শীতলকুচিতে গুলি চালিয়ে নিরীহ মানুষকে হত্যা করেছ, 2 মে ক্ষমতায় আসার পর এর শেষ দেখে ছাড়ব, অভিষেক
দি নিউজ লায়ন; শীতলকুচিতে গুলি চালিয়ে নিরীহ মানুষকে হত্যা করেছ। 2 মে ক্ষমতায় আসার পর এর শেষ দেখে ছাড়ব। উত্তর 24 পরগনার মিনাখাঁর জনসভা থেকে ভাজপাকে হুঁশিয়ারি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের। রীতিমতো চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়ে বললেন, এই ঘটনায় দোষীদের কোনও ভাবেই ছেড়ে দেওয়া হবে না। ২ মে ক্ষমতায় এলেই ঘটনার পূর্ণ তদন্ত হবে। শীতলকুচি ঘটনা প্রসঙ্গে অভিষেক বলেন, "ঘটনায় প্রতিবাদ করার ভাষা নেই।
কোচবিহারের শিলিগুড়িতে চারজনকে গুলি করে নিহত করেছে কেন্দ্রীয় বাহিনী। কার নির্দেশে সেটা তদন্তসাপেক্ষ। নেতাই নন্দীগ্রামের পরে এই গণহত্যা আর কোথাও হয়নি ১০ বছর বাংলার মাটিতে। আত্মরক্ষার্থে পুলিশ আগে কাঁদানে গ্যাস ছোড়ে। অথবা হাতে বা পায়ে গুলি ছোড়ে। এরা বুকে গুলি করেছে।" চ্যালেঞ্জ ছুড়ে অভিষেক বলছেন, "কেন্দ্রীয় বাহিনীকে আমি দোষ দিই না।
কিন্তু কার নির্দেশে কেন্দ্রীয় বাহিনী গুলি চালালো। আগামী দিন তৃণমূল কংগ্রেস ক্ষমতায় এলে এর পূর্ণাঙ্গ তদন্ত হবে। যত বড় মাথা থাকুক। টেনে হিঁচড়ে বার করা হবে। এই তরতাজা প্রাণ যারা কেড়ে নিয়েছে, এর শেষ দেখে ছাড়ব।" নির্বাচনে অশান্তির জন্য নির্বাচন কমিশনকেও দায়ী করেছেন অভিষেক। মমতাকে আটকানোর জন্য নির্বাচন কমিশন ৭২ ঘণ্টা শীতলকুচিতে সমস্ত রাজনৈতিক নেতা-নেত্রীদের প্রবেশ নিষিদ্ধ করেছে। যা নিয়ে সুর চড়িয়েছেন মমতা ।
রবিবার শিলিগুড়ি থেকে সাংবাদিক বৈঠক করে গতকালের ঘটনাকে 'গণহত্যা' বলে আখ্যা দিয়েছেন মমতা। মমতাকে শীতলকুচি যেতে না দেওয়া নিয়েও সরব হয়েছেন অভিষেক। অভিষেক বলেন, ভয় পেয়ে ভাজপাকে সুবিধা করে দিতে মমতাকে আটকানোর চেষ্টা করছে। কিন্তু জননেত্রীকে এভাবে আটকানো যায় না। বাংলার মানুষ যখনই বিপদে পড়েছে তখনই মমতা পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন এবারও মমতায় পাশে থাকবেন কারো ক্ষমতা নেই ওকে আটকানোর।

Post a Comment