গাছে দেওর ও বৌদির ঝুলন্ত দেহ উদ্ধারে চাঞ্চল্য
দি নিউজ লায়ন; গাছে দেওর ও বৌদির ঝুলন্ত দেহ উদ্ধারে চাঞ্চল্য। ঘটনাটি হেমতাবাদের শীতলপুর এলাকার। সম্পর্কের টানাপোড়েনে আত্মহত্যা কিনা খতিয়ে দেখছে পুলিশ। দেহ ময়নাতদন্তে পাঠানো হয়েছে। জানা গিয়েছে, হেমতাবাদ থানার শীতলপুরের বাসিন্দা বাপ্পা দাস ও তাঁর ভাই বিশ্বজিৎ ভিন রাজ্যে শ্রমিকের কাজ করেন। লকডাউনের কারণে বিশ্বজিৎ দাস বাড়িতে ফিরে এলেও বাপ্পা ভিন রাজ্যেই থেকে যায়।
বাপ্পা দাসের এক ছেলে, এক মেয়ে। অভিযোগ, বাপ্পার ভাই বিশ্বজিতের সঙ্গে বিবাহবর্হিভূত সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েছিলেন তাঁর স্ত্রী মুনমুন দাস মাইতি। পরিবারের কাছে এ বিষয়ে কিছুই জানা ছিল না। গতকাল রাত্রি দশটার নাগাদ বাড়ি থেকে তাঁরা বের হন। এ দিন সকালে বাড়ি থেকে দেড় কিলোমিটার দূরে একটি আম গাছে বিশ্বজিৎ এবং মুনমুনের ঝুলন্ত দেহ দেখতে পান গ্রামবাসীরা।
খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় পুলিশ। পুলিশ দেহ দু’টি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রায়গঞ্জ গভঃ মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে পাঠিয়েছে। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে হেমতাবাদ থানার পুলিশ। মৃতার শ্বশর ভপবত দাস জানান, এই সম্পর্কের বিষয়টি তাঁরা জানতেন। আজ সকালেই গ্রামের মানুষ তাঁদের ঝুলন্ত দেহ দেখতে পেয়ে বাড়িতে খবর দেয়। কেন তাঁরা আত্মহত্যা করলেন সে বিষয়ে পরিবারের লোকেরা কিছুই জানেন না।
Post a Comment