মানিকচকের বার্জ ডুবির ঘটনায় এখনো নিখোঁজ 3, নদী থেকে ক্রেন দিয়ে তোলা হলো ডুবে যাওয়া লরি - The News Lion

মানিকচকের বার্জ ডুবির ঘটনায় এখনো নিখোঁজ 3, নদী থেকে ক্রেন দিয়ে তোলা হলো ডুবে যাওয়া লরি

 



দি নিউজ লায়ন;       মানিকচকের বার্জ ডুবির ঘটনায় এখনও নিখোঁজ রয়েছেন তিনজন । বাকি যাত্রীদের উদ্ধার করা হয়েছে। উদ্ধারের পর কয়েকজন অসুস্থ হয়ে পড়ায় তাদের প্রাথমিক চিকিৎসা চলেছে মানিকচক গ্রামীণ হাসপাতালে। যারা অসুস্থ হয়ে পড়েছেন তারা  ঝাড়খণ্ডের রাজমহল থানার মহারাজপুর এলাকার বাসিন্দা। মঙ্গলবার সকালে মানিকচক এলাকার গঙ্গা নদীতে তলিয়ে যাওয়া আটটি লরি এবং নিখোঁজ থাকা তিনজন যাত্রীর খোঁজে প্রশাসনের তরফ থেকে নামানো হয়েছে ডুবরী । মে এলাকায় নদীগর্ভে ৮টি লরি তলিয়ে গিয়েছে । সেই জায়গাটি চিহ্নিত করতে পেরেছে এনডিআরএফের কর্তারা।  যদিও অত্যাধুনিক যন্ত্রের মাধ্যমে সেই লরিগুলি নদীগর্ভ থেকে কি করে উদ্ধার করা যায়, তা নিয়ে জোর তৎপরতা শুরু করেছে প্রশাসনের কর্তারা।


 সোমবার রাত সাতটা নাগাদ ঝাড়খণ্ডের রাজমহল এলাকার গঙ্গার ঘাট থেকে বালি ও পাথর বোঝাই করে মোট নয়টি লরি ট্রলার লঞ্চে করে মালদার মানিকচকের আসছিলো। মানিকচক গঙ্গার ঘাটে আসার পরই দুর্ঘটনাটি ঘটে। ওই লঞ্চ  দুর্ঘটনায় পরপরই ৮টি লরি নদী গর্ভে তলিয়ে যায়। সেসময় ওই লরিগুলির মধ্যে চালক, খালাসি যারা ছিলেন, তারা নদীতে পড়ে যান। তিনজন বাদ দিয়ে প্রত্যেকে সাঁতরে নদী পারে ওঠে। বিষয়টি জানার পর ঘটনাস্থলে যান মালদার জেলাশাসক রাজর্ষি মিত্র, পুলিশ সুপার অলোক রাজোরিয়া এবং মালদা জেলা পরিষদের সভাধিপতি গৌড় চন্দ্র মণ্ডল। প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, যাত্রীবাহী এবং পণ্যবাহী দুই ধরনের লঞ্চ মূলত মানিকচকের গঙ্গার ঘাট থেকে ঝাড়খণ্ডের রাজমহলে চলাচল করে থাকে।  যে লঞ্চে এই দুর্ঘটনাটি ঘটেছিল সেটি ছিল পণ্যবাহী লঞ্চ। কাজেই সেখানে যাত্রীর সংখ্যা ছিল কম । 


যারা ছিলেন তারা প্রত্যেকে লরি চালক এবং খালাসী। মালদা জেলা পরিষদের সভাধিপতি গৌড় চন্দ্র মণ্ডল জানিয়েছেন, সরকারি নিয়ম মেনেই জেলা পরিষদ থেকে ই-টেন্ডারের মাধ্যমে ফেরিঘাটগুলির বরাত দেওয়া হয়ে থাকে । তবে ওই পণ্যবাহী লঞ্চে কোনরকম ওভারলোডিং ছিল না । নদী পাড়ে এসে বেসামাল হওয়ার পরই এই দুর্ঘটনাটি ঘটেছে। এই ঘটনার পর এনবিআরএফের টিম নিখোঁজদের খোঁজ শুরু করেছে। পাশাপাশি নদীগর্ভে তলিয়ে যাওয়া ৮টি নারীর অবস্থান চিহ্নিত করা হয়েছে। 


সেগুলো উদ্ধারের কাজ চালানো হচ্ছে। তবে বন্যা হওয়ার কারণেই নদীর পাড়ের অবস্থা কিছুটা বেহাল ছিল । কিন্তু সেটি আগেই সংস্কার করে ফেলা হয়েছিল। মালদার পুলিশ সুপার অলোক রাজোরিয়া জানিয়েছেন, মানিকচকের এই দুর্ঘটনার ব্যাপারে তদন্ত শুরু করা হয়েছে । কিভাবে ঘটনাটি ঘটলো তার পূর্ণাঙ্গভাবে খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ফেরিঘাটের রক্ষণাবেক্ষণের  দায়িত্বে যারা রয়েছেন, তাদেরকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।

কোন মন্তব্য নেই

Thankyou To Comment us

Blogger দ্বারা পরিচালিত.