আগ্নেয়াস্ত্র সহ গ্রেফতার হুগলি কুখ্যাত ৩ জন দুষ্কৃতী
দি নিউজ লায়ন ; সোমবার গভীর রাতে বারুইপুর জেলা পুলিশের টিম অভিযান চালিয়ে হুগলি বৈদ্যবাটি মার্ডার কান্ডে পলাতক বিশাল দাস সহ দুই সাগরেদ রথিন সিংহ,বিপ্লব বিশ্বাস আপাতত পুলিশ হেফাজতে।ধৃতদের কাছ থেকে পুলিশ ২ টি আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করে।ধৃতদের পুলিশি জিজ্ঞাসাবাদে চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে আসে গত ১১ অক্টোবর হুগলির চিনাসুরের বিষ্ণু মালকে অপহরণ করার পর এক ভয়াবহ হত্যা করার পর তারা হুগলি থেকে পালিয়ে এসে ছিল দক্ষিণ ২৪ পরগনার জীবনতলা থানার কুড়েভাঙ্গা গ্রামের বাসিন্দা কুতুবউদ্দিন সেখের বাড়িতে।
বিষ্ণু মালের দেহের অংশ কাটা অংশ পরে বৈদ্যবাটি খাল থেকে উদ্ধার হয়ে ছিল।এদিকে ধৃতদের কাছ থেকে আরও চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে আসে পুলিশের জেরায় বিশাল দাস,বিপ্লব বিশ্বাস এট আল হুগলির টোটন গ্রুপের অ্যান্টি গ্যাং।তবে পুলিশ এই দুষ্কৃতীদের গ্রেফতারের বিষয়ে চন্দননগর পুলিশ কমিশনারেটকে অবাহিত করে।স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে জীবনতলার কুড়েভাঙ্গা গ্রামের বাসিন্দাকুতুবুদ্দিন শেখের বাড়িতে আশ্রয় নিয়ে ছিল হুগলি কুখ্যাত দুষ্কৃতী বিপ্লব বিশ্বাস রথিন সিংহ বিশাল দাস।সোমবার অপরিচিত এদের দেখে এলাকাবাসীর সন্দেহ হয়।
তারা সেই বাড়িতে গিয়ে উপস্থিত হলে দুষ্কৃতীরা গা ঢাকা দেয় আগে থেকে খবর পেয়ে।দুষ্কৃতীরা মাছের ভেড়ির আলাঘরে গা ঢাকা দিয়ে ছিল।আর এই খবর এলাকাবাসী পেয়ে মাছের ভেড়ির আলাঘরে' উপস্থিত হন। সেখান থেকেও পালিয়ে যায় দুষ্কৃতীরা। এরপর পিছু ধাওয়া করে জনা পঞ্চাশেক গ্রামবাসী। আর তখনই গ্রামবাসীদের লক্ষ্য করে গুলি ছোঁড়ে তিন দুষ্কৃতী।অভিযোগ দুষ্কৃতীদের ছোঁড়া গুলিতে আহত হয় তিন জন গ্রামবাসী।জখম গ্রাম মাজেদ গাজী,আলমীর গাজী,মোসলেম মোল্লা।
জখম ৩ জন গ্রামবাসীকে তারা উদ্ধার করে ক্যানিং মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে আসে।তাদের অবস্থা অবনতি হলে চিকিৎসাকরা তাদেরকে কলকাতা পিজি হাসপাতালে স্থানান্তরিত করে।সেখানেই তাদের চিকিৎসা চলছে। জখমদের মধ্যে এক জনের পেটেও দুজনের পায়ে গুলি লেগেছে ।খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে আসে বিশাল পুলিশ বাহিনী।পুলিশ রাত ভোর চিরুনি তল্লাশি চালিয়ে আগ্নেয়াস্ত্র সহ হুগলির এই তিন কুখ্যাত দুষ্কৃতীকে হাতে নাতে ধরে ফেলে।
বারুইপুর জেলা পুলিশ জানান হুগলির বিষ্ণু মালের মার্ডার কান্ডে তিন জন কুখ্যাত দুষ্কৃতী পালিয়ে গা ঢাকা দিয়ে ছিল জীবনতলা কুড়েভাঙ্গা এলাকায়।সেখানে গ্রামবাসীদের এই পরিচিতদের দেখে সন্দেহ হয়।তাদের গ্রামবাসীরা পাকড়াও করতে গেলে দুষ্কৃতীরা গুলি ছোঁড়ে।গুলিতে ৩ জন গ্রামবাসী জখম হয়।জখমরা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
এই ঘটনায় পুলিশ রাত তল্লাশি চালিয়ে হুগলি কুখ্যাত ৩ জন দুষ্কৃতীকে গ্রেফতার করা হয়েছে।ধৃতদের কাছ থেকে ২ টি আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে।প্রাথমিক তদন্তে জানা গিয়েছে হুগলির বিষ্ণু মাল মার্ডার কান্ডে মূল অভিযুক্ত বিশাল দাস। এ বিষয়ে চন্দননগর পুলিশ কমিশনারেটকে অবাহিত করা হয়।ক্যানিং পূর্ব কেন্দ্রের বিধায়ক সওকাত মোল্লা বলেন দুষ্কৃতীরা এলাকায় অশান্তি তৈরি করার জন্যই ঢুকেছিল।এর পিছনে বিজেপির ষড়যন্ত্র আছে। এলাকা অশান্ত করতেই এই সব করা হচ্ছে।

Post a Comment