বিজেপি নেতারা কি বাপের টাকা দিচ্ছেন, ওটা জনগনের টাকা, অভিষেক
দি নিউজ লায়ন; দক্ষিণ চব্বিশ পরগনার জনসভা থেকে মোদি অমিত শাহকে তীব্র আক্রমণ করলেন অভিষেক। তিনি হুঁশিয়ারির সুরে বলেন বিজেপি নেতারা আমফানে যে হাজার কোটি টাকা দিয়েছে, সেই টাকা কি বিজেপি নেতাদের বাপের টাকা জণগণ কে দিয়েছে? রাজ্য থেকে বছরে ৫ লক্ষ ২৫ হাজার কোটি টাকা কেটে নিয়ে যাচ্ছে কেন্দ্রে।সেই টাকা থেকে সামান্য মাত্র হাজার কোটি টাকা দিয়েছে।মুখে আবার বড় বড় কথা।কেন্দ্রের একজন স্বরাষ্টমন্ত্রী গোসাবায় বলে গেছেন বিজেপি ক্ষমতায় আসলে সুন্দরবন কে আলাদা জেলা ঘোষণা করে দুলক্ষ কোটি টাকা খরচ করবে। একবার ভেবে দেখুন একটি জেলার জন্য যদি এত পরিমাণ টাকা খরচ করে তাহলে রাজ্যে যে সব কটি জেলাতে মোট খরচ ৪৮ লক্ষ কোটি টাকা।
বাংলায় বসবাস করেন ১০ কোটি মানুষ। উন্নয়ণে এতো পরিমাণ টাকা খরচ না করে বাংলার প্রতিটি মানুষ কে ৫ লক্ষ টাকা ব্যাঙ্কের অ্যাকাউন্টে দিয়ে দিক বিজেপি।আর এই টাকা দিয়ে দিলে তৃণমূল কংগ্রেস আর কোনদিনও রাজনীতি করবেনা। পুরোপুরি রাজনীতি থেকে বিদায় নেবে।বিজেপি ভাঁওতা দেওয়ার জায়গা পায় না।এই বাংলায় এসে যত ভাঁওতা।ভোটের সময় এই সমস্ত নেতারা এসে ফুলঝুরি দিয়ে বক্তব্য দেয়। ভোট ফুরালে উন্নয়ণ তো দুরের কথা তাদের আর দেখা মেলে না এখনও ৬ দফা বাকি আছে। আট দফায় এদের দফারফা করতে হবে। প্রথম দফায় বহিরাগতদের মানুষ গণতান্ত্রিক ভাবে হাত ভেঙে দিয়েছে। দ্বিতীয় দফায় পা ভেঙে দিয়েছে। তৃতীয় দফায় ঘাড় ভাঙবে। চতুর্থ দফায় কোমর ভাঙবে, পঞ্চম দফায় হাঁটু ভাঙবে।
ষষ্ঠ সপ্তম ও অষ্টম দফায় বাকি যেগুলো অবশিষ্ট আছে সেগুলো ভেঙে, ২ মে তারিখ বলো হরি হরি বোল স্লোগান দিয়ে বহিরাগতদের খাটে তোল বলে বিসর্জনটা করে দেবে বাংলার মানুষ।অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় জনগনের উদ্দেশ্যে বলেন 'মাথায় রাখবেন একদিকে ফাঁকা ভাষন আরেক দিকে থালা ভর্তি রেশন।আপনি কাকে নির্বাচিত করবেন সিদ্ধান্ত আপনার।একদিকে উন্নয়ন আর অন্যদিকে অনাচার। একদিকে সাম্প্রতিক দাঙ্গা আর উস্কানি অন্যদিকে অগ্রগতি প্রগতি শান্তি। একদিকে বহিরাগত নেতা অন্যদিকে বাংলার মেয়ে।বিজেপির প্রতিশ্রুতি আর ইশতেহার হল অডিও ক্যাসেটের মত।চালাবেন খালি কানে শুনতে পাবেন, চোখে দেখতে পাবেন না।
আর তৃণমূলের প্রতিশ্রুতি আর ইস্তেহার হলো হাই কোয়ালিটি ডিভিডি, আপনি শুন তেও পাবেন আর দেখতেও পাবেন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যা বলেন বাস্তবে তার প্রতিফলন হয়েছে।এছাড়া তিনি কুলতলির শান্তি জাহান মাঠে কুলতলি কেন্দ্রের তৃণমূলের প্রার্থী গনেশ মন্ডল ও জয়নগর কেন্দ্রের তৃণমূলের প্রার্থী বিশ্বনাথ দাসের সমর্থনে এবং বারুইপুর উত্তরভাগ মাঠে বারুইপুর পূর্ব কেন্দ্রের তৃণমূলের প্রার্থী বিভাস সরদার,সোনারপুর দক্ষিণ কেন্দ্রের তৃণমূলের প্রার্থী লাভলী মৈত্র,ক্যানিং পশ্চিম কেন্দ্রের তৃণমূলের প্রার্থী পরেশ রাম দাসের সমর্থনে জনসভা করেন।পাশাপাশি ডায়মন্ডহারবার কেন্দ্রের তৃণমূলের প্রার্থী পান্নালাল হালদারের সমর্থনে রোড শো করেন।

Post a Comment