বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সুবর্ণ জয়ন্তী পালন প্রতিবেশী মুর্শিদাবাদ জেলায়
দি নিউজ লায়ন; প্রতিবেশী দেশ বাংলাদেশের মুক্তি যুদ্ধের সুবর্ণ জয়ন্তী উপলক্ষে অনুষ্ঠিত হল মশাল প্রদর্শনী লাগোয়া মুর্শিদাবাদ জেলায়। এই অনুষ্ঠানের আয়োজন হয় সীমন্ত রক্ষী বাহিনীর জেলা হেড কোয়াটার রৌশনবাগে ।এদিন ওই যুদ্ধে অংশগ্রহণ কারি এগার জন প্রাক্তন জওয়ান কে সম্মানিত করা হয় । মুক্তি যুদ্ধের এই স্মরণ অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বি এস এফের সেক্টর হেড কোয়াটার রাকেশ রাজদান , নবগ্রাম আর্মি স্টেশান কর্নেল গৌরব সুদান প্রমুখ । এই অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে শ্রী রাজদান বাংলাদেশের মুক্তি যুদ্ধে ভারতীয় সীমন্ত রক্ষী বাহিনীর অদানের কথা উল্লেখ করেন ।
এবং প্রতিবেশী বাংলাদেশ কে পাকিস্থানের হাত থেকে রক্ষা করে স্বাধীন করতে জওয়ানদের আত্মবলিদানের কথা তুলে ধরেন।২০২০ সালের ১৬ ডিসেম্বর দিল্লিতে বাংলাদেশের মুক্তি যুদ্ধের সুবর্ণ জয়ন্তী উপলক্ষ্যে মশাল প্রদর্শনের সূচনা করেন প্রধান মন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর । তার পর থেকে ওই মশাল দেশের বিভিন্ন প্রান্তে যাত্রা শুরু করে ।এই মশাল যাত্রার উদ্দেশ্য মুক্তি যুদ্ধে শহীদ জওয়ানদের প্রতি সম্মান জ্ঞাপন করা ।এর ফলে দেশের সৈনিকদের যেমন মনবল রক্ষা করা যাবে তেমনি দেশের মানুষের মধ্যে দেশ প্রেম জাগ্রত করা সম্ভব হবে ।
এদিন সীমন্ত রক্ষী বাহিনীর হেড কোয়াটার রৌশনবাগে মুক্তি যুদ্ধের মশাল প্রদর্শনীর পাশাপাশি ওই যুদ্ধে অংশগ্রহন কারি ১১ জন প্রাক্তন সৈনিক তথা জেলার বাসিন্দা কে বিশেষ ভাবে সম্মানিত করা হয় । মুক্তি যুদ্ধের সুবর্ণ জয়ন্তীতে সীমন্ত রক্ষী বাহিনীর কাছ সংবর্ধনা লাভ করে ওই বাহিনীর প্রাক্তন সদস্য নকুল চন্দ্র মন্ডল , কাশি নাথ দেব নাথ , শঙ্কর চন্দ্র দাস কথা বলতে গিয়ে নস্টালজিক হয়ে পড়েন । তবে পাকিস্থানের কাছ থেকে বাংলাদেশ কে মুক্ত করতে পেরে তারা যে মুক্তির সূর্য লাভ করেছিলেন তা কিন্তু জানাতে ভুল করেন নি ।
প্রবীন ওই সৈনিকদের কাছ থেকে জানতে পারা যায় । ওই যুদ্ধে পাকিস্থানী সেনার হাতে সীমন্ত রক্ষী বাহিনীর মোট ১২৫ জন সৈনিক শহিদ হয়েছিলেন , আহত হয়েছিলেন ৪০০ জন এবং এখন পর্যন্ত প্রায় ১৩৩ জন সৈনিকের কোনও খোঁজ পাওয়া যায় নি ।মুলত মুক্তি যুদ্ধের ওই সব শহীদ সৈনিকদের শ্রদ্ধাঞ্জলি জ্ঞাপন করতেই এই মশাল যাত্রা ।

Post a Comment