চরম অমানবিক! গুনিন এর কথা শুনে নব গৃহবধু চোর অপবাদে আত্মঘাতী, আটক স্বামীসহ তিন
দি নিজ লায়নঃ সহ্যের সীমানা ছাড়িয়ে গেল। তাই চোর অপবাদের অপমানে লাঞ্ছনায় নিজেকে শেষ করে দিলেন নব গৃহবধু। আর তার আগে পুরো ঘটনার বিবরণ ডাইরিতে লিখে গেলেন সবকিছু। এই ঘটনায় সোমবার ওই গৃহবধূর স্বামীসহ শ্বশুরবাড়ির তিনজনকে পালিয়ে যাওয়ার আগেই গ্রেপ্তার করে করে পুলিশ। মৃতের নাম টিনা হালদার (২২)। মুর্শিদাবাদের ডোমকল মহাকুমা সাহেবরামপুর এলাকায় এ ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়ায়। প্রসঙ্গত, মাস কয়েক আগে একই এলাকার পার্শ্ববর্তী চুয়াপারা গ্রামের বাসিন্দা টিনার সঙ্গে ভালোবাসা করে বিয়ে হয় বিপুল সরকারের এর।
শুরুতে সবকিছু ঠিক থাকলেও দিন কয়েক ধরে পরিবারে ব্যাপক অশান্তি দেখা দেয়। অভিযোগ, সপ্তাহ খানেক আগে টিনা তার শ্বশুর বাড়ির পাশের নিকট আত্মীয়ের বাড়িতে কনে সাজানোর কাজে দায়িত্ব পায়।বিয়ে মিটে গেলে ওই পড়শীর বাড়ির তরফ থেকে সোনার কানের দুল হারিয়ে যাওয়ার জন্য চোর অপবাদ দেওয়া হয় টিনা কে।এমনকি পড়শীদের তালে তাল মিলিয়ে টিনা কে তার শ্বশুরবাড়ির লোকজনও চোর বলে অপবাদ দেয়। বারংবার টিনা বলে সে চুরি করেনি। কিন্তু তারপরেও সে কথা কেউ মানতে চায়নি। তাকে নানাভাবে অপমান ও হেনস্থা করা হয় প্রতিমুহূর্তে।
এখানেই শেষ নয় এক গুণিনের কথা শুনে টিনাকে ওই সোনার দুল চুড়ি জন্য পুরোপুরি দোষী করে দুল যেনতেন প্রকারে ফেরত দেয়ার জন্য শুরু হয় লাগাতার অত্যাচার বলে অভিযোগ।টিনা হালদারের দাদা পাপ্পু হালদার বলেন, এক গুণিনের কথা শুনে আমার বোনকে প্রথমে চোর সাব্যস্ত করা হয়,তারপরে প্রতিনিয়ত তার ওপর শারীরিক ও মানসিক অকথ্য অত্যাচার চালানো হতো।এই অত্যাচার সহ্য করতে না পেরেই ও এই আত্মহত্যা করতে বাধ্য হয়। সমস্ত কথাই সুইসাইডনোটে লিখে গিয়েছে সে"।

Post a Comment