তন্দুরি চায়ে বাজিমাত - The News Lion

তন্দুরি চায়ে বাজিমাত



দি নিউজ লায়ন ;  করোনা সংক্রমণ আমাদের অনেক কিছু দেখালো। যেমন অনেকে স্বনির্ভর হলেন অনেকে নতুন ব্যাবসার দিশা দেখালেন যেন   সিনেমার চিত্রনাট্য লেখার মতো  ঘটনা।  তিন বন্ধু লক ডাউনে বাড়িতে এসে আর না গিয়ে ভিন রাজ্যের চায়ের স্বাদ স্বভূমিতে ফিরিয়ে নিয়ে আসার প্রচেষ্টা।নদীয়ার শান্তিপুরের বাসিন্দা প্রীতম দাস, প্রণব দাস, দ্বীপ দত্ত খুলে ফেললেন এমন একটি ব্যাবসা যাতে সারা পড়েছে।


 তন্দুরি চিকেন ,তন্দুরি নানা উপকরণ শুনলেও অনেকে স্বাদ পেলেও নদীয়াবাসী এই প্রথম ভিমরি খেয়েছেন কিন্তূ তন্দুরি চা তা একেবারেই প্রথম।  পড়াশোনা করে কাজের খোঁজে হায়দ্রাবাদে পৌঁছে  হন্য হয়ে ঘুরে বেরিয়ে, অবশেষে জোটে চায়ের দোকান কাজ। তবে যে সে চায়ের দোকান নয়। প্রথমেই সাত হাজার টাকা বেতন, এক বছরের মধ্যে বেড়ে তা ১২ হাজারে পৌঁছেছে।  প


পরিবারের টানে লকডাউন ঘোষণার আগেই সে ফিরে এসেছিলো বাড়িতে। সেই থেকে পরিবারের সাথে দীর্ঘদিন থেকে লকডাউন শিথিল হলেও আর যেতে মন চায়নি।পরিবারে আবেগের বন্ধনে  তাই মালিকের ডাকে সাড়া দিয়ে তারা যেতে পারেননি। অগত্যা তিন বন্ধুকে নিয়ে নদিয়ার শান্তিপুর হাসপাতালের কিছুটা দূরে খুলে ফেলেছেন, অভিনব চায়ের দোকান। হায়দ্রাবাদ, উত্তর প্রদেশ, মহারাষ্ট্র গুজরাটে বিভিন্ন ধাবায় দেখা গেলেও তন্দুরি চায়ের প্রচলন রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে ছড়িয়ে ছিটিয়ে দু-একটি থাকলেও, নদিয়ায় বিরল। 


তাই রীতিমতন মাইক প্রচার করে শুভ উদ্বোধন হয়েছে দোকানের। তবে চায়ের দোকানের আড্ডার ঠেক হবেনা।  শান্তিপুর স্টেট জেনারেল হাসপাতাল কাছাকাছি থাকায়। হাসপাতালে যাওয়ার মূল রাস্তার উপরে অবস্থিত এর দোকান।  তিন বন্ধুরা জানেন মধ্যে  কাঁচা পয়সার অভাব নেই শান্তিপুরে ।শখ পুরনেও জুড়ি মেলা ভার এখানকার মানুষদের। তবে সাহস করে  কেউ, করেনি কোনোদিনএমন পরিকল্পনা। তাই হয়তো তিন জনে যেটুকু বুঝেছেন, তাতে বেশ আশাবাদী তারা। 


শুধু চায়েরই যে এত রকমফের আছে, তা না জানলেও শীতের ঠান্ডা পরিবেশে স্বাদ গ্রহণ করতে  অনেকেই চলে আসছেন ।দামও হাতের নাগালের মধ্যে ১০ টাকা থেকে শুরু কুড়ি টাকায় শেষ। এরমধ্যে চকলেট, কেশর, বাদাম, গোলমরিচ, ভ্যানিলা, ম্যাংগো, পাইনাপেল, রাবড়ি আরো কত ধরণের চা।  যদি অভ্যাসগত কারণে, চায়ের দাম চুকাতে পকেট থেকে খুচরো পয়সা ওঠে। তা হলেও  মিলবে "মনের মিল চা। বাচ্চা এবং মহিলাদের জন্যও রয়েছে উপযোগী চা। স্বাস্থ্য সচেতনতার খুঁতখুঁতে ব্যক্তির জন্য রয়েছে ইমুনিটি চা। 


মাটির বিভিন্ন আকৃতি, ডিজাইনের ভাঁড়ে  চায়ে চুমুক দিয়ে গৃহবধূরাও জানান পয়সা দিলেও মিলত না মনপসন্দ চা, তাই সাধার পুরুষ থেকে মহিলারাও  ভিড় করছেন।তিন বন্ধুর কাছে জানা গেল দুপুর তিনটে নাগাদ তন্দুরি আগুন দিতে হয় কয়লায়, চলে রাত দশটা পর্যন্ত, নিয়মিত লাগাতার ক্রেতা থাকলে তবেই খরচে পোষাবে। তবে লাভ পরে দেখা যাবে, নতুন কিছু করার সাহস না দেখালে, নতুন আসবে কিভাবে?তবে ভিড়ের মাঝথেকে মজা করে " চা কি আমরা খাব না " কিংবা "চা কি আমরা পাবোনা? "  তাই বেশ জমে গিয়েছে তন্দুরি চা।

কোন মন্তব্য নেই

Thankyou To Comment us

Blogger দ্বারা পরিচালিত.