উলুবেড়িয়া নাট্যপ্রেমীদের আশা পূরণ হলনা
সমাধানে এসে ভালো লাগলো। দর্শক ছিলো খুব ভালো। উৎসুক রস পিপাসু। এমন দর্শকই থিয়েটার সমস্যার সমাধান। বছর ছয়েক আগে সমাধানঃ সাংস্কৃতিক সংস্থার উদ্যোগে আয়োজিত উলুবেরিয়া রবীন্দ্রভবনে ছাড়িগঙ্গা নাটকে অভিনয় করতে এসে এই অভিজ্ঞতা নিয়ে গিয়েছিলেন সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়। এমনকি উলুবেড়িয়ার নাট্যপ্রেমীদের কথা দিয়েছিলেন সুযোগ পেলে আবার রবীন্দ্র ভবনে আসবেন। যদিও সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়ের সেই কথা রাখা হলো না। তিনি পাড়ি দিলেন না ফেরার দেশে। উলুবেড়িয়ার নাট্য প্রেমীদের আশা অপূর্ন থেকে গেল।
২০১৫ সালের ১ ফেব্রুয়ারি উলুবেরিয়া রবীন্দ্রভবনে নাটক করতে এসেছিলেন সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায় দ্বিজেন বন্দ্যোপাধ্যায় ও পৌলোমী বসু।সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়ের নাটক দেখার জন্য সন্ধ্যা থেকেই রবীন্দ্রভবন প্রেক্ষাগৃহ কানায় কানায় পরিপূর্ণ হয়েছিল। নাটকের শুরু থেকে শেষ রবীন্দ্রভবনে দর্শকদের উৎসাহ দেখে আপ্লুত হয়েছিলেন সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়। নাটকের শেষে নিজের হাতে ধরে রাখতে না পেরে তার অভিজ্ঞতার কথা খাতায় লিখে গিয়েছিলেন স্বনামধন্য এই শিল্পী।রবীন্দ্র ভবন থেকে কলকাতার উদ্দেশ্যে যাওয়ার আগে আয়োজক সংস্থা কে কথা দিয়েছিলেন সুযোগ পেলে তিনি আবার রবীন্দ্রভবনে আসবেন।
পুরনো দিনের স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে সমাধান সংস্কৃতিক সমর্থক সম্পাদক শংকর অধিকারী জানান রবীন্দ্র ভবনের নাটক করতে এসে রবীন্দ্রনাথ এবং নাটক দেখতে একসাথে মানুষের জড়ো হওয়া দেখে তিনি অভিভূত হয়েছিলেন। কথা দিয়েছিলেন আবার আসবেন। ওনাকে উলুবেড়িয়া বইমেলায় আনার পরিকল্পনা করেছিল আমরা। যদিও আমাদের আশা অপূর্ন থেকে গেল।তবে আমাদের একটাই সান্ত্বনা একজন স্বনামধন্য শিল্পীর সান্নিধ্য খুব কাছ থেকে পেয়েছিলাম।

Post a Comment