ফারাক্কা ব্রিজের ৩৪ নম্বর জাতীয় সড়কের ধারে বোমাতঙ্ক
দি নিউজ লায়নঃ ফারাক্কা ব্রিজ থেকে সামান্য দূরে ৩৪ নম্বর জাতীয় সড়কের ধারে বোমা আতঙ্কে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়ালো। সোমবার দুপুরে বিষয়টি জানাজানি হতেই তদন্তে আসে বৈষ্ণবনগর থানার পুলিশ। পরে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় বোমা নিষ্ক্রিয়কারী কর্তারা। ইলেকট্রিক তার, কিছু বৈদ্যুতিক যন্ত্র , রাসায়নিক পদার্থ দিয়েই দড়ির মধ্যে প্যাচানো ছিল একটি বস্তু। যা নিয়ে বোমাতঙ্ক তৈরি হয় বলে পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে। পরে অবশ্য বোমা নিষ্ক্রিয় বাহিনীর কর্তারা সেটিকে নষ্ট করে। প্রাথমিক তদন্তে পুলিশের একটি সূত্র থেকে জানা গিয়েছে , আইডি জাতীয় বোমা তৈরীর কিছু সামগ্রী উদ্ধার হয়েছে।
বিষয়টি নিয়ে তদন্ত শুরু করা হয়েছে। তবে এব্যাপারে মালদার পুলিশ সুপার অলোক রাজোরিয়া কোনো মন্তব্য করেন নি। বৈষ্ণবনগর থানা পিটিএস মোড় এলাকায় ৩৪ নম্বর জাতীয় সড়কের ধারে পরিতক্ত একটি প্লাস্টিকের বালতির মধ্যে একটি ব্যাগকে ঘিরেই বোমাতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। বিষয়টি কিছু সাধারণ মানুষের নজরে আসতেই এলাকায় শোরগোল পড়ে যায়। খবর পেয়ে তদন্তে আসে বৈষ্ণবনগর থানার পুলিশ। পরে ওই এলাকায় বোম স্কয়াডের কর্তারা পৌঁছায়। দীর্ঘ পরীক্ষার পর সেই বোমাটি নিষ্ক্রিয় করা হয় বলে পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে। উল্লেখ্য , পিটিএস মোড় থেকে মাত্র ১৫ মিনিটের ব্যবধানে রয়েছে ফারাক্কা ব্যারেজ।
চার লেনের ৩৪ নম্বর জাতীয় সড়ক উত্তরবঙ্গ সহ উত্তর পূর্ব ভারতের যোগাযোগের অন্যতম মাধ্যম এই ফারাক্কা ব্রিজ। আর সেখান থেকেই সামান্য দূরে বোমা আতঙ্কে ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে। পুলিশের একটি সূত্র থেকে জানা গিয়েছে, প্লাস্টিকের পরিতক্ত একটি বালতিতে ছেঁড়া ব্যাগের মধ্যে কয়েকটি তার, ব্যাটারি এবং কিছু বৈদ্যুতিক যন্ত্র বেরিয়েছিল। যা দেখে ওই এলাকার চা খেতে আসা কিছু মানুষের সন্দেহ হয়। এরপরই শোরগোল পড়ে যায়। ধীরে ধীরে মানুষের ভিড় ৩৪ নম্বর জাতীয় সড়কের ধারে জমা হতে শুরু করে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে আসে পুলিশ। লাল ফিতে দিয়ে এবং পুলিশি ব্যারিকেড ঘিরে দেওয়া হয় গোটা এলাকা। জাতীয় সড়কের পাশে হলেও সাময়িক সময়ের জন্য যানবাহন চলাচলে বিঘ্ন ঘটে।
এরপরই বোর্ডের কর্তারা ঘটনাস্থলে আসেন। পরিতক্ত ওই প্লাস্টিকের বালতিতে থাকা সমস্ত সামগ্রীগুলো পরীক্ষা করার পর নিষ্ক্রিয় করা হয় ।যদিও এ ব্যাপারে জেলা পুলিশের পদস্থ কর্তাদের কোন প্রতিক্রিয়া না পাওয়া গেলেও তদন্তকারী বোমা নিস্ক্রিয় বাহিনীর এক কর্তা জানিয়েছেন, কিছু সামগ্রী উদ্ধার হয়েছে। বোমা তৈরীর ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয়ে থাকে। তবে এখানে কে বা কারা এটি জমা করে মজুত করেছিল , তা অবশ্য তদন্ত করে দেখছে সংশ্লিষ্ট থানার পুলিশ।

Post a Comment