রাতের অন্ধকারে আক্রান্ত তৃণমূল কর্মী,আটক ২
দি নিউজ লায়নঃ রাতের অন্ধকারে দুষ্কৃতিদের হাতে আক্রান্ত হলেন এক তৃণমূল কর্মী সমর্থক।ঘটনাটি ঘটেছে মঙ্গলবার রাতে বাসন্তী থানার ফুলমালঞ্চ গ্রাম পঞ্চায়েতের সরকার পাড়া এলাকায়। গুরুতর জখম অবস্থায় ওই তৃণমূল কর্মীসমর্থক কে প্রথমে বাসন্তী ব্লক গ্রামীণ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। পরে অবস্থার অবনতি হলে ক্যানিং মহকুমা হাসপাতেলে স্থানান্তরিত করেন চিকিৎসকরা। স্থানীয় সুত্রে জানাগেছে তণমূল কর্মী সমর্থক সাদ্দাম সেখ।তিনি এদিন দুপুরে বাসন্তী বিডিও অফিসে গিয়েছিলেন একটি রাস্তার টেন্ডার সংক্রান্ত কাগজপত্র জমাদিতে।
কাজ সেরে সন্ধ্যায় বাড়িতে ফিরছিলেন তিনি। অভিযোগ বাড়ির কাছাকাছি আসতেই রাতের অন্ধকারে ধারালো অস্ত্র নিয়ে অতর্কিতে তার উপর ঝাঁপিয়ে পড়ে আক্রমণ করে কয়েকজন দুষ্কৃতি। সাদ্দাম সেখ কে মাটিতে ফেলে দিয়ে এলোপাথাড়ি কোপ মারে বলে অভিযোগ। ধারালো অস্ত্রের কোপে রক্তাক্ত হয়ে পড়েন ওই তৃণমূল কর্মীসমর্থক। তিনি চিৎকার চেঁচামেচি শুরু করেন। পালিয়ে যায় দুষ্কৃতিরা। স্থানীয়রাই রাতের অন্ধকারে ওই তৃণমূল কর্মী সমর্থক কে উদ্ধার করে প্রথমে বাসন্তী ব্লক গ্রামীণ হাসপাতালে এবং পরে ক্যানিং মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে যায় চিকিৎসার জন্য। বর্তমানে তৃণমূলকর্মী সমর্থক সাদ্দাম সেখের অবস্থা আশাঙ্কাজনক অবস্থায় রয়েছে বলে তাঁর পরিবার পরিজনদের দাবী।এবিষয়ে বাসন্তী থানায় একটি অভিযোগ দায়ের হয়েছে।
ঘটনার তদন্তে নেমে বাসন্তী থানার পুলিশ আজিম আলি লস্কর ও সরিফুল লস্কর নামে দুজন কে আটক করেছে।স্থানীয় তৃণমূল কংগ্রেস সংগঠনের নেতা মন্টু গাজী ঘটনার বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন ‘বিজেপি আশ্রিত দুষ্কৃতিরাই আমাদের কর্মীকে প্রাণে মেরে দেওয়ার জন্য রাতের অন্ধকারে এমন বর্বরোচিত আক্রমণ করেছে। পুলিশ কে বিষয় টি জানিয়েছি।অন্যদিকে বিজেপির দক্ষিণ ২৪ পরগনা পূর্ব জেলার প্রাক্তন সম্পাদক তথা বিজেপি নেতা সঞ্জয় কুমার নায়েক ঘটনা প্রসঙ্গে জানিয়েছেন ‘ঘটনাটি সম্পূর্ণ পারিবারিক ব্যাপার। ঘটনায় কোন বিজেপি কর্মী সমর্থক জড়িত নেই।বিজেপি হিংসার রাজনীতি করে না।বাসন্তী সহ সমগ্র রাজ্যে তৃণমূলের পায়ের তলার মাটি সরে গিয়েছে। তাই তারা মরিয়া হয়ে বিজেপির উপর দোষ চাপিয়ে কালিমালিপ্ত করে রাজনৈতিক ফায়দা তুলছে চাইছে। সাধারণ মানুষ সেটা বুঝে গিয়েছে।

Post a Comment