দীর্ঘ দিন ট্রেন চলাচল বন্ধ, অসহায় কুম্ভকাররা
দি নিউজ লায়ন ; দক্ষিণ ২৪ পরগনার ক্যানিং মহকুমা অসহায় কুম্ভকার সম্প্রদায়ভুক্ত মানুষেরা দীর্ঘ দিন ট্রেন চলাচল বন্ধ থাকায়।আর এই সব মৃৎশিল্পীরা আশায় বুক বেঁধে আছে কবে চলবে শিয়ালদহ দক্ষিণ শাখার ক্যানিং শিয়ালদহ আপ ও ডাউন লোকাল ট্রেন।সারা বিশ্ব জুড়ে করোনা ভাইরাস থাবা বসিয়েছে।ভারতবর্ষে দিনের পর দিন করোনা ভাইরাসের আক্রান্তের সংখ্যা বেড়েই চলেছে।
বেড়েছে মৃত্যুরও সংখ্যা।লকডাউনে বহু মানুষ ঘরবন্দি হয়ে পড়েছে।কাজ হারিয়েছে বহু মানুষ।বর্তমানে সুন্দরবনের ক্যানিং মহকুমা প্রায় ১৮ লক্ষ মানুষের বসবাস।আর এই সব গুলির যাতায়াতে একমাত্র ভরসা এই ক্যানিং শিয়ালদহ রেলপথে।অথচ দীর্ঘ দিন ধরে বন্ধ হয়ে আছে এই রেলপথ।ফলে অসহায় কুম্ভকার সম্প্রদায়ভুক্ত থেকে শুরু করে সমস্ত সম্প্রদায় মানুষেররা।ভেঙে পড়ছে সুন্দরবনের ব্যবসা বাণিজ্য।
ক্যানিং মাতলা নদীর পাড়ে কালেরক্রমে গড়ে উঠেছে সুন্দরবনের প্রবেশদ্বার তথা ভারতের প্রচীন ক্যানিং শহর।সড়কপথ,জলপথ,রেলপথ কেন্দ্র ভিত্তিক এই ক্যানিং শহর।সুন্দরবনের পযটক থেকে শুরু করে বিভিন্ন ব্যবসায়ী নির্ভরশীল এই যোগাযোগ পথের উপর।আর তার মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ এই রেলপথ।ফলে দীর্ঘ দিন রেলপথ বন্ধ থাকায় ভেঙে পড়েছে সবকিছু।এখন এই রেলপথের দিকে তাকিয়ে সমস্ত মহল।কবে চলবে ট্রেন।সামনে দীপাবলি।
আশায় বুক বেঁধেছে কুম্ভকাররা।মাটির প্রদীপ,মাটির খুলি সহ মাটির বিভিন্ন জিনিসপত্র তৈরি করতে ব্যস্ত সুন্দরবনের মৃৎশিল্পীরা।কুম্ভকার সুবল পাল বলেন করোনা ভাইরাস মহামারী এবং লকডাউন ও ট্রেন চলাচল বন্ধ থাকায় মাটির তৈরি জিনিসপত্রের চাহিদা কমে গেছে।এমনকি কয়াল দাম অনেকটা বেড়ে গেছে।এছাড়া শীতের মরশুমে সুন্দরবনের পযটকের আনাগোনা সংখ্যা খুবই কম।
কেননা পযটকদের আগমনে মাটির জিনিসপত্র চাহিদা বাড়ে।কিন্তু রেলপথ বন্ধ থাকায় একদিকে পযটকরা আসছে না।আবার আমরা জিনিসপত্র নিয়ে যেতে পারছি না।তাই ট্রেন চলাচল শুরু হলে খুবই ভালো।তিনি আরও বলেন ট্রেন চলাচল শুরু হলে সামজিক দূরত্ব বজায় রাখা,মাক্স পড়া,স্যানিটাইজার করা এবং স্বাস্থ্য বিধি নিয়ম কানুন মেনে চলতে হবে।

Post a Comment