বিজেপি যেরকম মশলা দেবে আমরাও তেমন মশলা দেবো, এবারে বোধহয় মশলা ছাড়া রান্না হবে না - The News Lion

বিজেপি যেরকম মশলা দেবে আমরাও তেমন মশলা দেবো, এবারে বোধহয় মশলা ছাড়া রান্না হবে না

 


দি নিউজ লায়নঃ      রাজীব বব্দ্যোপাধ্যায় আমার খুব প্রিয় ছিলো। কিনু রাজীব বিজেপিত যাওয়ার পর  ডোমজুড়ের ৯৮ শতাংশ মানুষ মানসিকভাবে তৈরি হয়ে গিয়েছেন। তারা রাজীবের বিরুদ্ধে রাস্তায় নামবেন। রবিবার বিকালে হাবড়া বিধানসভার পৃথিবা গ্রাম পঞ্চায়েতের সপ্তগ্রাম আদর্শ স্কুলের মাঠে তৃনমূল কংগ্রেসের এক জনসভায় এসে একথা বললেন তৃণমূল নেতা মদন মিত্র। তিনি বলেন, বিজেপির মিটিং মিছিল দেখে লাভ নেই। ভাগ্যিস মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এখনও  ব্রিগেডের সভা ডাকেননি। তাহলে বিজেপির মিটিং মিছিল্লজ্জা পেয়ে যাবে।


 এদিন মদন মিত্র বলেন,  আমার একটাই দাবি, যারা যারা তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দিয়েছেন তারা যদি মায়ের দুধ খেয়ে থাকেন, তাহলে যে যে কেন্দ্র থেকে তারা দাড়িয়েছিলেন, তারা যেন সেই কেন্দ্র থেকেই দাড়ান। যদি কেন্দ্র চেঞ্জ না করেন তাহলে আপনাদের হারাবার চ্যালেঞ্জ আমরা নিচ্ছি। মদন মিত্র বলেন, বিজেপির মরীচিকা বুঝতে পেরে  আমাদের কর্মীরা সব বিজেপি থেকে ফিরে আসছেন। সোনার হরিনের খোজে গিয়ে এখন তাদের ভুল ভেঙ্গে যাচ্ছে, তবে নেতাদের ফেরার রাস্তা বোধহয় আর নেই। তিনি বলেন, এবারের  ভোটে যেখানে যেরকম মশলা লাগবে আমরা সেখানে সেই রকম মশলা দেবো। বিজেপি যেরকম মশলা দেবে আমরাও তেমন মশলা দেবো। এবারে বোধহয় মশলা ছাড়া রান্না হবে না।


 মদন মিত্র চ্যালেঞ্জ জানিয়ে বলেন,  হাবড়ায় আমরা জিততে না পারলে আমি মদন মিত্র রাজনীতি  ছেড়ে দেবো। বিজেপি যদি পয়সা দিয়ে কাউকে কিনতে চায় তাহলে আমরা তাকে  তুলে নেবো। মদন বলেন, মনীষ শুক্লা খুনের পর্দা ফাস হয়ে যাবে। মনীষ শুক্লাকে  নোংরা পথে নিয়ে গিয়েছে অর্জুন সিং।মনীষ আমাদের সঙ্গে থাকলে আমি ওকে যুব নেতা তৈরি করতাম। এদিনের সভায় উপস্থিত থেকে হাবড়ার বিধায়ক তথা রাজ্যের খাদ্য ও সরবরাহ মন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক বলেন,  সারা বাংলা জুড়ে এখন নব্য বিজেপি ও আদি বিজেপির মধ্যে লড়াই শুরু হয়ে গেছে। আগামী বিধানসভা নির্বাচনে টিকিট বিতরনকে কেন্দ্র করে সেই লড়াই আরও তীব্র হয়ে যাবে। আমাদের থেকে যে সব  উচ্ছিষ্ঠ পচা মালগুলো এতদিন দলে থেকে দুধ ,ক্ষীর খেয়ে বিজেপিকে  যোগ দিয়েছেন তারাই এখন আসল বিজেপিকে গ্রাস করেছে।


 তারাই দায়িত্ব নিয়ে আদি বিজেপিকে ঘরে তুলে দেবে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে কাউন্টার করতে গেলে পাঁচটা নরেন্দ্র মোদী ও চারটে অমিত শাহ দরকার। তাও পারবে কিনা সন্দেহ। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আবার ও বেশী আসন নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী হচ্ছেন এবিষয়ে কোন সন্দেহ নেই।"এদিন সাংসদ সৌগত রায় বলেন, রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায় বিশ্বাসঘাতক। প্রবীর ঘোষালের নাম মানুষ ভুলে যাবেন। এরা মানুষের জন্য কিহুই করেননি। এরা যখন মমতার মন্ত্রীসভায় ছিলেন তখন মমতার পায়ে হাত দিয়ে প্রনাম করতেন।এখন দল ছেড়ে গলায় একটু আওয়াজ বেরিয়েছে। আমরা খন ও বলিনি অভিষেক বন্দ্যীওপাধ্যায় বান্নগ্লার মুখ্যমন্ত্রী হবে। কিন্ত বিজেপি অভিষেকের নামে নানা কুতসা করছে। অভিষেককে তোলাবাজ বলছে। কিন্ত ওরা একটাও প্রমাণ দিতে পারেনি।

কোন মন্তব্য নেই

Thankyou To Comment us

Blogger দ্বারা পরিচালিত.