ভ্যাকসিন কাণ্ডে ধৃত দেবাঞ্জনের অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন লাভলী মৈত্র - The News Lion

ভ্যাকসিন কাণ্ডে ধৃত দেবাঞ্জনের অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন লাভলী মৈত্র

 


দি নিউজ লায়ন;   সপ্তাহখানেক আগে অর্থাৎ গত ১৫ জুন সোনারপুর রেল স্টেশন চত্বরে একটি শিবির করেছিলেন ভ্যাকসিন কাণ্ডে ধৃত দেবাঞ্জন দেব। আর ওই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সোনারপুর দক্ষিণ বিধায়ক লাভলী মৈত্র ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলা আইএনটিটিইউসি শ্রমিক নেতা শক্তি মণ্ডল।

গত ১৫ ই জুন সকালে একটি শিবির থেকে মাক্স ও স্যানিটাইজার বিলি করেন দেবাঞ্জন। রেল পুলিশের এলাকায় ওই শিবির করা হয়েছিল। সেই কারণে পুলিশের তরফে কোন খোঁজ খবর নেওয়া হয়নি বলে বারইপুর পুলিশ সূত্রে খবর।


সোনারপুর দক্ষিণের বিধায়ক লাভলী মৈত্র জানান,"ওই ব্যক্তি নিজেকে কলকাতা পুরসভার জয়েন্ট কমিশনার পরিচয় দিয়ে ওই শিবিরে আসার জন্য ফোনে যোগাযোগ করেছিলেন। ওই আমি মিনিট দশেক ওই অনুষ্ঠানে ছিলাম। দেবাঞ্জন তখন আমায় জানায়, করোনা সচেতনতা প্রচারে গরীব মানুষের পাশে থাকার জন্য তার এই প্রয়াস। তারপর আমি ওই অনুষ্ঠান ছেড়ে চলে যাই। এখন শুনছি, ওই ব্যক্তি ভূয়ো পরিচয় দিয়ে সাধারণ মানুষকে ভ্যাকসিন দিয়েছেন।"


ওই দিনের অনুষ্ঠানে শ্রমিক নেতা শক্তি মণ্ডল উপস্থিত ছিলেন। তিনি জানান, রেল স্টেশন চত্বরে আমাদের একটি ছোট্ট দলীয় অফিস রয়েছে। ওই দিন মাক্স ও স্যানিটাইজার বিলি করা হবে বলে একটি অনুষ্ঠান হয়েছে বলে আমাকে জানানো হয়েছিল। ওই দিন জেলায় কয়েকটি কর্মী বৈঠক ছিল। বৈঠকে যাওয়ার পথে দেবাঞ্জনের শিবিরে গিয়েছিলাম। সেখানে দেবাঞ্জন আমাকে নিজেকে কলকাতা পুরসভার জয়েন্ট কমিশনার হিসেবে পরিচয় দিয়েছিল। আমি তাকে কোন সালে আইএএস হয়েছেন বলে জিজ্ঞেস করেছিলাম। কিন্তু এই বিষয়টি এড়িয়ে গিয়েছে দেবাঞ্জন। অনুষ্ঠানের ব্যস্ততায় হয়তো তেমন কিছু বলতে চাননি মনে করে আমি ঘন্টাখানেক থাকার পর চলে যাই। শুনেছি, ওই দিনের অনুষ্ঠান শিবির থেকে কড়া বিধিনিষেধে আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্থ বেশ কয়েকজন অটোচালককে হাজার টাকা সাহায্য করেছিলেন দেবাঞ্জন।


তবে পুলিশের একটি সূত্রের খবর, সোনারপুরে এলাকা থেকে বেশ কয়েকজনকে কসবার শিবিরে নিয়ে গিয়ে ভ্যাকসিন দেওয়া হয়েছে। সেই বিষয়ে খোঁজখবর নেওয়া শুরু করা হয়েছে বলে সোনারপুর থানা সূত্রে খবর ‌

সপ্তাহ দুয়েক আগে দেবাঞ্জন সোনারপুর এলাকায় একটি ক্রিকেট কোচিং ক্যাম্প করেছিলেন। সেখানে একদিন ক্রিকেট টুর্নামেন্ট করেন। ওই এলাকার কয়েকজন যুবকের কথায়, কলকাতা পুরসভার চাকরি দেওয়ার জন্য বেশ কয়েকজনকে শনাক্ত করেছিলেন দেবাঞ্জন। কিন্তু পরবর্তীকালে ফোনে যোগাযোগ করলে চাকরির বিষয় কোন উচ্চবাচ্য করতেন না।

কোন মন্তব্য নেই

Thankyou To Comment us

Blogger দ্বারা পরিচালিত.