লোকাল ট্রেন চালু নিয়ে হাওড়ার ডিআরএমের সঙ্গে বৈঠক করলেন লকেট চট্টোপাধ্যায়
দি নিউজ লায়ন; লোকাল ট্রেন চালু নিয়ে হাওড়ার ডিআরএমের সঙ্গে বৈঠক করলেন বিজেপি সাংসদ লকেট চট্টোপাধ্যায়। তিনি বললেন ট্রেন চালানোর ব্যাপারে রেল কতৃপক্ষ প্রস্তুত রয়েছে। রাজ্য সরকার চাইলেই লোকাল ট্রেন পরিষেবা শুরু করা সম্ভব। রেল যেহেতু কেন্দ্রের অধীন তাই ইচ্ছে করেই লোকাল ট্রেন চালু করতে সম্মতি দিচ্ছে না রাজ্য সরকার। এমনই অভিযোগ লকেটের। উল্লেখ্য, এর আগে গত বছর অক্টোবরে পুজোর আগে লোকাল চালুর দাবি তুলেছিলেন লকেট। হাওড়ার ডিআরএমের সঙ্গে বৈঠকে লোকাল ট্রেন চালুর দাবি তুলেছিলেন তিনি।
এদিন শুক্রবার দুপুরে হাওড়ার ডিআরএমের সঙ্গে ফের বৈঠক করে গেলেন বিজেপি সাংসদ লকেট। এদিন বৈঠকের পর সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে লকেট চট্টোপাধ্যায় বলেন, লোকাল ট্রেন চালানোর জন্য রেল পুরোপুরি প্রস্তুত। এই বিষয়টি নির্ভর করছে রাজ্য সরকারের ওপর। রাজ্য সরকার চাইলে ট্রেন চলবে। মুখ্যমন্ত্রী উপনির্বাচন করার জন্যে বলছেন কারণ করোনা কমে গিয়েছে। কিন্তু ট্রেন চালালে করোনা হওয়ার কথা বলা হচ্ছে। তিনি দু'রকম কথা বলছেন। বহু বেসরকারি সংস্থা খুলে গেছে।
লোকাল ট্রেন না চালালে বেশি টাকা-পয়সা দিয়ে অফিসে হাজিরা দিতে হচ্ছে। রাজ্য সরকার বাধ্য করছে এই মহামারীর সময়ে সেই পয়সা যানবাহনে খরচ করাতে। একমাত্র লোকাল ট্রেন চালু করা হচ্ছে না বলেই মানুষের হাতের টাকা চলে যাচ্ছে। সবকিছু খুলে গেলেও লোকাল ট্রেন কেন চলবে না ?উপনির্বাচন হওয়ার আগে লোকাল ট্রেন স্বাভাবিক হওয়া উচিত বলে মনে হয়। আগস্টে করোনার তৃতীয় ঢেউ আসার কথা যখন বলা হচ্ছে, তাহলে কেন উপনির্বাচনের কথা বলা হচ্ছে।
এগুলি পুরোপুরি চালাকি করা হচ্ছে। যেহেতু এটা রেলের ব্যাপার, কেন্দ্রীয় সরকারের ব্যাপার সেহেতু কেন্দ্রীয় সরকারকে অপমান করার জন্য মানুষকে ভুল বোঝানো হচ্ছে। শুধু নিজের স্বার্থের কথা চিন্তা করা হচ্ছে, মানুষের স্বার্থের কথা নয়। করোনা পরিস্থিতিতে উনি কি চান পরিষ্কার করে বলুন ? উনি যদি উপনির্বাচন চান তাহলে লোকাল ট্রেন কেন বন্ধ থাকবে। বিজেপিকে রাস্তায় আটকানো, রাজ্যপালকে অপমান করা এসব তো চলছেই। নির্বাচনের ফল ঘোষণার পর থেকেই বিজেপি কর্মীরা ঘরছাড়া। মহিলারা বাচ্চাদের নিয়ে বাড়ি ছেড়ে পালিয়েছেন। গণধর্ষণের মতো ঘটনাও ঘটেছে। কারণ তারা বিজেপিকে ভোট দিয়েছেন।

Post a Comment