বিশ্বভারতীর উপাচার্য বিদ্যুৎ চক্রবর্তী বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগ আনলেন ইংরেজি বিভাগের অধ্যাপক গণ - The News Lion

বিশ্বভারতীর উপাচার্য বিদ্যুৎ চক্রবর্তী বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগ আনলেন ইংরেজি বিভাগের অধ্যাপক গণ

 


দি নিউজ লায়নঃ      বিশ্বভারতীর উপাচার্য বিদ্যুৎ চক্রবর্তী বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগ আনলেন বিশ্বভারতীর ইংরেজি বিভাগের অধ্যাপক গণ৷ গাজোয়ারি করে গুন্ডাদের মত বিশ্বভারতীর উপাচার্য বিদ্যুৎ চক্রবর্তী নিজের কার্যালয়ের ভেতরে 15 জন অধ্যাপক অধ্যাপিকা দের দীর্ঘক্ষণ আটকে রাখেন বলে অভিযোগ। উপাচার্যের বিরুদ্ধে এমন অভিযোগ আসার পরে তুলকালাম বিশ্বভারতী। 


বিভিন্ন মহল থেকে সমালোচনার কালবৈশাখীর ঝড়  শুরু হয়েছে। ঘটনার তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে বিশ্বভারতীর কেন্দ্রীয় ভবনের সামনে ধরনায় বসে পড়েন হরনী চক্রবর্তী, পীযুষ ঘোষ।  ইতিমধ্যে সহকর্মী অধ্যাপকদের উদ্ধারের দাবি জানিয়ে শান্তিনিকেতন থানায় উপাচার্যের বিরুদ্ধে অভিযোগ করা হয়েছে।অধ্যাপকরা জানিয়েছেন, উপাচার্যের বিরুদ্ধে সই সংগ্রহ করছিলেন তারা। ইতিমধ্যেই বিশ্বভারতীর ইংরাজি বিভাগে তালা ঝুলিয়ে দিয়েছেন উপাচার্য।


গত কয়েক মাস ধরেই বিভিন্ন ঘটনায় বিতর্কের কেন্দ্র বিন্দুতে বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয় ও উপাচার্য বিদ্যুৎ চক্রবর্তী। এদিন বিশ্বভারতীতে উপাচার্যের বিরুদ্ধে সই সংগ্রহে নামেন অধ্যাপক-অধ্যাপিকাদের একাংশ৷ এরপরেই এদিন দুপুর ১২ টায় ওই সকল অধ্যাপক অধ্যাপিকাদের দপ্তরে ডেকে পাঠান উপাচার্য বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করার অছিলায়। 


 অভিযোগ, সেই থেকে প্রায় ৬ ঘন্টা তাদের আটকে রাখেন৷ সংগৃহীত সইয়ের কাগজ চাইতে থাকেন উপাচার্য৷ কিন্তু অধ্যাপকেরা গণস্বাক্ষরের কাগজ উপাচার্যের হাতে তুলে দিতে অস্বীকার করে।অধ্যাপকরা বেরিয়ে আসতে চাইলে তাদেরকে বিভিন্ন রকমের ভয় দেখিয়ে আটকে রাখা হয়।  বিশ্বভারতী সূত্রে জানা গেছে বিশ্বভারতীর আচার্য তথা দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও রাষ্ট্রপতি কে চিঠি পাঠানোর পরিকল্পনা নিয়েছেন  বিশ্বভারতীর একাধিক অধ্যাপকবৃন্দ । 


হরনী চক্রবর্তী জানিয়েছেন, ঘন্টার পর ঘন্টা সহকর্মী দের আটকে রাখা হবে এটা তো হতে পারে না, উল্টে উপাচার্য মহাশয় যেকোনো সময় অসুস্থ হতে পারেন তাই পুলিশের সাহায্য চেয়েছি। ঘটনার তীব্র নিন্দা করেন আশ্রমিক সুবোধ মিএ, এরকম ঘটনা আমরা সিনেমায় দেখি, যে গুন্ডারা ভলো মানুষদের কে কিডন্যাপ করে আটকে রেখে দেয়। বাস্তব জীবনে এরকম চিত্রনাট্যের কখনো দেখব তা ভাবি নি, তাও আবার গুরুদেব রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বিশ্বভারতীর উপাচার্যের কাছ থেকে। ধীরে ধীরে প্রতিবাদের ভাষা হারিয়ে যাচ্ছে।

কোন মন্তব্য নেই

Thankyou To Comment us

Blogger দ্বারা পরিচালিত.