শিলিগুড়িতে ভারতীয় মজদুর সংঘে বিরাট ভাঙনের শঙ্কা
দি নিউজ লায়ন; শিলিগুড়িতে ভারতীয় মজদুর সংঘে বিরাট ভাঙনের শঙ্কা। সঙ্ঘের চোখ রাঙানি ছেড়ে ঘাসফুল শিবিরে যোগদানে মরিয়া কয়েকশো কর্মী।বিজেপির ওপর ক্ষোভ উগড়ে দিচ্ছে সঙ্ঘের কর্মীরা। তারওপর অনুশাসনের নামে পায়ে বেড়ি পড়ানো হয়েছে বলে অভিযোগ মজদুর ইউনিয়নের কর্মীদের।সত্ত্বর কয়েকশো কর্মী নিয়ে একাধিক শ্রমিক ইউনিটগুলি তৃণমূলে যোগ দিতে চলেছে বলে বিজেপির দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে।
ইতিমধ্যেই এনজেপি ও মাটিগাড়া, ডাবগ্রাম ফুলবাড়ি বিধানসভা কেন্দ্রের বিস্তীর্ণ অঞ্চলের সঙ্গে আইএনটিটিইউসি নেতা অলক চক্রবর্তীর সঙ্গে পাকাপাকি কথাও হয়ে গিয়েছে তাদের। ঘাসফুল শিবিরের যোগদানের বিষয়ে বিজেপির পোষিত ক্যাজুয়াল কন্ট্রাকচুয়াল লেবার ইউনিয়নের তরফে আবেদনও জানানো হয়েছে অলক চক্রবর্তিকে। তবে অলক চক্রবর্তী বিষয়টি রাজ্য স্তরে আলোচনার পরই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানাবেন তাদের জানিয়েছেন বলেও সূত্রের খবর।
গেরুয়া পন্থী শ্রমিক সংগঠনের কর্মীরা জানাচ্ছেন তাদের সমস্যা অসুবিধা বিজেপি জেলা নেতারা কোনোদিনই শুনতে পর্যন্ত চাননি। দলের ভেতরে কাজে ব্যবহার করলেও প্রকাশ্যে কাজ করতে দেওয়া হয়নি তাদের। বিজেপি ও বিএমওএসের নিজি তারতম্যে জেরে জাঁতাকলে পিষতে হচ্ছে তাদের। জেলা বিজেপির হয়ে ভোটের মুখে কাজে লাগানো হলেও বিজেপির পালন কর্তা সঙ্ঘের আওতায় ভারতীয় মজদুর ইউনিয়নের কর্মী পরিচয় দিতে দ্বিধাগ্রস্থ দল। শিলিগুড়ি ক্যাজুয়াল কন্ট্রাকচুয়াল লেবার ইউনিয়নের এনজেপির দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতৃত্ব জানান বহুদিন ধরে এই আচরণ দেখে চলছি।
যোগ্য সম্মানটুকু দলে মেলেনা। শ্রমিকদের দাবি দাওয়া নিয়ে কোনো মাথা ব্যাথা নেই শিলিগুড়ি সাংগঠনিক জেলা বিজেপি সভাপতি প্রবীণ আগরওয়াল ও অন্যান্য নেতৃত্বদের। আর শিলিগুড়ির বিধায়ক নতুন দলে এসেছে তার তো সঙ্ঘ আর দলের তারতম্য বোঝারই কথা নয়। দীর্ঘ লকডাউনে দলের তরফে শ্রমিকদের স্বার্থে খাবার প্রদানের মতো নূন্যতম পদক্ষেপও দল নেয়নি।
কর্মীরা বলছে তৃনমূল লকডাউনে কিংবা আক্রান্ত হলে খাবার পৌঁছে দিয়েছে শ্রমিকদের। তিনি আরও জানান দলের কাজের ক্ষেত্রে কোনো স্বাধীনতা নেই। শ্রমিক ইউনিয়নগুলিতে একজনকে একটি অঞ্চল বা স্থানের দায়িত্ব দেওয়া হলেও পরবর্তীতে সেখানে দল আরও দু তিনটে লবি তৈরী করছে। শহরজুড়ে বিজেপি সমস্ত সংগঠনের অন্দরে এভাবেই অন্তদ্বন্দ তুমুলে উঠেছে।

Post a Comment