মোহনবাগান সমর্থক একাধিক মেয়ের সাথে ধর্ষণ, অশ্লীল ছবি ভিডিও দেখিয়ে ফ্ল্যাট গাড়ি বাড়ি হাতানো এবং অবশেষে খুনের হুমকি
দি নিউজ লায়নঃ একটি-দুটি নয় , 17 জন মহিলার সাথে নিজেকে মোহনবাগানের সদস্যর পরিচয় দিয়ে, এবং জি বাংলা দাদাগিরিতে মোহনবাগানের হয়ে তার পারফরমেন্সের ছবি ভিডিও টোপ হিসেবে পোস্ট করে সোশ্যাল মিডিয়ায় আলাপ করতেন অন্য মহিলা মোহনবাগান সাপোর্টারদের। ফোন নাম্বার ঠিকানা নিয়ে তাকে না জানিয়েই, হঠাৎ করে পৌঁছে যেতেন তিনি।
এরপর প্রগাঢ় বন্ধুত্বের সুযোগে কখনো কোলড্রিংস, কখনো বা শারীরিক অসুস্থতার সুযোগে ঘুমের ওষুধ খাইয়ে প্রায় অচৈতন্য অবস্থায় মহিলাদের সাথে ধর্ষণ এবং সেই ভিডিও ছবি তাকে বা তার পরিবারকে দেখিয়ে লক্ষ লক্ষ টাকা নিয়ে ক্রমাগত ব্ল্যাকমেলের অভিযোগ উঠে আসলো নদীয়া শান্তিপুর শহরের কাশ্যপ পাড়ার বাসিন্দা পেশায় শিক্ষক সৈকত বাগচীর বিরুদ্ধে। দমদমের দুটি পৃথক এলাকার দুই মহিলা থানায় লিখিত অভিযোগ করেন। সেই অনুযায়ী শান্তিপুর থানা থেকে তৎপরতার সঙ্গে বিষয়টি। কিন্তু তাকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না বেশ কিছুদিন।
ডিভোর্স না হলেও শান্তিপুরের তার স্ত্রীর সাথে বিচ্ছেদ প্রায় 10 বছর। কল্যাণী কাটাগঞ্জে একটি উচ্চ মাধ্যমিক স্কুলে তিনি শিক্ষকতা করেন। সেখানেও একজন শিক্ষিকা এবং দুজন ছাত্রীর সাথে শারীরিক সম্পর্কের মাধ্যমে তাদের কাছ থেকে বেশ কিছু টাকা আত্মসাৎ করেছে , সৈকত বাগচী, এমনকি কল্যাণীতে একটি বহুতল বাড়ি ভাড়া নিয়ে তিনি একটি মধুচক্র চালান বলে দাবি করেছেন ওই দুই অভিযোগকারী গৃহবধূ। তারা আরো জানান, প্রথমের দিকে সমাজ পরিবারের কথা ভেবে পিছিয়ে থাকলেও তাদের নিজ নিজ স্বামী , আইনি বন্ধু, এবং প্রশাসনিক কর্তা ব্যক্তি, বেশকিছু মহিলা সংগঠন, এবং হিউম্যান রাইটসের সহযোগিতায় , ক্রমাগত জোট বাঁধছেন তারা। ওই দুই অভিযোগকারিণীর মধ্যে একজনের মা কে তার মেয়ের সাথে সহবাসের ছবি ভিডিওর মিডিয়ায় পোস্ট করে দেওয়ার হুমকি দেওয়ার পর দুশ্চিন্তায় কিছুদিনের মধ্যে মৃত্যু হয় ওই বৃদ্ধা মায়ের।
যদিও স্থানীয় প্রশাসনের সাথে যুক্ত এক পুলিশকর্মী, সৈকত বাগচীর দুজন নিকটাত্মীয়, এবং তার এলাকার ঘনিষ্ঠ দুজন ব্যক্তি তাকে পালিয়ে থাকতে সাহায্য করে চলেছেন এখনো। সৈকত বাগচি ওরফে তোতোর বিরুদ্ধে 17 জন মহিলার যাবতীয় প্রমাণপত্র পেতে তারা বদ্ধপরিকর বলেই জানান ওই দুই অভিযোগকারিণী। তারা ইতিমধ্যেই মোহনবাগান ক্লাবে বিষয়টি জানালে সেখান থেকে স্থানীয়ভাবে সোশ্যাল মিডিয়ায় এবং সমস্ত মোহনবাগানের সাপোর্টার দের সচেতন করা হয়। এরপর তারা কল্যাণীর ওই বিদ্যালয়ে একটি লিখিত অভিযোগ জমা করেন শিক্ষক পদ থেকে অপসারণের জন্য যাতে ছাত্রীদের আর কেউ প্রতারক ধর্ষকের পাতা ফাঁদে পা না দিতে পারে।

Post a Comment