পুরুলিয়ার অযোধ্যা পাহাড়ে ক্যাম্প করে অ্যান্টিজেন পরীক্ষা
দি নিউজ লায়ন ; পুজোর সময়ে পর্যটকদের অন্যতম ডেস্টিনেশন হয়ে উঠে পুরুলিয়ার অযোধ্যাপাহাড়। এখানে যাতে নির্ভয়ে আসতে পারেন পর্যটকরা সেই জন্য স্থানীয় পর্যটন শিল্পের সাথে যুক্ত সকলের করোনা পরীক্ষা হল রবিবার। এদিন পুরুলিয়ার অযোধ্যা পাহাড়ে করোনা পরীক্ষার একটি বিশেষ ক্যাম্প করা হয়। সেখানেই স্থানীয় দোকানদার ও পর্যটন শিল্পের সাথে যুক্ত সমস্ত ব্যাবসায়ীর র্যাপিড অ্যান্টিজেন টেস্ট হয়।
ওই ক্যাম্পে গিয়েছিলেন জেলাশাসক রাহুল মজুমদার সহ জেলা প্রশাসনের আধিকারিকরা। পাশাপাশি পুজোর মরসুমে সমস্ত ব্যাবসায়ীকে স্বাস্থ্য বিধি মানার নির্দেশ দেয় প্রশাসন। জেলা প্রশাসন সুত্রে জানাগিয়েছে, লকডাউন খুলতেই আনাগোনা শুরু হয়েছে পর্যটকদের। তাই বাইরে থেকে আসা পর্যটকদের অভয় দিতেই স্থানীয় ব্যাবসায়ী ও স্থানীয় পর্যটন শিল্পের সাথে যারা যুক্ত তাদের করোনা পরীক্ষার সিদ্ধান্ত নেয় জেলা প্রশাসন।
রবিবার বিকেল পর্যন্ত ১১৩ জনের অ্যান্টিজেন টেস্ট হয়েছে। তাদের মধ্যে ১১৩ জনেরই নেগেটিভ রিপোর্ট এসেছে বলে প্রশাসন সুত্রে জানাগিয়েছে। অযোধ্যা পাহাড়ের এই রিপোর্ট আসতেই শস্তির নিশ্বাস ফেলে প্রশাসন। কারণ আর কয়েকদিন পরেই পুজো। আর পুজোর মরসুমে গোটা অযোধ্যা পাহাড় জুড়ে আনাগোনা থাকে পর্যটকদের। এদিন অ্যান্টিজেন টেস্টের সবকটি রিপোর্ট নেগেটিভ আসায় এক কথায় বলা চলে অযোধ্যা পাহাড়ে আপাতত কোরনা ভাইরাসের কোন ভয় নেই।
অন্যদিকে পুজোর মরসুমে সংক্রমনকে নিয়ন্ত্রণে রাখতে জেলাবাসীর সুরক্ষার কথা মাথায় রেখে নতুন গাইডলাইন প্রকাশ করে জেলা প্রশাসন। গাইড লাইন অনুযায়ী পুজোর কেনাকাটা করতে গিয়ে ভিড় থেকে সংক্রমণ যাতে না ছড়িয়ে পড়ে সেই কারনে জেলার সমস্ত বাজারের কাপড়ের দোকান, গয়নার দোকানের কর্মীদের এন্টিজেন টেস্ট করানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে জেলা প্রশাসন।
ওই দিন সদর শহরের বাজারে অ্যান্টিজেন টেস্ট শুরু করে দেওয়া হয়। পুরুলিয়ার কাপড় গলি সহ বেশ কয়েকটি জায়গাতে অ্যান্টিজেন টেস্ট হয়। তবে প্রথম ১০ জনের নমুনা সংগ্রহ করার পরেই ১ জনের রিপোর্ট পজিটিভ আসে। একজনের পজিটিভ রিপোর্ট আসার পরে অন্যান্য ব্যাবসায়ীরা টেস্ট করাতে পিছপা হন। ফলে বন্ধ হয়ে যায় পরীক্ষা। এদিন আবার পুরুলিয়া শহরে বিভিন্ন দোকানদারদের করোনা পরীক্ষা শুরু হয়। এদিন মোট ৭২ জনের করোনা পরীক্ষা হয়। তার মধ্যে একজন দোকানদারের রিপোর্ট পজেটিভ আসে।

Post a Comment