রাজ্যের প্রথম সম্ভাব্য ৫১ফুটের সর্ববৃহত সরস্বতী
দি নিউজ লায়ন ; এক, দুই ফুট নয়, একেবারে ৬ লাখ টাকা ব্যয়ে মুর্শিদাবাদ জেলা তথা রাজ্যে সম্ভাব্য প্রথম৫১ ফুটের বড় সরস্বতী বানিয়ে মঙ্গলবার সকলকে তাক লাগিয়ে দিলো জিয়াগঞ্জের নব জাগরণ সংঘ। তাদের এই ৫১ ফুটের সরস্বতীকে ঘিরে রীতিমতো উন্মাদনা ছড়িয়েছে জিয়াগঞ্জবাসীর মধ্যে। শুধু তাই নয় আনুষ্ঠানিকভাবে এই পুজোর উদ্বোধনের মধ্যেই আগামী ২৭ এ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত শহরবাসীকে মাতিয়ে রাখতে নানা উৎসব থেকে একাধিক অনুষ্ঠানেরও আয়োজন করা হয়েছে গোটা জিয়াগঞ্জ জুড়ে।
এদিকে পুজোকে কেন্দ্র করে মণ্ডপের পাশের মাঠে দুই সপ্তাহ ব্যাপী মেলাও বসেছে। সন্ধ্যা নামলেই অনুষ্ঠিত হবে বিভিন্ন সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। উদ্যোক্তাদের দাবি, জেলায়, এমনকী রাজ্যেও সম্ভবত ৫১ ফুটের সরস্বতী আগে কখনও হয়নি। জিয়াগঞ্জ শহরে বিভিন্ন ক্লাব ও পরিবার মিলিয়ে শতাধিক সরস্বতী পুজো হয়। কিন্তু চলতি বছরে ৫১ ফুটের সরস্বতী প্রতিমা শহরের সব থেকে বড় চমক। ক্লাব সূত্রে জানা গিয়েছে, পুজোর মোট বাজেট প্রায় ছয় লক্ষ টাকা।
বড় বাজেটের এই সরস্বতী পুজোকে ঘিরে একদিন থেকেই উৎসবের মেজাজ দেখা দিয়েছে শহরে। মণ্ডপের পাশের মাঠে মেলায় নাগরদোলা, চরকি, ট্রয়ট্রেন, মিকি মাউস প্রভৃতি বিনোদনের সমস্ত উপকরণ সহ ফাস্ট ফুডের স্টল, খেলনা, সাংসারিক নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যের দোকান বসেছে। প্রতিমা দেখতে আসা দর্শনার্থীদের বিনোদনের জন্য মণ্ডপের পিছনে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের জন্য মঞ্চ রয়েছে। ১৮ফেব্রুয়ারি, সন্ধ্যায় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান শুরু হবে প্রথম দফার চলবে আগামী ২২ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত।
করোনা পরিস্থিতি এখনও সম্পূর্ণভাবে স্বাভাবিক না হওয়ায় স্বাস্থ্য ও দূরত্ববিধি মেনে প্রতিমা দর্শনের জন্য ক্লাবের পক্ষ থেকে প্রচার চালানো হচ্ছে। ক্লাবের সম্পাদক দেবঋষি সাহা বলেন, করোনার কারণে দুর্গা ও কালীপুজোয় শহরবাসী অন্য বছরের মতো উৎসবে মাততে পারেননি। বেশিরভাগ মানুষ করোনা সংক্রমণের সতর্কতার কারণে বাড়িতেই ছিলেন।
এখন করোনা পরিস্থিতি অনেকটাই স্বাভাবিক হয়েছে। তাই শহর তথা জেলাবাসীর কাছে উৎসবের আমেজ ফিরিয়ে দিতে বিগ বাজেটের বড় সরস্বতী পুজোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। আগামী ২৮ ফেব্রুয়ারি দেবীকে বিদায় জানানো হবে। জিয়াগঞ্জের বাসিন্দা স্কুল ছাত্র বিকাশ ঘোষ বলেন, দুর্গাপুজোয় সেভাবে আনন্দ করতে পারিনি। সরস্বতী পুজোয় চুটিয়ে আনন্দ করব"।

Post a Comment