বিজেপি হঠাও, গোলি হঠাও দেশ বাঁচাও, মমতা
দি নিউজ লায়ন; ১। আমি বলেছিলাম সংখ্যালঘু হিন্দু একসঙ্গে ঐক্যবদ্ধ ভাবে ভোট করতে। কী অন্যায় বলেছিলাম? আমাকে একদিন প্রচার করতে দেওয়া হল না। প্রধানমন্ত্রী যে রোজ এসে আমাকে ভ্যাঙাচ্ছে ওর বিরুদ্ধে কী ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে? যত দোষ নন্দ ঘোষ !
২। কোভিডে লোক মারা যাচ্ছে। আর বিজেপির সুরাটে পার্টি অফিস থেকে ইঞ্জেকশন দিচ্ছে। পার্টির ইঞ্জেকশন। লোককে বাঁচাতে গিয়ে মেরে দিচ্ছে। এসব আমরা করি না। ইঞ্জেকশন দিতে গেলেও জানতে হবে ওটা আসল কিনা। ওটা ডাক্তারদের কাজ। ভোটে জেতার জন্য অন্যান্য রাজ্য থেকে বিপুল সংখ্যক মানুষকে ঢুকিয়েছে বিজেপি৷ আর তাদের মাধ্যমেই রাজ্যে ছড়িয়ে পড়ছে করোনা। বিজেপির জন্যই রাজ্যে বাড়ছে করোনা পরিস্থিতি। আমাদের এখানে করোনা কী সুন্দর কমে গিয়েছিল৷ এতদিনে আরও বেশি মানুষকে যদি ভ্যাকসিন দেওয়া যেত তাহলে করোনা এত বাড়তেও পারত না৷
৩। অসমে কাল থেকে আবার ডিটেনশন ক্যাম্পের নোটিশ দিতে শুরু করেছে। যেই ভোট হয়ে গেছে আবার নোটিশ। ভোট দেবেন। না হলে ওরা নাম কেটে বের করে দেবে। বিজেপি রাত্রে গ্রামে গিয়ে ভয় দেখানোর চেষ্টা করবে। ভয় পাবেন না। নির্বিঘ্নে ভোট দেবেন। পাহাড়ে ওরা বলছে এনআরসি হবে না। মতুয়াদের অন্য কথা বলছে। আমি রাজ্যে এন আর সি হতে দেব না। আপনারা ভোট দেবেন। আপনারা সবাই দেশের নাগরিক।
৪। আমি আপনাদের পাহারাদার। আমি গুলি করে লোক মারার চৌকিদার নয়। নিজেদের ভোটটা দিন। তবে আমি একা জিতলে হবে না। সবার জিততে হবে। মা বোনেদের বলছি আপনারাই আমাদের সরকার আনতে পারবেন। সব মা, বোনেরা সব ভোট তৃণমূল কংগ্রেসে, জোড়া ফুলে দেবেন।
৫। বিজেপি হঠাও, গোলি হঠাও দেশ বাঁচাও। আমার সরকার হবে। শীতলকুচির গণহত্যার তদন্ত হবে। সব জোগাড় করছি। জানেন এক মহিলা অন্তঃসত্ত্বা, একজনের বাচ্চা ছেলে। তাকাতে পারছি না ওদের দিকে। আমি নির্বাচনের পর ওদের দেখবো। কেন্দ্র কেন এদের পাশে নেই? অমিত শাহ এসে ঘুরে চলে যাচ্ছে। নিহতদের পরিবারের পাশে যাওয়ার সময় ওদের নেই।
৬। মা, বোনেরা, ভাইরা খেলা হবে? দেখা হবে, জেতা হবে? বিজেপিকে মাঠের বাইরে বের করে দিতে হবে। বাংলা মাকে বাঁচাতে হবে।
৭। আমি অমিত শাহ, নরেন্দ্র মোদীর মতো মিথ্যা বলি না। অমিত শাহ পাহাড়ে এক কথা বলছেন মতুয়াদের কাছে এক কথা বলছেন। বলেছিল ৭টি চা বাগান খুলে দেবে দিয়েছে? আমাদের সরকার আসলে সব হবে। বাড়িতে রেশন পৌঁছে যাবে। বাড়ির মহিলাদের হাত খরচ দেওয়া হবে। কন্যাশ্রী, ঐক্যশ্রী দেওয়া হচ্ছে। পড়ুয়াদের ১০ লক্ষ টাকার ক্রেডিট কার্ড করে দেব। আমি ৭টি স্কুল করবো। ২০০ রাজবংশী স্কুল করে দেব। প্যারা টিচার নেওয়া হবে। তাই বলছি যদি বিনা পয়সায় রেশন, পড়ুয়াদের ১০ লক্ষ টাকার ক্রেডিট কার্ড চান তবে তৃণমূলকে ভোট দিন।
৮। উন্নয়নে আমি কোনও ভাগাভাগি করি না। হিন্দু, মুসলিম সহ সব মানুষদের জন্য উন্নয়ন করি। ধূপগুড়ির রাস্তা নেপাল, ভুটানের সঙ্গে জুড়ে যাবে। চা সুন্দরী প্রকল্পে ৩ লক্ষ বাড়ি হবে। বাড়িতে রেশন পৌঁছে যাবে, স্বাস্থ্যসাথী কার্ড হয়েছে।যাদের হয়নি তারাও পাবরেন। বছরে ৪বার দুয়ারে সরকার হবে। তাই জোড়া ফুলে ভোটটা দিতে হবে। বিজেপিকে মাঠের বাইরে পাঠিয়ে দিতে হবে।

Post a Comment