাকসিন নেন।
তিনি জানান বাড়িতে একাই থাকেন তিনি। টিকা গ্রহনের তিনদিন পর গত ১১জুন সন্ধ্যে নাগাদ তিনি টিভিতে দেখেন মহারাষ্ট্রের এক ব্যক্তির ভ্যাকসিনের দ্বিতীয় ডোজ নেওয়ার পর শরীরে চৌম্বক শক্তির সঞ্চার হয়েছে। আটকে যাচ্ছে স্টিলের চামচ, কয়েন,হাতা, খুন্তি। সেসময় চামচ দিয়ে দুধ রুটি খেতে খেতে নিছক কৌতূহল বসতই সেই চামচই হাতে লাগতেই তিনি লক্ষ্য করেন তা লেগে যাচ্ছে শরীরে। আর এরপর কৌতূহলে একের পর এক ধাতব বস্তু পয়সার কয়েন, হাতা, খুন্তি, কাঁচি নিয়ে শরীরের বিভিন্ন অংশে লাগাতেই তা দেহে আটকে যাচ্ছে। নিজ হাতে না খোলা পর্যন্ত হাঁটাচলা করলেও খুলছে না তা।এরপর জানাজানি হতেই শনিবার বিষয়টি প্রকাশ্যে আসতেই চাঞ্চল্য ছড়িতে পড়ে শহরে।
পেশায় পুরনিগমের ভাড়ার গাড়ি চালক নেপাল বাবু জানান তিনি বিষয়টি তার বিবাহ সূত্রে বাইরে থাকা মেয়েদের জানান। পরে এলাকার তৃনমূল কর্মীদেরও জানান। তবে প্রথমে মজার ছলে বিষয়টি নিয়ে চিকিৎসকের পরামর্শ নেননি তিনি। তিনি বলেন তার শারিরীক কোনো সমস্যা নেই। কিন্তু কিভাবে তার শরীরে এ ধরনের চৌম্বক শক্তি সঞ্চার হলো তা জানতে চান। এদিন শিলিগুড়ি থানার পুলিশ ব্যক্তির বাড়িতে আসে। তৃনমূল কর্মীরা তাকে শিলিগুড়ি জেলা হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে চিকিৎসক জানান তিনি একেবারেই সুস্থ্য রয়েছেন।২৪ ঘন্টা হাসপাতালে পর্যবেক্ষণ থাকার কথা জানালেও ব্যক্তি জানান তিনি সুস্থ্য রয়েছেন তাই বাড়িতেই থাকবেন তিনি।
এ বিষয়ে জেলা মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক ডাঃ প্রলয় আচার্য্য জানান কোভিড ভ্যাকসিন একেবারেই নিরাপদ। তার থেকে মানব দেহে চৌম্বক শক্তি সঞ্চারের কোনো প্রমাণ নেই। উত্তরবঙ্গ মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের ডিন ডাঃ সন্দীপ সেনগুপ্ত জানান এই ঘটনার সঙ্গে টিকাকরনের কোনো সম্পর্ক নেই। ভারতে ২৪ কোটি মানুষ টিকা পেয়েছেন।এরমধ্যে ২২কোটি কোভিশিল্ড ২কোটি কোভ্যাক্সসিন। তাদের কারোর ক্ষেত্রেই এরকম ঘটনা ঘটেনি। এটা সম্পূর্ণ একটা বিচ্ছিন্ন ঘটনা। আমি ওনাকে বলছি উত্তরবঙ্গ মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের চিকিৎসা ব্যবস্থায় আসুন।
২-১দিনের মধ্যেই যাবতীয় পরীক্ষা নিরীক্ষা করে এর প্রকৃত কারন আমরা সামনে নিয়ে আসবো। কারন কোনোরকম চিকিৎসা থেকেই এই ধরনের ঘটনা ঘটতে পারে না। এর কোনো বৈজ্ঞানিক ভিত্তি নেই। তিনি বলেন উক্ত ব্যক্তি যদি উত্তরবঙ্গ মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের চিকিৎসা ব্যবস্থার মধ্যে আসতে না চান তাহলে চিকিৎসা বিজ্ঞান ও বিজ্ঞানীদের টিম তার বাড়ি গিয়ে বিষয়টি অনুসন্ধান করবে। এ

Post a Comment