কোভিডের কারনেই মৃতদেহ জ্বালাতেই ব্যবহার হোক বৈদ্যুতিক চুল্লী-আলোচনা ডিএমসি তে
দি নিউজ লায়ন; কোরোনা আক্রান্তের পাশাপাশি বাড়ছে মৃত্যুর সংখ্যা। কালোবাজারি শুরু হয়েছে। তৎপর রাজ্য প্রশাসন। রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশে সজাগ রাজ্যের সমস্ত পুরসভা জেলা এবং মহকুমা প্রশাসন। কোরোনা আক্রান্ত রোগীর দেহ দাহ করার জন্য দুর্গাপুরের একমাত্র ভরসা বীরভানপুর শ্মশান। যার জেরে চাপ বাড়ছে ওই শ্মশানে। এত বড় শহরে এই একটি মাত্র শ্মশান যেখানে বৈদ্যুতিক চুল্লী আছে।কোভিড ছাড়া অন্য কারনে মৃত্যু হলেও সে দেহ দাহ করতে এই শ্মশানেই আনা হয়।আর সেই মৃতদেহ দাহ করতে এসেও বিপাকে পড়তে হচ্ছে শব যাত্রীদের।
মৃতদেহ জমতে জমতে অবস্থা এমনই দাঁড়িয়েছে দাহ করতে অনেক সময় লেগে যাচ্ছে আর এই কারণে মৃতদেহ দাহ করার ব্যাপারে কিছু মানুষ কালোবাজারি শুরু করেছে বলে অভিযোগ। দাহ করতে আসা পরিবারের কাছে প্রচুর পরিমানের টাকা চাওয়ার অভিযোগ উঠছে। বাড়তে থাকায় মৃত্যুর মিছিলকে সামলানোর জন্য মঙ্গলবার দুপুরে দুর্গাপুর পুরসভাতে একটি জরুরী কালীন বৈঠক হয়। বিভিন্ন ওয়ার্ডের কাউন্সিলর ও মেয়র পারিষদরা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।
দুর্গাপুরের বিভিন্ন শ্মশান যেগুলো আগে ব্যবহার হতো এবং এশ্মশানে সাধারণ মৃতদেহ দাহ করা যায় কিনা এই নিয়ে একটি গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা হয় । প্রশাসনের সঙ্গে বিষয়টি আলোচনা করে তবেই পাকাপাকি সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে এমনটাই জানান দুর্গাপুর পৌরসভার স্বাস্থ্য দপ্তরের মেয়র পরিষদ রাখি তেওয়ারি ।অন্যদিকে এই সিদ্ধান্ত সঠিক নয় বলে মনে করছেন পরিবেশ কর্মীরা। দুর্গাপুর মহকুমা ভলেন্টিয়ার ব্লাড ডোনার্স ফোরামের সম্পাদক কবি ঘোষ মনে করেন এই সিদ্ধান্ত সঠিক নয় এটা ভেবে দেখার দরকার রয়েছে। তার বদলে শহরের অন্য কোন জায়গায় যুদ্ধকালীন তৎপরতায় নতুন ইলেকট্রিক চুল্লি প্রতিস্থাপন করে সেখানে দাহ করার ব্যবস্থা করা হোক।

Post a Comment