দার্জিলিংয়ের তুষার কন্যা তঙগ্লুতে রাজ্য পর্যটন দপ্তরের নয়া ট্যুরিজম হাব
দি নিউজ লায়ন ; দার্জিলিংয়ের তুষার কন্যা তঙগ্লুতে রাজ্য পর্যটন দপ্তরের নয়া ট্যুরিজম হাব। তুষার প্রিয় পর্যটক ও ঝকঝকে কাঞ্চনজঙ্ঘার জন্য আদর্শ ডেস্টিনেসন। পর্যটকদের কথা মাথায় রেখে তিন কোটি টাকার পর্যটন প্রকল্পের নিয়েছে রাজ্য। সব কিছু ঠিকঠাক চললে জানুয়ারিতেই পর্যটকদের জন্য খুলে যেতে পারে এই নতুন ঠিকানা।
তঙগ্লু ট্রেকার্স হাট ট্যুরিস্ট স্পটে এলাকায় ১.৯একর জমির ওপর রাজ্যের নতুন এই প্রকল্পে পর্যটকদের জন্য রয়েছে ইকো কটেজ, ডরমেটরি। দার্জিলিংয়ের উচ্চতর ১০,১৩০ ফুট উচ্চতা বিশিষ্ট এই স্থানে কোনোরকম বিদ্যুৎসংযোগ সম্ভব নয়। তাই হাই-ভোল্টেজ ডিজি রুমে ২টি ৩০কেবি জেনারেটর দিয়ে প্রকল্পে বিদ্যুতের ব্যবস্থা করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। জানা যাচ্ছে প্রথম পর্যায়ে তিনটি ইকো কটেজ পর্যটকদের জন্য খোলা থাকছে। রয়েছে একটি ভিআইপি ডবল ইকো কটেজও। তবে এখনই ডবল ইকো কটেজটি পর্যটকদের জন্য খোলা হচ্ছে না।
একটি কটেজ রিজার্ভ থাকছে বলে জানান তঙগ্লু ট্যুরিজম হাবের প্রকল্পের এসিস্টেন্ট ইঞ্জিনিয়ার শ্বেতা রাই। তিনি বলেন প্রথম পর্যায়ের কাজ চলছে। মাঝে কোভিড পরিস্থিতির জন্য শিলিগুড়ি থেকে প্রকল্পের কাজে নিযুক্ত কারিগর ও আসা সামগ্রী আটকে পড়ায় কাজের সময় কিছুটা বেশী লাগছে। তবে সব ঠিকভাবে চললে আগামী বছর জানুয়ারিতেই পর্যটকদের জন্য প্রকল্পের দাঁড় খুলে দেওয়া সম্ভব হবে।
সেপ্টেম্বর থেকে পর্যটকদের ঢল নামে পাহাড়ে। আর দার্জিলিংয়ের তুষারপাতের প্রথম সাক্ষী হয় একমাত্র এই তঙগ্লু পাহাড়ের কোল। পর্যটন দপ্তরের ডেপুটি ডিরেক্টর জ্যোতি ঘোষ জানান প্রকল্পের ইকো কটেজের কাজ প্রায় শেষের পথে। থাকছে পুরুষ ও মহিলাদের জন্য পৃথক ডরমেটরি। প্রকল্পের প্ৰথম পর্যায়ের কাজের জন্য তিন কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে পর্যটন দপ্তরের তরফে। ল্যান্ডস্কেপ ও কাঞ্চনজঙ্গা দর্শনের আদর্শ পীঠস্থান এটি।
তঙগ্লু আসা পর্যটকের কাছে প্রকল্পের দাঁড় উদঘাটনের আগে থেকেই ভালো সারা মিলছে। এখানে হল্ট করে সান্দাকফু যেতে পারেন পর্যটকেরা।" পর্যটন মন্ত্রী গৌতম দেবেরও দার্জিলিং চেরিং হয়ে এই পথেই সান্ডাকফু যাওয়ার কথা রয়েছে। পর্যটন দপ্তর সূত্রের খবর যাওয়ার পথে প্রকল্পের কাজ দেখে নিতে পারেন তিনি।

Post a Comment