জঙ্গলমহলের মুক্তিসূর্য জঙ্গলমহলের মানুষ শুভেন্দু অধিকারী নয় বলে তাকে কটাক্ষ করলেন ছত্রধর মাহাতো - The News Lion

জঙ্গলমহলের মুক্তিসূর্য জঙ্গলমহলের মানুষ শুভেন্দু অধিকারী নয় বলে তাকে কটাক্ষ করলেন ছত্রধর মাহাতো



দি নিউজ লায়নঃ     আগামী ৭ ই জানুয়ারি ঝাড়গ্রাম জেলার লালগড় থানার নেতাই গ্রামে নেতাই গণহত্যায় নিহত শহীদদের স্মরণে শহীদ স্মরণ সভার আয়োজন করেছে তৃণমূল কংগ্রেস। ঐ শহীদ সভাকে কেন্দ্র করে একদিকে তৃণমূল কংগ্রেস অন্যদিকে নব্য বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারী মধ্যে বাক যুদ্ধ শুরু হয়েছে। যখন তৃণমূলে ছিলেন তখন শুভেন্দু অধিকারী ২০১২সাল থেকে প্রতিবছর নেতাই গ্রামে গিয়ে শহীদ বেদীতে ফুলের মালা দিয়ে শহীদদের শ্রদ্ধা জানাতেন এবং শহীদ পরিবারগুলির হাতে সাহায্য তুলে দিতেন। কয়েকদিন আগে শুভেন্দু অধিকারী তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দিয়েছেন। বিজেপিতে যোগদান করে  নেতাই নিয়ে তিনি কারও কাছে কোনো কিছুই শুনবেন না  বলে শুভেন্দু অধিকারী জানিয়ে দিয়েছেন।


তারই পরিপ্রেক্ষিতে তৃণমূলের রাজ্য সম্পাদক ছত্রধর মাহাতো নেতাই এর শহীদ দিবস উদযাপন উপলক্ষে এক ঐতিহাসিক সভা করার জন্য সকাল থেকে রাত পর্যন্ত গ্রামে গ্রামে ঘুরে দলীয় কর্মীদের নিয়ে বৈঠক করছেন। মঙ্গলবার ঝাড়্গ্রাম জেলার ঝাড়গ্রাম ব্লকের লোধা সুলিতে  তৃণমূল কংগ্রেসের ব্লক কার্যালয়ে দলীয় কর্মীদের নিয়ে একটি বৈঠক করেন। সেই বৈঠকে তিনি তীব্র ভাষায় শুভেন্দু অধিকারী কে আক্রমণ করেন ।তিনি বলেন শুভেন্দু অধিকারী বলে বেড়াচ্ছেন তিনি জঙ্গলমহলের   ভূমি পুত্র ও মুক্তিসূর্য। উনি কোথাকার কে হরিদাস পাল জঙ্গলমহলের মানুষ হলেন  জঙ্গল মহলের ভূমি পুত্র ও মুক্তি সূর্য। জঙ্গলমহলের শান্ত প্রিয় মানুষকে ভুল বুঝিয়ে শুভেন্দু অধিকারী অনেক করেছেন ।এখন তিনি বিজেপিতে যোগ দিয়ে তৃণমূলের বিরুদ্ধে কুৎসা অপপ্রচার করে আবার মহান হওয়ার চেষ্টা করছেন। জঙ্গলমহলের মানুষ উনাকে ছুঁড়ে ফেলে দেবে। তার প্রমাণ ইতিমধ্যেই উনিপেয়ে গিয়েছেন। 


তাই জঙ্গলমহলের ভূমিপুত্র  ও মুক্তি সূর্য অন্য কেউ নয় জঙ্গলমহলের ভূমিপুত্রও মুক্তি সূর্য হলেন জঙ্গলমহলের বাসিন্দারা। তাই জঙ্গলমহলের মানুষ দলে দলে নেতাই শহীদ দিবস অনুষ্ঠানে যোগদান করবেন।  ২০১১ সালের ৭ই জানুয়ারি নেতাই গ্রামে যে গণহত্যা হয়েছিল। সেই গণহত্যায় নিহত শহীদদের যেমন সম্মান জানাতে ,তেমনি শহীদ স্মরণ সভায় অংশগ্রহণ করবেন  হাজার হাজার মানুষ। কারণ জঙ্গলমহলের মানুষ শুভেন্দু অধিকারী কে উপযুক্ত যোগ্য জবাব দেওয়ার জন্য এখন থেকেই প্রস্তুতি শুরু করে দিয়েছেন। তিনি বলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নেতাই গ্রামের মানুষের পাশে ছিল ,শহীদ পরিবারগুলির পাশে ছিল, আহতদের পাশে ছিল ।আগামী দিনেও থাকবেন। কারণ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় হলেন শান্তি ও উন্নয়নের প্রতীক। তাই জঙ্গলমহলে তিনি শান্তি প্রতিষ্ঠা করে উন্নয়নের কাজ শুরু করেছেন। তাই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উন্নয়নের হাতকে শক্তিশালী করে তোলার জন্য বেইমান,গদ্দার, মীরজাফর শুভেন্দু অধিকারী কে উপযুক্ত জবাব দেওয়ার জন্য সর্বস্তরের মানুষকে তিনি নেতাই শহীদ দিবস উদযাপন অনুষ্ঠানে শামিল হওয়ার আহ্বান জানান।


কোন মন্তব্য নেই

Thankyou To Comment us

Blogger দ্বারা পরিচালিত.