গত ২৪ ঘণ্টায় পশ্চিম মেদিনীপুর জেলায় হাতির হামলায় ৩ জনের মৃত্যু - The News Lion

গত ২৪ ঘণ্টায় পশ্চিম মেদিনীপুর জেলায় হাতির হামলায় ৩ জনের মৃত্যু




দি নিউজ লায়ন ; পশ্চিম মেদিনীপুর জেলা জুড়ে হাতির হামলার ঘটনা অব্যাহত রয়েছে। গত ২৪ ঘন্টায় হাতির হামলায় ৩ জনের মৃত্যু হয়েছে, আহত হয়েছে ৩ জন। যার ফলে  জেলাজুড়ে হাতির হামলার আশঙ্কায় আতঙ্কের মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার গুড়গুড়িপাল, শালবনী, কেশপুর, আনন্দপুর, চন্দ্রকোনা টাউন, গোয়ালতোড়, গড়বেতা, চন্দ্রকোনা রোড পুলিশ ফাঁড়ি এলাকার বাসিন্দারা। 


গত ২৪ ঘন্টায় মারা গিয়েছে কেশপুর ব্লক এর খড়িগেড়িয়া এলাকার গীতা ঘোষ ,তাঁর বয়স ৪০বছর, গোয়ালতোড় এর তুহিন মাহাতো, তার বয়স ১৭ বছর,সে গোয়ালতোড় হাইস্কুলের একাদশ শ্রেণীর ছাত্র ছিল। এছাড়াও হুমগড় এলাকার ৩৫ বছর বয়সী শান্তনু লোহার হাতির হামলায় বুধবার মারা যায়। গত ২৪ ঘণ্টায় পশ্চিম মেদিনীপুর জেলায় তিন জনের মৃত্যুর পাশাপাশি আহত হয়েছে তিনজন। যার ফলে বনদপ্তর এর উপর পশ্চিম পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার জঙ্গল লাগুয়া গ্রামের বাসিন্দারা প্রচন্ড ক্ষুব্দ। একদিকে যেমন প্রাণহানির ঘটনা ক্রমশ বাড়ছে, তেমনি মাঠে ফসলের ব্যাপক ক্ষতি করছে হাতির দল।


এছাড়া দলছুট হয়ে বেশ কয়েকটি হাতি লোকালয়ে ঢুকে ঘরবাড়ি ও ভাঙচুর করছে। যার ফলে প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছে। বনদপ্তর এর পক্ষ থেকে বৃহস্পতিবার সকাল থেকে জঙ্গল লাগুয়া এলাকার জনগণকে সতর্ক করে প্রচার করা হচ্ছে। বন দফতরের পক্ষ থেকে জানানো হচ্ছে যে কয়েকটি হাতি লোকালয়ে ঢুকে পড়ছে। যার ফলে যেকোনো সময় দুর্ঘটনা ঘটার আশঙ্কা রয়েছে। তাই একা একা রাস্তায় যাবেন না। জঙ্গল এলাকার রাস্তায় চলাচল করবেন না। 


সন্ধ্যার মধ্যে বাড়ি ফিরে আসবেন। সকলকে সজাগ ও সতর্ক থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ঐরাবত গাড়ির মাধ্যমে বন দফতরের  কর্মীরা পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার বিভিন্ন এলাকায় প্রচারের কাজ শুরু করেছে। তবে স্থানীয় বাসিন্দারা হাতির দলকে তাড়ানোর জন্য জানিয়েছে। হাতিগুলিকে তাড়ানোর কোন ব্যবস্থা করেনি বনদফতর বলে স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ। যার ফলে বনদপ্তর এর ওপর একরাশ ক্ষোভ আছড়ে পড়ছে গ্রামবাসীদের।


যেভাবে হাতির হামলায় ২৪ ঘণ্টায় তিন জনের মৃত্যু হয়েছে,আহত হয়েছে তিন জন তাতে রীতিমতো আতঙ্কের মধ্যে রয়েছেন পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার জঙ্গল লাগুয়া গ্রাম  গুলির  বাসিন্দারা। তবে বন দফতরের পক্ষ থেকে জানানো হয় যে হাতি গুলির গতিবিধির ওপর নজর রাখা হয়েছে। হাতির হামলায় যাদের প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছে তাদের পরিবারকে সরকারি সাহায্য দেওয়া হবে এবং যাদের ফসল ও ঘরবাড়ি হাতি ক্ষতি করেছে  তাদের ক্ষতিপূরণ দেওয়ার ব্যবস্থা করা হবে।

কোন মন্তব্য নেই

Thankyou To Comment us

Blogger দ্বারা পরিচালিত.