বিশ্বভারতীর গেটে তালা ঝুলিয়ে দেব- হুমকি উপাচার্য বিদ্যুতের
দি নিউজ লায়ণঃ বিশ্বভারতীকে জেলখানায় পরিণত করে বসন্ত উৎসবের 24 ঘণ্টার মধ্যে এবার বিশ্বভারতী বন্ধ করে তালা ঝুলিয়ে দেওয়ার হুমকি দিলেন উপাচার্য বিদ্যুৎ চক্রবর্তী। যা শুনে স্তম্ভিত অধ্যাপক, আশ্রমিক, ছাএ-ছাএী, সহ সকল রবীন্দ্রানুরাগী। গত ১৫ ই মার্চ বিশ্বভারতীর আভ্যন্তরীণ ভার্চুয়াল বৈঠকে উপাচার্য বিদ্যুৎ চক্রবর্তী এই ধরনের মন্তব্য করেন। বৈঠক চলাকালীন অত্যন্ত চড়া মেজাজে তিনি বলেন, বিশ্বভারতীতে চোর-ডাকাতের আমদানি হয়েছিল, তিনি ঘাড় ধরে সেই সব চোর-ডাকাতদের বিশ্বভারতীর বাইরে বের করে দিয়েছেন তাই তার বিরুদ্ধে বারবার চক্রান্ত হচ্ছে।
বিভিন্ন ভবনের অধ্যাপক অধ্যাপিকা দের বিরুদ্ধে তিনি কটূক্তি করেন বলে অভিযোগ। বিশ্বভারতী যাতে বন্ধ হয়ে যায় তিনি তেমন ব্যবস্থা করে তবেই এখান থেকে যাবেন বলে হুমকি দেন বিদ্যুৎ। অনুব্রত মণ্ডল তাকে 'পাগল' বলেছিল অথচ কেউ প্রতিবাদ করেননি তাই তিনি অধ্যাপক অধ্যাপিকা দের 'ভীতু' আখ্যা দেন। তিনি চড়া মেজাজে জানান এভাবে তাকে দমিয়ে রাখা কারো পক্ষে সম্ভব হবে না। বস্তুত বিশ্বভারতীর উপাচার্য পদে দায়িত্বভার গ্রহণ করার পর থেকেই বিদ্যুৎ চক্রবর্তীর বিরুদ্ধে উঠেছে একাধিক অভিযোগ।
কিন্তু এবার সব সীমা ছাড়িয়ে একেবারে বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়কেই চিরতরে বন্ধ করার হুমকি দিলেন তিনি। বিশ্বভারতীর প্রাক্তন ভারপ্রাপ্ত উপাচার্য সবুজকলি সেন এ প্রসঙ্গে শ্লেষের সুরে বলেন, বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ে শতবর্ষ পালন হচ্ছে তো তাই বিশ্বভারতীর উপাচার্য বিদ্যুৎ চক্রবর্তী বিশ্বভারতী কে বন্ধ করে দেওয়ার হুমকি দিয়ে বড় উপহার দিলেন গুরুদেব রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে। উপাচার্যের এ ধরনের কঠোর সমালোচনা করেছেন প্রবীন আশ্রমিক সুপ্রিয় ঠাকুর , তিনি বলেন, উপাচার্য সবকিছুই তো বন্ধ করে দিয়েছেন।পাঁজরে যন্ত্রনা অনুভব করি, যখন দেখি দিনের-পর-দিন বিশ্বভারতীর অস্তিত্ব বিলীন হয়ে যাচ্ছে বলে। ওনার হাতে, গুরুদেবের স্বপ্নের প্রতিষ্ঠান নষ্ট হয়ে গেছে।

Post a Comment