জেনে নিন বাস্তুশাস্ত্র হাউজ বাগান সম্পর্কে কী বলেছে - The News Lion

জেনে নিন বাস্তুশাস্ত্র হাউজ বাগান সম্পর্কে কী বলেছে

  


কাঠাল: 

কাঠাল গাছ থেকে সুন্দর হলুদ বর্ণের কাঠ আসবাব, দরজা, জানালা ইত্যাদি তৈরিতে ব্যবহৃত হয় যার পাতা খুব পবিত্র বলে বিবেচিত হয় এবং এটি ধর্মীয় অনুষ্ঠানেও ব্যবহৃত হয়। অতএব, এটি দরকারী এবং একটি বাগানে রোপণ করা যেতে পারে।

 নিম গাছ: 

নিম গাছ বাস্তুভিটাতে থাকা খুবই শুভ। অনেক ঔষধীয় গুনাগুন যুক্ত এই গাছটির হাওয়া ঘরের রোগজীবাণু নষ্ট করে, চামড়া জনিত যেকোনো রোগ দূর করতে এই গাছ অত্যন্ত সহায়ক । তাছাড়া এই গাছ ঘরে থাকলে সেই ঘরে সহজে কোনো টোনা টোটকা বা কালো জাদু করা যায় না ।    


 তুলসী গাছ: 

এই তুলসী গাছ আপনার বাড়িতে থাকলে বায়ুতে থাকা অনেক রোগ জীবাণু নষ্ট করে । এই গাছের একাধিক ওষধীয় গুনাগুন, গাছটিকে দেবীর পর্যায়ে ভূষিত করে ।

শ্বেত আকন্দ: 

এই আকন্দ গাছ দুই প্রকারের হয়ে থাকে, একটি শ্বেত আকন্দ আর একটি লাল আকন্দ, যে গাছের ফুল লাল সেটি লাল আকন্দ আর যে গাছের ফুল সাদা সেটি শ্বেত আকন্দ । আপনার বাড়িতে যদি স্বেত আকন্দ গাছ রাখেন তাহলে কোনো বিষধর সাপ আপনার বাড়ির ধারে কাছেও আসবে না । এই গাছটি বিশেষ ঔষধি গুন্ সম্পন্ন । গাছটি অতিবিষধর সাপের বিষ ধ্বংস করারও ক্ষমতা রাখে ।   

 

কালমেঘ গাছ:

 মহা ঔষধিও গুণসম্পন্ন এই গাছ যদি আপনার বাস্তুতে থাকে তাহলে এই গাছের হাওয়া বাত পিত্ত কফ এই ত্রিদোষের নাশ করে । ঘরের মানুষেরা সহজে কোনো রোগে আক্রান্ত হয় না।

আমড়া গাছ: 

এই আমড়া গাছ আয়ুর্বেদিক গুন্ সম্পন্ন কিন্তু যদি বাস্তু জমিতে এই গাছ থাকে এবং যদি বাড়িতে কোনো বাতের রুগী থাকে, আর এই গাছের নিচ দিয়ে বার বার যাতায়াত করে তাহলে কোনো ঔষুধ তার সেই বাতের ব্যাথা সারাতে পারবে না ।  


কলা গাছ:  

 কলা গাছের শিকড়, কাণ্ড, ফুল এবং পাতা থেকে তৈরি কনককশন দিয়ে প্রচুর অসুস্থতার চিকিত্সা করা যেতে পারে।    

নারকেল গাছ:

এই গাছের প্রতিটি অংশই দরকারী। কোমল নারকেল জল একটি খুব স্বাস্থ্যকর, শীতল, কম ফ্যাটযুক্ত পানীয়। নারকেল থেকে তোলা তেল রান্নার পাশাপাশি চুলের তেল ব্যবহার করা হয়। কয়ার একটি উপজাত পণ্য যা ম্যাট, কার্পেট ইত্যাদি তৈরিতে ব্যবহৃত হয়। 

 নারকেল গাছের পাতাগুলি বুনা হয় এবং দরিদ্রদের জন্য কুঁড়েঘরের ছাদ হিসাবে ব্যবহৃত হয়। এর শুকনো পাতা আগুনের কাঠ হিসাবেও ব্যবহৃত হয়। এটির প্রায় 100-150 বছর দীর্ঘ জীবন রয়েছে এবং এটি কেটে ফেলা নিষিদ্ধ। এর দরকারীতার কারণে এটি একটি পবিত্র গাছ হিসাবে বিবেচিত হয়।

কোন মন্তব্য নেই

Thankyou To Comment us

Blogger দ্বারা পরিচালিত.