রঙ দিয়ে রাজনৈতিক মতাদর্শকে মাপতে রাজি নন, নচিকেতা
দি নিউজ লয়ন; একুশের ভোটে বুথে বা ইভিএমে কারচুপি না হলে রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেসই জিতবে। এমনটাই আশা ব্যক্ত করলেন সঙ্গীতশিল্পী নচিকেতা চক্রবর্তী। তিনি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকে কটাক্ষ করে বলেন, একুশের বিধানসভা নির্বাচনে বাংলায় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ঠেকাতে বাংলার মাটিতে ২২ বার ছুটে এসেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। আর অমিত শাহ তো বাংলায় নিত্যযাত্রী হয়ে গিয়েছেন।
কেবলমাত্র বাংলায় রেশন কার্ডটাই নেই তাঁদের। নচিকেতা বলেন, দেশ অতিমারিতে জর্জরিত। তার মধ্যেই বাংলায় আট দফা নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে। কেন বাংলায় আট দফায় ভোট হচ্ছে সেটাই বুঝে উঠতে পারছি না। রাজ্যের অবস্থা বুঝে বাংলাতেও তো তামিলনাড়ুর মতো একদফায় নির্বাচন করলে অসুবিধার কিছু ছিলো বলে তো মনে হয় না। এরপরেই শিল্পী রাজ্যের শাসক দলের পক্ষ নিয়ে বলেন, এক্ষেত্রে রাজ্যের শাসকদলের কিছুই করার নেই।
পুরোটাই কেন্দ্রীয় সরকারের তুঘলকি শাসনের নামান্তর। নচিকেতা প্রশ্ন তোলেন, ভারত লড়ছে অতিমারির বিরুদ্ধে। কিন্ত দেশের প্রধানমন্ত্রী স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এককাট্টা হয়ে হয়ে লড়ছেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে। সত্যিই তিনি কি এতোটা প্রভাবশালী? নচিকেতা নিজের সম্পর্কে বলেন, আমি আদতে স্বাধীন বামপন্থী। যদিও নিজস্ব দল নেই আমার। তবে শিল্পীর যুক্তি, বামপন্থার সমস্ত গুণ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মধ্যে দেখতে পান তিনি।
তাই তিনি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পাশে। রঙ দিয়ে রাজনৈতিক মতাদর্শকে মাপতে রাজি নন তিনি। তাইতো রাজ্যে ৩৪ বছরের বাম রাজত্বের অবসান ঘটাতে তিনি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের লড়াইয়ের সঙ্গী হয়েছিলেন। আর এসবের বিনিময়ে তিনি কখনও মুখ্যমন্ত্রীর কাছে থেকে কিছু চাননি বলেও জানিয়ে দেন।

Post a Comment