পশ্চিম মেদিনীপুর জেলা থেকে চার জন মন্ত্রী হওয়ায় খুশি তৃণমূলের কর্মী ও সমর্থকেরা - The News Lion

পশ্চিম মেদিনীপুর জেলা থেকে চার জন মন্ত্রী হওয়ায় খুশি তৃণমূলের কর্মী ও সমর্থকেরা

 


দি নিউজ লায়ন   ২০১১ সালে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রথম মন্ত্রী সভায়  জোট শরিক কংগ্রেসের ডাক্তার মানস ভুঁইয়া ও ঝাড়গ্রাম থেকে তৃণমূলের ডাক্তার সুকুমার হাঁসদা মন্ত্রী হয়েছিলেন।২০১৬ সালের মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দ্বিতীয় মন্ত্রী সভায় পিংলা থেকে নির্বাচিত সৌমেন মহাপাত্র ও গোপীবল্লভপুর থেকে নির্বাচিত চূড়ামনি মাহাতো মন্ত্রী হয়েছিলেন। ডাক্তার সুকুমার হাঁসদা করা হয়েছিল রাজ্য বিধানসভার ডেপুটি স্পিকার।


তবে তিনি ডেপুটি স্পিকার থাকাকালীন অসুস্থ হয়ে মারা যায়।২০২১ সালে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের তৃতীয় মন্ত্রী সভায় পশ্চিম মেদিনীপুর জেলা থেকে ডাক্তার মানস ভুঁইয়া,হুমায়ুন কবীর, শ্রীকান্ত মাহাতো ও শিউলি সাহা এবং ঝাড়গ্রাম থেকে বিরবাহা হাঁসদা কে  মন্ত্রী করা হয়েছে।সবং এর বিধায়ক ডাক্তার মানস ভুঁইয়া  কে পূর্ন মন্ত্রী,হুমায়ুন কবীর  কে স্বাধীন দায়িত্ব প্রাপ্ত রাষ্ট্র মন্ত্রী এবং শিউলি সাহা,শ্রীকান্ত মাহাতো ও বিরবাহা হাঁসদা কে প্রতি মন্ত্রীর  দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।


 মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের তৃতীয় সরকারে অবিভক্ত পশ্চিম মেদিনীপুর জেলা থেকে পাঁচ জন এবার মন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করবে।যার মধ্যে পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার চার জন ও ঝাড়গ্রাম জেলার  এক জন মন্ত্রী রয়েছেন।পশ্চিম মেদিনীপুর জেলা থেকে চার জন মন্ত্রী হওয়ায় খুশি তৃণমূল কংগ্রেসের কর্মী ও সমর্থকেরা।তাদের আসা এবার পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার উন্নয়নে আরো ভালো কাজ হবে।সেই সঙ্গে বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারী বলেছিলেন শুধু কোলকাতার  লোকেরা মন্ত্রী হবেন,গ্রামের লোকেদের  মন্ত্রী করবে না তৃণমূল নেত্রী।তাই অবিভক্ত পশ্চিম মেদিনীপুর জেলা থেকে পাঁচ জন ও পূর্ব মেদিনীপুর জেলা থেকে দুই জন কে মন্ত্রী করে শুভেন্দু অধিকারী কে দল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যোগ্য জবাব দিয়েছেন বলে জানিয়েছেন তৃণমূল কংগ্রেসের পশ্চিম মেদিনীপুর জেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক গোপাল সাহা।তিনি বলেন মানুষ শান্তি ও উন্নয়নের জন্য তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থীদের ভোট দিয়ে নির্বাচিত করেছেন এবং সাম্প্রদায়িক শক্তি বিজেপি কে প্রত্যাখ্যান করেছেন।তাই বাংলা তথা পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার  উন্নয়নে তৃণমূল এর নির্বাচিত মন্ত্রী ও বিধায়কেরা কাজ করবেন।এখন আমাদের প্রথম কাজ হবে জেলায় শান্তি প্রতিষ্ঠা করে করোনা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা।সেই সঙ্গে করোনা আক্রান্ত মানুষের ও তাদের পরিবারের পাশে দাঁড়িয়ে সহযোগিতা করার।

কোন মন্তব্য নেই

Thankyou To Comment us

Blogger দ্বারা পরিচালিত.