কোচবিহারের সভা থেকে বিজেপিকে চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিলেন অভিষেক
দি নিউজ লায়নঃ আমি চ্যালেঞ্জ করে বলছি, মাঠ আপনাদের। জায়গা আপনাদের। আপনাদের সর্বভারতীয় নেতৃত্ব থাকবে অন্যদিকে আমি থাকব… পরিসংখ্যান নিয়ে লড়াই হোক। আপনারা কোচবিহারের জন্য কি করেছেন তার খতিয়ান দিতে পারলে আমি রাজনীতি ছেড়ে দেব। “ – কোচবিহারের সভা থেকে এভাবেইও বিজেপিকে চ্যালেঞ্জ ছুড়লেন অভিষেক। সেই সাথে তিনি বলেন, বিনা পয়সাতে রেশন চাই না ভাষন চাই …??
রেশন আমরা দেব – ভাষন বিজেপি দেবে। বিজেপি কালীপূজোর শ্যামা পোকার মত ভোটের সময় দেখা যায়। ভোট ফুরলেই উধাও। দিনহাটা ও সিতাই বিধানসভা সহ জেলার ৯ কেন্দ্রে দলীয় প্রার্থীদের জয়ী করে কোচবিহারে বিজেপির জামানত জব্দ করার জন্য কর্মীদের কাছে আহ্বান জানান যুব তৃণমূলের সর্বভারতীয় সভাপতি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় । বুধবার গোসানিমারি ফুটবল ময়দানে তৃণমূলের ডাকে এই নির্বাচনী সভা অনুষ্ঠিত হয়।
সেখানে উপস্থিত ছিলেন দুই কেন্দ্রের প্রার্থী উদয়ন গুহ , জগদীশচন্দ্র বর্মা বসুনিয়া, তৃণমূলের কোচবিহার জেলা সহ-সভাপতি ভবেশ চন্দ্র বর্মন, রাজবংশী উন্নয়ন পর্ষদের চেয়ারম্যান বংশী বদন বর্মন প্রমুখ। ভিড়ে ঠাসা এদিনের সভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন," দু তারিখ সরকার প্রতিষ্ঠিত হবে পয়লা জুন থেকে রেশনের দোকানের বাইরে কোন লাইন থাকবে না। রেশনের দোকানও থাকবে না। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে নতুন সরকার রেশনের জিনিসপত্র সরাসরি রাজ্যের প্রতিটি মানুষের বাড়িতে বাড়িতে পৌঁছে দেবে।"
বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি উল্লেখ করেন, প্রথম দফার ভোটে গুন্ডামি করতে গিয়েছিল কিন্তু বাড়ির মেয়েরা ঝাঁটা, খুন্তি হাতে নিয়ে প্রতিরোধ গড়ে তুলেছে। আপনারা প্রতিরোধের রাস্তা বেছে নেবেন ভয় পাওয়ার কিছু নেই আমরা রয়েছি। একদিকে বহিরাগতদের সরকার আর একদিকে বাংলার মেয়ের সরকার। চোর-ডাকাত চুরি করে বিজেপিতে যায়। যত চোর চিটিংবাজ এখন বিজেপিতে। দেখুন কাদেরকে প্রার্থী করেছে।
জেলার সাংসদকে প্রার্থী করেছে বিজেপি। ওই দলে কি একটা যোগ্য লোক নেই। সোনার কারবারিতে যে অভিযুক্ত তাকে নিয়ে এসে প্রার্থী করেছে। বিজেপি নেতারা এমএলএ কিনছে তখন চার্টার্ড ফ্লাইটে বসিয়ে তাদের দিল্লিতে উড়িয়ে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। সাধারণ মানুষের জন্য টোটো জোটে না আর বিজেপি নেতাদের জন্য প্রাইভেট জেড। আমাদের মুখ্যমন্ত্রী মানুষের জন্য করেছে।আমরা যা প্রতিশ্রুতি দিয়েছি তা অক্ষরে অক্ষরে পালন করেছি।
অন্যদিকে, আলিপুরদুয়ার জেলার মাদারিহাট বিধানসভা কেন্দ্রের ডিম ডিমা চা বাগানের মাঠের জনসভায় অভিষেক বলেন, " দেশের প্রধানমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সহ তাবড় তাবড় নেতারা বাংলায় ডেইলি প্যাসেঞ্জারি করছেন। আমি তাদেরকে চ্যালেঞ্জ করে বলছি সোনার বাংলা গড়তে তারা এসেছেন বলে দাবি করছেন, এই বাংলার মুখের ভাষা বাংলা। বাংলায় তারা দুমিনিট কথা বলে দেখাক। তারা দুই মিনিটে বাংলায় কথা বলতে পারলে ভাষণ দিতে পারলে আমি এক ঘন্টা হিন্দিতে ভাষণ দেব। কোন লিখিত নোট ছাড়া দুমিনিট তাদের বাংলা ভাষায় ভাষণ দেওয়ার ক্ষমতা নেই অথচ আমি হিন্দি ভাষায় কথা বলছি। তাই এই বহিরাগতদের বাংলা থেকে তাড়াতে হবে।"

Post a Comment