মৃতদেহ গেল ব্যান্ড তাসা সহযোগে - The News Lion

মৃতদেহ গেল ব্যান্ড তাসা সহযোগে




দি নিউজ লায়ন ;  এ এক অনাবিল আনন্দ ব্যান্ডপার্টি তাসা নিয়ে দুঃখ নয় ,আনন্দের সাথে যাচ্ছে মরদেহ। সাত ছেলে সহ নাতি-নাতনিদের জানিয়েছিলেন বৃদ্ধ আমার মৃত্যুর পর মৃতদেহ শবদেহ করতে যেন আনন্দ করতে করতে যায়।নাদিয়ার, হরিপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের অন্তর্গত নৃসিংহপুর বাবলাবন এলাকার  প্রচণ্ড মানসিক শক্তিসম্পন্ন গঙ্গাধর বিশ্বাস। 


 ২০১৬  সালে গঙ্গাধর  বাবুর বয়স  ১০০  বছর পূরণ হতেই জি বাংলার এক অন্যতম এপিসোড দাদাগিরিতে মহারাজ সৌরভ গাঙ্গুলীর ডাক পেয়েছিলন।  সেখানে তৃতীয় স্থান অধিকার করে চমক দিয়েছিলেন। দাদা সৌরভ গঙ্গুলিকেও চমকে দিয়েছিলেন। মানসিক শক্তির আশীর্বাদ পেতে দাদা পায়ে হাত দিয়ে প্রণামও করেছিলেন গঙ্গাধর বাবুর। এরপরেও বিভিন্ন পুরস্কারে পুরস্কারে ঘর ভর্তি হয়ে গিয়েছিলো কৃষক পরিবারের গঙ্গাধর বাবুর। 


নিয়মিত কৃষি কার্যের ধারাবাহিকতায় এতোটুকু ঘাটতি না পড়ার জন্য।ধান এবং চালের বস্তা নিজেই কাঁধে তুলে নিয়ে যেতেন আড়তে বিক্রি করতে। প্রতিদিন স্নানের সময় গঙ্গা সাঁতরে এপার ওপার করতেন চোখের নিমেষে। মাছ ধরাতেও এ তল্লাটে তার জুড়ি মেলা ভার ছিল। তিনি দাদাগীরির মঞ্চে দাঁড়িয়ে বলেছিলেন বয়সকে নিয়ে চিন্তা করলে হবে না, সঠিকভাবে শরীরচর্চা করলে শরীরে কোন রোগ জন্মাবে না অর্থাৎ প্রত্যেক মানুষই দীর্ঘদিন বাঁচাতে পারে। 


যদি সে নিয়মিত শরীরচর্চা করে।বুধবার সকালে তার মৃত্যু হয়। ১০৫  বছর বয়সে গঙ্গাধর বাবু  বিনা রোগভোগে স্বর্গ লাভ করেন।  অনেকটা ইচ্ছামৃত্যুর মতন।তাঁর ইচ্ছে রাখতেই গ্রামের প্রায় ৫০০ রও বেশি লোক নিয়ে ব্যান্ড পার্টি বাজনা কীর্তন সহ সু সজ্জায় সজ্জিত গঙ্গাধর বিশ্বাসের মরদেহ কাঁধে তুলে নিয়ে শ্মশান ঘটে গেলেন।আর মনোবল বাড়ানোর সুযোগ হাতছাড়া করেননি অনেকেই।


 গঙ্গাধর বাবু আজ মৃত্যু ঘটেছে। মৃত্যু যে থেমে থাকেনা সেটা সবাই জানি কিন্তু সুস্থ ও সতেজ থেকে ১০০ বছর অবধি বেঁচে থাকা যায় নীরোগ হিসাবে সেটা দেখিয়ে গেলেন গঙ্গাধর বিশ্বাস। তাই আনন্দ করতে করতে সবাই নিয়ে গেলেন তার সতকার করতে শশ্মান ঘাটে।

কোন মন্তব্য নেই

Thankyou To Comment us

Blogger দ্বারা পরিচালিত.