মেদিনীপুরে জনতার ভিড়ে মিশে গেলেন মুখ্যমন্ত্রী, নিজের হাতে দিলেন স্বাস্থ্যসাথী কার্ড
দি নিউজ লায়ন ; মঙ্গলবার এমন ঘটনা ঘটল পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার জেলাশাসকের অফিস চত্বরে। এদিন ছিল দুয়ারে সরকারের বিশেষ শিবির। সেই শিবিরে অংশ নিতে এসেছিলেন বহু মানুষ। কেউ আশা করেননি যে মুখ্যমন্ত্রী নিজে হাজির হবেন। হাজির হলেও মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলতে পারবেন। কিন্তু এদিন সেটাই ঘটল। যা পেয়ে আপ্লুত সাধারণ মানুষ।
মাত্র ১০ মিনিটের জন্য এসেছিলেন তিনি। শিবিরে উপযুক্ত ব্যবস্থা রয়েছেকিনা খতিয়ে দেখেন। দশ বছরের জেনিফা হোসেনকে নিজের হাতে তুলে দেন জাতিগত শংসাপত্র। মুখ্যমন্ত্রীর জন্য এখানে কোনও মঞ্চ ছিল না। শুধুমাত্র কাউন্টার ছিল। সেখানে গিয়ে দাঁড়িয়ে পড়েন মুখ্যমন্ত্রী। জেলাশাসক রশ্মি কোমল, অতিরিক্ত জেলা শাসক (সাধারণ) সুদীপ সরকার উপভোক্তাদের কাউন্টারে ডাকেন। জেনিফার বাবা রফিজুল হোসেন জানিয়েছেন, দুয়ারের সরকার কর্মসূচি শুরু হওয়ার পরে আবেদন করেছিলাম। মুখ্যমন্ত্রীর হাত থেকে জাতিগত শংসাপত্র পেয়েছে মেয়ে। যা ভাবতেও পারিনি। সবদিন মনে রাখব।
প্রৌড়া সাবেরা বিবি মুখ্যমন্ত্রীর হাত থেকে স্বাস্থ্য সাথী প্রকল্পের কার্ড পেয়েছেন। মেদিনীপুর শহরের শেখপুরার বাসিন্দা সাবেরা বিবি জানান, মুখ্যমন্ত্রী নিজে হাতে কার্ড দেবেন ভাবতেও পারিনি। খুব ভালো লাগছে। আনন্দ হচ্ছে। এভাবে মাত্র দশ মিনিটেই জনতার মধ্যে মিশে সকলের মন জয় করলেন মুখ্যমন্ত্রী। মেদিনীপুর সার্কিট হাউস থেকে মঙ্গলবার রানীগঞ্জ যাওয়ার পথে সোজা ঢুকে পড়েন মেদিনীপুর শহরে থাকা পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার জেলাশাসকের কার্যালয়ে। যেখানে দুয়ারে সরকার কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছিল। নিজে হাতে সবকিছুই দুয়ারে সরকার কর্মসূচির পরিস্থিতি খতিয়ে দেখেন।
মুখ্যমন্ত্রী জনতার ভিড়ে মিশে যায়। সরাসরি মুখ্যমন্ত্রীর সাথে কথা বলেন অনুষ্ঠানে উপস্থিত সাধারণ মানুষ। যার ফলে ওই অনুষ্ঠানে উপস্থিত সকলেই খুব খুশি। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সহ উপস্থিত ছিলেন পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার জেলাশাসক রেশমি কোমল, জেলা পরিষদের সভাধিপতি উত্তরা সিংহ হাজরা ও সহ-সভাধিপতি অজিত মাইতি সহ জেলা প্রশাসনের আধিকারিকরা। ওই অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে মেদিনীপুর পুলিশ লাইনে গিয়ে হেলিকপ্টারে তিনি রানীগঞ্জ যান।সেখানে মঙ্গলবার বিকালে সেখানে মুখ্যমন্ত্রীর সভা রয়েছে।

Post a Comment