ফের হাবড়ার জলমগ্ন এলাকা খতিয়ে দেখলেন খাদ্যমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক
দি নিউজ লায়ন ; উত্তর ২৪ পরগনা জেলার হাবরা পুরসভার ৭,৮ এবং ১৫ নম্বর ওয়ার্ডের অধিকাংশ এলাকায় গত চার মাস ধরে জলমগ্ম হয়ে রয়েছে।গত ষষ্ঠীর দিনেই ১৫ নম্বর ওয়ার্ডের লোকনাথ সরনী এলাকায় ঘরের জমা জলে খাট থেকে পড়ে গিয়ে ছয় মাসের কোলের শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যু ঘটেছিল। জমা জলের জেরে এমন মর্মান্তিক ঘটনায় নড়েচড়ে বসে হাবরা পুরসভা,প্রশাসন এবং খোদ হাবরার বিধায়ক তথা রাজ্যের খাদ্যমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক।
মৃতের পরিবারের কাছে সরকারি সাহায্য পৌছে দেওয়াত পাশাপাশি তিন ওয়ার্ডের জলমগ্ন এলাকা দফায় দফায় পরিদর্শন করে স্থায়ী সমাধানের প্রতিশ্রুতিও দিয়েছেন তিনি।মন্ত্রীর পরিদর্শনের পর কে এম ডি এ এবং পুরসভার বাস্তুকাররাও এলাকায় গিয়ে ঘুরে এসেছেন।জলমগ্ন এলাকার জল নিকাশির জন্য ২৩ কোটি টাকার প্রকল্পও হাতে নেওয়া হয়েছে। কলকাতার আদলে হাবরাতেও পাম্প হাইজ তৈরী করে পাইপ লাইনের মাধ্যমা তিন ওয়ার্ডের জমা জল বের করার কাজ শুরু হবে বলেই আশ্বাস দিয়েছিলেন খাদ্যমন্ত্রী।
রবিবার ফের জলমগ্ন এলাকায় গিয়ে পরিস্থিতি আরও একবার খতিয়ে দেখে দ্রুত কাজ শুরু কথা জানালেন জ্যোতিপ্রিয়। হাবরা পুরসভার ৭,৮ এবং ১৫ নম্বর ওয়ার্ড থেকে এখনও পুরোপুরি জল নামে নি।জমা জল বের করার জন্য নিয়মিত ভাবে পুরসভার পাম্প কাজ করছে।তবুও জমা জল নিয়ে নাজেহাল হচ্ছেন এলাকার শ তিনেক পরিবার।
এলাকা থেকে পুরোপুরি জল নিস্কাশন হতে এখনও ৪৮ থেকে ৭২ ঘন্টা সময় লাগবে বলেই জানা গেছে হাবরা পুরসভা সুত্রে। জমা জল সরাতে পাম্পের পাশাপাশি এলাকার নিকাশিনালা গুলি পরিস্কারের কাজ শুরু হয়েছে।রবিবার দুপুরে বিদায়ী কাউন্সিলারদের নিয়ে জলমগ্ন এলাকার সর্বশেষ পরিস্থিতি খতিয়ে দেখেছেন জ্যোতিপ্রিয়।
এদিন হাবরার সামগ্রিক উন্নয়ন সহ এলকার তপশিলি জাতি এবং উপজাতিদের ভাতা, রেজিস্টার কলোনি এলাকার উন্নয়ন এবং জল নিকাশি ব্যাবস্থা নিয়ে পুরসভার বিদায়ী কাউন্সিলার এবং বিশিষ্টদের নিয়ে বৈঠকও করেছেন তিনি।এরপর বিকেলেই হাবরা ১ নম্বর ব্লকের তৃণমূল কর্মীদের নিয়ে কর্মী সম্মেলনেও হাজির ছিলেন জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক।

Post a Comment