মানিকচকের মথুরাপুর গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায় শুরু হলো বাঁধের রাস্তা সংস্কারের কাজ - The News Lion

মানিকচকের মথুরাপুর গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায় শুরু হলো বাঁধের রাস্তা সংস্কারের কাজ




দি নিউজ লায়ন ;  রাজ্য সরকারের উদ্যোগে মানিকচকের মথুরাপুর গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায় শুরু হলো বাঁধের রাস্তা সংস্কারের কাজ । এনআরইজিএস  প্রকল্পের মাধ্যমে ৩২ লক্ষ টাকা খরচ করেই ওই এলাকার বাঁধের রাস্তায় কাজ শুরু করেছে প্রশাসন।  স্থানীয় পঞ্চায়েতের মাধ্যমে এই কাজ শুরু করা হয়েছে। এই বাঁধের রাস্তা সংস্কার হলেই এলাকার বাসিন্দাদের চলাচলের ক্ষেত্রে সমস্যা অনেকটাই কমে যাবে। 


তবে আপাতত লালমাটির বাঁধের রাস্তায় ইট , মাটির মোরাম দিয়েই এই রাস্তা সংস্কারের কাজ শুরু করা হয়েছে। প্রশাসনের এই উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়েছেন মথুরাপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের বাসিন্দারা। দুই থেকে তিন সপ্তাহের মধ্যে প্রায় ৪ কিলোমিটার রাস্তার কাজ সম্পন্ন করে দেওয়া হবে বলেও সংশ্লিষ্ট পঞ্চায়েত কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে। প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, মথুরাপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের কালিটোলা থেকে শংকরটোলা এলাকার রাস্তার সংস্কারের কাজ শুরু করা হয়েছে। এলাকার পাশেই রয়েছে গঙ্গা নদী। 


এর ফলে নতুন করে ভাঙ্গনের আশঙ্কা থাকবে না বলে জানিয়েছে পঞ্চায়েত কর্তৃপক্ষ। এনআরইজিএস প্রকল্পের মাধ্যমে রাস্তা সংস্কারের কাজ চলছে। ১০০ দিনের প্রকল্পে কাজে যারা অন্তর্ভুক্ত রয়েছেন, সেই সব শ্রমিকদের এই কাজে নিয়োগ করা হয়েছে। এতে করে স্থানীয় শ্রমিকদের উপার্জন দেওয়ার পাশাপাশি যাতায়াতের সমস্যা মিটিয়ে ফেলার উদ্যোগ নিয়েছে পঞ্চায়েত এবং প্রশাসন কর্তৃপক্ষ। 


মথুরাপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান মিলন মন্ডল জানিয়েছেন , ওই এলাকার গ্রামবাসীদের দীর্ঘদিনের দাবি মেনে বাঁধের রাস্তা সংস্কারের কাজ শুরু করা হয়েছে। এই কাজে ৩২ লক্ষ টাকা খরচ করা হচ্ছে। খুব শীঘ্রই এই রাস্তা সংস্কারের কাজ সম্পন্ন হয়ে যাবে। আগামী বর্ষায় যাতায়াতের ক্ষেত্রে মানুষকে আর দুর্ভোগের মুখে পড়তে হবে না। 


মালদা জেলা পরিষদের সভাধিপতি গৌড় চন্দ্র মন্ডল জানিয়েছেন, মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জির উদ্যোগে এর আগেও মানিকচকের ভূতনি ব্রিজ তৈরি হয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের দীর্ঘদিনের দাবি ছিল ওই বাজারের রাস্তা সংস্কারের। 


সেই দাবি মেনেই রাজ্য সরকার রাস্তা সংস্কারের জন্য ওই টাকা বরাদ্দ করেছে। ইতিমধ্যে কাজও শুরু হয়ে গিয়েছে। খুব শীঘ্রই বাঁধের রাস্তা সংস্কার কাজ সম্পন্ন হয়ে যাবে। এর ফলে আগামী বর্ষার মরশুমে সংশ্লিষ্ট এলাকার গ্রামবাসীদের যাতায়াতের ক্ষেত্রে আর সমস্যার মুখে পড়তে হবে না।

কোন মন্তব্য নেই

Thankyou To Comment us

Blogger দ্বারা পরিচালিত.