মৎস্য দপ্তরে চাকরি করে দেওয়ার নামে টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ - The News Lion

মৎস্য দপ্তরে চাকরি করে দেওয়ার নামে টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ



দি নিউজ লায়নঃ    মৎস্য দপ্তরে চাকরি করে দেওয়ার নামে টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ ওঠে প্রতারকের বিরুদ্ধে। পুলিশে জানিয়ে লাভ না হওয়ায় শেষমেশ আদালতে মামলা করেন প্রতারিত যুবক। আদালতে খণ্ডঘোষ থানার পদুয়ার যুবক শেখ ফিরোজ জানিয়েছেন, তিনি বেশ কিছুদিন ধরে সরকারি চাকরির পরীক্ষার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। ২০১৬ সালে তাঁর সঙ্গে খণ্ডঘোষ থানারই সালুন গ্রামের এক ব্যক্তির পরিচয় হয়। সে তাঁকে রাজ্য সরকারের মৎস্য দপ্তরে চাকরি করে দেওয়ার কথা বলে। তার ভাগ্নের সঙ্গে সরকারি অফিসারদের যোগাযোগ রয়েছে বলে জানায় সে।


 চাকরির জন্য তাঁকে ৭ লক্ষ ৫৮ হাজার টাকা দিতে বলা হয়। সরকারি চাকরি পাওয়ার আশায় পৈতৃক সম্পত্তি বিক্রি করে সেই টাকা তিনি দেন। এরপর তাঁর কাছ থেকে শিক্ষাগত যোগ্যতার শংসাপত্র ও অন্যান্য নথিপত্র চাওয়া হয়। তিনি তা জমা দেন। টাকা দেওয়ার কারণে তাঁকে চাকরির পরীক্ষায় বসতে হবেনা বলে জানানো হয়। কিছুদিন পর তাঁর কাছে মৎস্য দপ্তরের ফিল্ড এক্সিকিউটিভ পদের একটি নিয়োগপত্র ডাকযোগে পাঠানো হয়। খোঁজখবর নিয়ে তিনি জানতে পারেন, নিয়োগপত্রটি জাল। এরপরই তিনি প্রতারকের সঙ্গে যোগাযোগ করেন।


 ফের তাঁকে মৎস্য দপ্তরের একটি চিঠি দেওয়া হয়। সেটিও জাল বলে খোঁজখবর নিয়ে জানতে পারেন তিনি। এরপর তিনি টাকা ফেরত চান। বেশ কয়েকবার তাগাদার পর তাঁকে দু’দফায় ১ লক্ষ ৪০ হাজার টাকা ফেরত দেওয়া হয়। তারপর থেকেই প্রতারকরা তাঁকে এড়িয়ে চলে। কিছুদিন আগে তিনি বাকি টাকা চাইতে প্রতারকের বাড়িতে যান। তাঁকে টাকা ফেরত দেওয়া হবেনা বলে সাফ জানিয়ে দেওয়া হয়। এরপর তিনি টাকা ফেরত পেতে আইনজীবীর নোটিশ পাঠান। যদিও নোটিশকে বিন্দুমাত্র আমল দেয়নি প্রতারকরা। 


যুবকের আইনজীবী বিধান চন্দ্র সামন্ত বলেন, থানা ব্যবস্থা না নেওয়ায় বিষয়টি এসপিকে জানানো হয়। তারপরও পুলিস সক্রিয় হয়নি। বাধ্য হয়ে বর্ধমান আদালতে মামলা করা হয়েছে। আদালত কেস রুজু করে তদন্তের জন্য খণ্ডঘোষ থানার ওসিকে নির্দেশ দিয়েছে। পুলিস জানিয়েছে, আদালত নির্দেশ দিলে তা খতিয়ে দেখে আইনমাফিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

কোন মন্তব্য নেই

Thankyou To Comment us

Blogger দ্বারা পরিচালিত.