ঝাড়্গ্রাম ও পশ্চিম মেদিনীপুর জেলায় হাতির তাণ্ডব, ফসলের ব্যাপক ক্ষতি - The News Lion

ঝাড়্গ্রাম ও পশ্চিম মেদিনীপুর জেলায় হাতির তাণ্ডব, ফসলের ব্যাপক ক্ষতি




দি নিউজ লায়ন ; দাঁতাল হাতির তাণ্ডবে ব্যাপক ফসলের ক্ষতির আশঙ্কা ঝাড়্গ্রাম ও পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার বিভিন্ন এলাকায়। যার ফলে হাতির হামলার আশঙ্কায় আতংকের মধ্যে রয়েছেন এলাকার বাসিন্দারা। বুধবার সকালে দুটি দাঁতাল হাতি ঝাড়গ্রাম জেলার ঝাড়্গ্রাম থানার বাঁশতলা এলাকায় লোকালয়ে ঢুকে পড়ে ।ওই দুটি হাতি লোকালয়ে ঢুকে তাণ্ডব শুরু করে। যার ফলে গ্রামবাসীরা আতঙ্কিত হয়ে পড়েন। 


গ্রামবাসীরা একজোট হয়ে ওই দুটি হাতিকে স্থানীয় মাঠের দিকে তাড়ায়। হাতি দুটি ওই এলাকা ছেড়ে কিছুতেই যেতে চাইছে না। গ্রামবাসীরা বিষয়টি বনদপ্তর কে জানিয়েছে। প্রায় প্রতিদিন হাতি গ্রামে ঢুকে পড়ায় এলাকার বাসিন্দারা হাতির হামলার আশঙ্কা করছেন ।ওই এলাকার সবজি চাষ ও ধান চাষের ব্যাপক ক্ষতি করেছে হাতি। বনদফতর কে বিষয়টি জানালেও হাতিগুলিকে অন্যত্র নিয়ে যাওয়ার জন্য কোন ব্যবস্থা করেনি। 


তাই বনদফতরের ওপর ক্ষুব্ধ এলাকার বাসিন্দারা। অপরদিকে বুধবার ভোরে পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার শালবনি ব্লকের ভাদুতলা সংলগ্ন  ধান্যসোল এলাকায় প্রায় চল্লিশটি হাতিআচমকা ঢুকে পড়ে ।হাতির গর্জনে ভোর রাতে ঘুম ভেঙে যায় গ্রামবাসীদের। যার ফলে রীতিমতো আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে ধান্যসোল গ্রামজুড়ে। গ্রামবাসীরা বিষয়টি বনদপ্তর কে জানিয়েছে। বুধবার ভোরে ওই এলাকায় প্রায় ৫০ বিঘা জমির পাকা ধান নষ্ট করে দিয়েছে হাতির দল। 


এছাড়া কিছু সবজি চাষের জমিতে গিয়ে হাতিরদল সবজি চাষ নষ্ট করে দিয়েছে। যেভাবে হাতির দল এলাকায় দাপিয়ে বেড়াচ্ছে তাতে বড় ধরনের দুর্ঘটনার আশঙ্কা করছেন গ্রামবাসীরা। একদিকে ঠান্ডা অপরদিকে কুয়াশা। তার মাঝেই গ্রামে ঢুকে পড়েছে হাতির দল। ঘন কুয়াশা থাকায় গ্রামবাসীরা কোথায় হাতির দল কিভাবে তাণ্ডব চালাচ্ছে তা বুঝে উঠতে পারেনি। ঠিক সূর্যের আলো ফোটার সঙ্গে সঙ্গে হাতির দল গ্রামবাসীদের দিকে তেড়ে যায়। যার ফলে গ্রামবাসীরা কার্যত গৃহবন্দি হয়ে পড়ে। বন দফতর এর পক্ষ থেকে গ্রামবাসীদের সতর্ক থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। 


সেই সঙ্গে যাদের ফসল হাতি ক্ষতি করেছে সেই সব চাষীদের ফসলের ক্ষতিপূরণ দেওয়ার কথা ঘোষণা করেছে বন দপ্তর।বন দফতরের পক্ষ থেকে জানানো হয় যে হাতির দলের গতিবিধির ওপর নজর রাখা হয়েছে। তাই ওই এলাকার বাসিন্দাদের সতর্ক থাকার  নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তবে বনদপ্তর এর ভূমিকায় ক্ষুব্ধ এলাকার বাসিন্দারা। গ্রামবাসীদের অভিযোগবন দফতর কে জানানোর পরও হাতি নিয়েকোনো হেলদোল নেই। 


হাতি তাড়ানোর জন্য হুলা পাটির সদস্যদের দেখা পাওয়া যায়নি ।তাই বন দফতরের পাশাপাশি হুলা পার্টির সদস্যদের ওপর ক্ষুব্ধ এলাকার বাসিন্দারা। যার ফলে বড় ধরনের  হাতির হামলার আশঙ্কায় আতঙ্কের মধ্যে রয়েছেন ওই এলাকার গ্রামবাসীরা।

কোন মন্তব্য নেই

Thankyou To Comment us

Blogger দ্বারা পরিচালিত.