কাজের চাপ সামলে ঘাড়, পিঠ বা কোমড়ের ব্যথা থেকে মুক্তি পাওয়ার কয়েকটি সহজ উপায় - The News Lion

কাজের চাপ সামলে ঘাড়, পিঠ বা কোমড়ের ব্যথা থেকে মুক্তি পাওয়ার কয়েকটি সহজ উপায়

 


দি নিউজ লায়নঃ      আজকাল অফিস কাচারিতে বেশির ভাগই বসে বসে কাজ করতে হয়। আর এই একটানা বসে কাজ করতে করতে অনেকেরই ঘাড়, পিঠ, কোমড়ে ব্যথা বাড়তে থাকে। তবে ঘাড়, পিঠ বা কোমড়ের ব্যথা থেকে মুক্তি পেতে আমাদের জীবনযাত্রায় কতগুলি পরিবর্তন আনা যেতেই পারে।  যেমন- 


১) যদি একটানা ঘণ্টার পর ঘণ্টা অফিসে বসে কাজ করতে হয়, সে ক্ষেত্রে প্রতি ১ ঘণ্টা পর পর অন্তত ২-৩ মিনিটের জন্য ‘ব্রেক’ নিয়ে একটু হেঁটে আসার চেষ্টা করুন। চিকিৎসকরা জানাচ্ছেন, ২ ঘণ্টা একটানা বসে থাকলে শরীরের ফ্যাট ঝরানোর ক্ষেত্রে কার্যকরী উৎসেচকের ক্ষরণ প্রায় ৯০ শতাংশ পর্যন্ত কমে যায়। একটানা ৪ ঘণ্টা বসে থাকলে, কমে যায় রক্তে ইনসুলিনের মাত্রাও। তাই বিশেষজ্ঞদের মতে, ঘণ্টার পর ঘণ্টা একটানা বসে থাকলে শুধু ঘাড়, পিঠ বা কোমড়েই ব্যথা বাড়বে না, বাড়বে ডায়াবেটিস বা হার্টের নানা সমস্যাও।  


২) কাজে বেরনোর আগে বা বেড়াতে যাওয়ার সময় আমরা অনেকেই পিঠে ভারী ব্যাকপ্যাক নিয়ে থাকি। অতিরিক্ত ওজনের ব্যাগ একটানা অনেক ক্ষণ ধরে বইতে হলে দু’ কাঁধে যদি সমান ভার না পড়ে সে ক্ষেত্রে কাঁধে বা পিঠে ব্যথা হতে পারে। বেকায়দায় চোট লেগে যেতে পারে। তাই ব্যাকপ্যাক এমন ভাবেই নিতে হবে যাতে দু’কাঁধেই সমান ভাবে ব্যাগের ওজন ভাগ হয়ে যায়।

৩) আমরা অনেকেই অধিকাংশ ক্ষেত্রে ভুল ভঙ্গিমায় দাঁড়াই বা বসি। এর ফলে ঘাড়ে বা পিঠে বেকায়দায় দীর্ঘক্ষণ চাপ পড়তে থাকে এবং ব্যথা হয়। তাই দাঁড়ানো, বসা বা শোওয়ার সময় সঠিক ভঙ্গি সতর্ক ভাবে বজায় রাখা জরুরি। প্রয়োজনে বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।   


৪) শোওয়ার সময় বালিশের উচ্চতা খেয়াল রাখা জরুরি। বালিশের উচ্চতা সঠিক না হলে, বালিশ খুব নরম বা খুব শক্ত হলে ঘাড়ে, পিঠে ব্যথা হতে পারে। খেয়াল রাখবেন, বালিশের উচ্চতা এমন হওয়া উচিত, যাতে ঘাড় আর কাঁধ না বেঁকিয়ে পিঠ মোটামুটি সমান্তরাল বা সোজা রেখে শোওয়া যায়।   

 ৫)  স্টিফ জয়েন্ট বা ফ্রোজেন শোল্ডারের সমস্যায় ব্যাক ব্রেস বা সার্ভিক্যাল কলার পরলে সাময়িক আরাম পাওয়া যায় ঠিকই, তবে এই অভ্যাসও দীর্ঘ মেয়াদী হলেই বাড়বে বিপদ! কারণ, চিকিৎসকদের মতে, তেমন কোনও চোট, আঘাত না থাকলে ব্যাক ব্রেস বা সার্ভিক্যাল কলারের উপর নির্ভরশীল না হওয়াই ভাল। এর থেকে ফিজিওথেরাপিস্টদের পরামর্শ অনুযায়ী নির্দিষ্ট নিয়মে কসরত করাই ভাল। 


কোন মন্তব্য নেই

Thankyou To Comment us

Blogger দ্বারা পরিচালিত.