প্রায় ৫০ বছর পর গনিখানের গড় সুজাপুর ভেঙে তছনছ করে দিলো তৃণমূল - The News Lion

প্রায় ৫০ বছর পর গনিখানের গড় সুজাপুর ভেঙে তছনছ করে দিলো তৃণমূল

 


দি নিউজ লায়ন;  গনি মিথ শেষ ! প্রায় ৫০ বছর পর গনিখানের গড় সুজাপুর ভেঙে তছনছ করে দিলো তৃণমূল। শেষ পাওয়া খবরে অন্তত ৪৯ হাজার ভোটে কংগ্রেস প্রার্থীকে পিছনে ফেলে এগিয়ে রয়েছে তৃণমূল প্রার্থী আব্দুল গনি। জয় নিশ্চিত। এরকম মিরাক্কেল মালদার সুজাপুর বিধানসভা কেন্দ্রে যে হবে তা কল্পনাতেও ছিল না কোন রাজনৈতিক দলের । যদিও স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্বরা আগে থেকেই অনুমান করে নিয়েছিল এবারে মিরাক্কেল ঘটবে।  এবারে যে সুজাপুরের মানুষ দুই হাত তুলে মমতাকে ভোট দেবে, তা টের পাচ্ছিলেন তৃণমূল নেতারা। যে সুজাপুর নিয়ে কংগ্রেসিদের বরাবরই অহংকার ছিল, এবারের নির্বাচনে সেই কংগ্রেসের দুর্গ ভেঙে খানখান হয়ে গেল মালদায়।


 সংখ্যালঘু অধ্যুষিত সুজাপুর বিধানসভা কেন্দ্র টি এতদিন ধরে যেভাবে কংগ্রেসের পাশে দাঁড়িয়েছিল এবারে তা সম্পূর্ণ ভাবে উল্টে গেল । বিজেপিকে ঠেকাতে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মানুষ একজোট হয়ে এবার তৃণমূলকে জয়লাভ করে দেখিয়ে দিয়েছে।  উল্লেখ্য , সত্তর দশকে গনিখান চৌধুরীর রাজনীতি শুরু হয়েছিল এই সুজাপুরের মাটি থেকে। এখান থেকে কোনদিনই গনি খান চৌধুরী এবং তার পরবর্তী উত্তরসূরি কংগ্রেসের হয়ে দাঁড়িয়ে পরাজিত হন নি। যার ফলে জেলার কংগ্রেস নেতৃত্বের বরাবরই ৩৬ ইঞ্চি ছাতি প্রশংসায় পঞ্চমুখ হয়ে থাকত। কিন্তু এবারের অংকটা যে এভাবে পাল্টে যাবে তা একেবারেই অবাক করে দেওয়ার মত। এত বড় ব্যবধানে কংগ্রেসকে তিন নম্বরে ফেলে তৃণমূল শীর্ষে উঠে এসেছে তাঁর বলার অপেক্ষা রাখে না ।


 এজন্য তৃণমূল নেত্রী তথা মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জীর উন্নয়ন এমনটাই দাবি করেছেন সুজাপুর বিধানসভা কেন্দ্রের মানুষ। তৃণমূলের জেলা সভাপতি তথা সাংসদ মৌসুম নূর বলেন, মুখ্যমন্ত্রীর বারবার মালদা এসে অভিমান করেছেন , এই জেলার জন্য এত উন্নয়ন করুক তাকে একটা আসুন আমরা দিতে পারি নি। কিন্তু এবারে মালদার মানুষ দুহাত ভরে দিল । আমরাও খুশি মালদা এবার ১২টির মধ্যে ৮ থেকে ৯ টি আসন তৃণমূল পেতে চলেছে। যদিও এ ব্যাপারে সুজাপুরের কংগ্রেস প্রার্থী ইশা খান চৌধুরী বলেন, মানুষের রায়ের কাছে আমার কিছু বলার নেই । মানুষ যেটা ভালো বুঝেছে সেভাবেই ভোট দিয়েছে।

কোন মন্তব্য নেই

Thankyou To Comment us

Blogger দ্বারা পরিচালিত.