উত্তরপ্রদেশে বিজেপির তাস কি জিতিন প্রসাদ! - The News Lion

উত্তরপ্রদেশে বিজেপির তাস কি জিতিন প্রসাদ!




দি নিউজ লায়ন ;  ২০২২ সালে উত্তরপ্রদেশ বিধানসভা নির্বাচনকে এখন পাখির চোখ করেছে বিজেপি নেতৃত্ব। যেন তেন প্রকারেণ উত্তরপ্রদেশের কুর্সি ধরে রাখতে এখন মরিয়া বিজেপি। সুত্রের খবর, উত্তরপ্রদেশের বর্তমান যোগী সরকারের নেতৃত্ব নিয়ে যথেষ্ট চিন্তায় রয়েছে বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব।কারণ, একাধিক ইস্যুতে যোগী আদিত্যনাথের সরকার সমালোচনার মুখে পড়েছে। যারমধ্যে অন্যতম হল, উত্তরপ্রদেশের করোনা সংক্রমণ।  উত্তরপ্রদেশে করোনা সংক্রমণ ঠেকাতে যোগী আদিত্যনাথ সরকারের অদক্ষতার কথা বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের কানে গিয়ে পৌছেছে। 


উত্তরপ্রদেশে করোনা সংক্রমণ নিয়ে রাজ্য সরকারের ভূমিকায় যে সেখানকার  বড়ো অংশের মানুষ খুব সন্তুষ্ট নয় তা জানতে বাকি নেই তাদের। তার উপর হাথরস কান্ডের মতো ঘটনা যোগী সরকারকে যথেষ্ট কালিমালিপ্ত করেছে। পাশাপাশি, উত্তরপ্রদেশে যোগী আদিত্যনাথ সরকারের কর্মকান্ডে সেখানকার ব্রাহ্মণ সমাজের নেতাদের মধ্যেও অসন্তোষ দানা বেধেছে। যে সমস্ত ঘটনা ঘিরে উত্তরপ্রদেশ সরকারের বিরুদ্ধে সোশ্যাল মিডিয়া সহ অন্যান্য জায়গায় সমালোচনার ঝড় উঠতে আরম্ভ করেছে। ফলে ভোটের আগে অস্বস্তি বাড়ছে গেরুয়া শিবিরে।  এই পরিস্থিতির মধ্যে দাঁড়িয়ে মনে করা হচ্ছে,  উত্তরপ্রদেশে যোগী আদিত্যনাথের ক্যাবিনেটকে ভোটের আগে ঠিকঠাক করার পন্থা নেবে  বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব। 


বিজেপি সুত্রে খবর, এ কে শর্মাকে নতুন এই ক্যাবিনেটে ঢোকানো হতে পারে। অন্যদিকে, গত একদিন আগেই উত্তরপ্রদেশের কংগ্রেস নেতা জিতিন প্রসাদ বিজেপিতে যোগ দেওয়ায় নতুন সমীকরণের সৃষ্টি হয়েছে সেখানে। বিজেপির বিশ্বস্ত সুত্রে খবর, ২০২২ সালে উত্তরপ্রদেশ বিধানসভা ভোটের আগেই জিতিন প্রসাদকে বড়ো কোনও পদ দেওয়া হতে পারে। সেই সঙ্গে স্থানীয় ব্রাহ্মণ সম্প্রদায়ের ভোটব্যাঙ্ককে কাজে লাগানোর ক্ষেত্রে জিতিন প্রসাদকে ব্যাবহার করা হতে পারে বলেও আভাস মিলেছে। কারণ, স্থানীয় ব্রাহ্মণ সমাজের মধ্যে বরাবরই জিতিন প্রসাদের একটা প্রভাব রয়েছে। যেটাকে ব্যাবহার করে এর আগে কংগ্রেস ফায়দা তুলেছে। এবার সেই জিতিন প্রসাদকে দলে পেয়ে যাওয়ায় জিতিন প্রসাদকেন পুরো মাত্রায় ব্যাবহার করে ব্রাহ্মণ সমাজকে কাছে টানতে চাইছে গেরুয়া নেতৃত্ব। 

কোন মন্তব্য নেই

Thankyou To Comment us

Blogger দ্বারা পরিচালিত.