স্বাস্থ্য সাথী প্রকল্পে মিলল চিকিৎসার খরচ
দি নিউজ লায়ন; স্বাস্থ্য সাথী প্রকল্পে মিলল চিকিৎসার খরচ।নিম্নবিত্ত পরিবার পেল নার্সিংহোমে চিকিৎসা করানোর সুযোগ। গত কয়েকদিন ধরে গুরুতর অসুস্থ ছিলেন পূর্ব মেদিনীপুরের কোলাঘাটের বাসিন্দা ৫৫ বছরের সমর মাইতি। শনিবার রাতে তাকে হাওড়ার উলুবেড়িয়ার এক বেসরকারি নার্সিং হোমে ভর্তি করা হয়। পেশায় সমর বাবু সব্জি বিক্রেতা। খুবই অভাব অনটনের মধ্যে সংসার চালাতেন।চিকিৎসার ব্যয়বহুল হওয়ায় চিন্তায় ছিলো সমর বাবুর পরিবার।এই অসুস্থতার খবর রাতে পান কোলাঘাটের বিডিও মদন মণ্ডল।
দুঃস্থ পরিবারের রাজ্যসরকারের স্বাস্থ্যসাথী কার্ড ছিলো না। আর এই খবর জানার পরই তৎপর হন বিডিও মদন বাবু। রবিবার অফিস বন্ধ থাকলেও কয়েকজন কর্মচারীদের নিয়ে সকালবেলাই ছুটলেন উলুবেড়িয়ার ওই বেসরকারি নার্সিংহোমে।এরপর নার্সিংহোমের মধ্যেই রাজ্যসরকারের স্বাস্থ্যসাথী কার্ড বানিয়ে হাতে তুলেদিলেন কোলাঘাট ব্লকের বিডিও মদন মন্ডল।মদন বাবু জানান,এই স্বাস্থ্যসাথীর কার্ড পেয়ে চিকিৎসার ক্ষেত্রে ৫ লাখ টাকা ছাড় পেতে পারেন রোগীর পরিবার।আর এই কার্ড এদিন বিডিও হাতে তুলেদেন সমর বাবুর স্ত্রী অনিমা মাইতির হাতে।
এদিন অনিমা দেবী মানবিক রাজ্যসরকারের এই সহায়তায় চোখের জল আটকে রাখতে পারেননি।এদিন রাজ্যের মূখ্যমন্ত্রী এবং কোলাঘাটের বিডিও মদন মণ্ডলকে ধন্যবাদ জানান রোগীর পাশে থাকার জন্য। জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে যখনই এই ধরনের কোনো রোগীর সন্ধান পাওয়া যাচ্ছে যারা স্বাস্থ্য সাথী প্রকল্পের আওতাভুক্ত এখনো হননি। তাদের সঙ্গেই যোগাযোগ করে দ্রুত স্বাস্থ্য সাথী কার্ড তৈরি করে দেওয়া হচ্ছে যাতে তারা চিকিৎসার সমস্ত রকম সুযোগ-সুবিধা পান।

Post a Comment