এসে গেলো করোনা কবচ, জানুন বিস্তারিত
শুক্রবার থেকে করোনা ভাইরাসের জন্য করোনা কবচ পলিসি আনতে চলেছে। প্রসঙ্গত করোনা সংক্রমণের রোগের চিকিৎসার জন্য বিমা সংস্থাগুলিকে স্বল্প মেয়াদের পলিসি আনতে বলেছিল বিমা নিয়ন্ত্রক আইআরডিএ। বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছিলেন যে চালু স্বাস্থ্য বিমার থেকে যদি কম প্রিমিয়ামে করোনার চিকিৎসার অতিরিক্ত সুবিধা পাওয়া যায় তবে গ্রাহক তা কিনবে।
স্বাস্থ্যবিমার ক্ষেত্রে করোনা কবচ ও করোনা রক্ষক বাধ্যতামূলক করার নির্দেশ দিয়েছে আইআরডিএআই। শুক্রবার থেকেই বিমা সংস্থাগুলি করোনা কবচ ও করোনা রক্ষক পলিসি করার প্রস্তাব দিচ্ছে। করোনা কবচের মেয়াদ নিয়ন্ত্রকের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে করোনা ভাইরাসের নির্দিষ্ট নীতি হওয়া সত্ত্বেও, আদর্শ ক্ষতিপূরণ ভিত্তিক কোভিড-১৯ নীতি, করোনা কবচ প্রাক-বিদ্যমান শর্তাদি সহ যে কোনও ভয়াবহ চিকিৎসার ব্যয়কে অন্তর্ভুক্ত করবে। এর মেয়াদ সাড়ে তিনমাস থেকে সাড়ে নয় মাস পর্যন্ত থাকবে।
ক্ষতিপূরণ পরিকল্পনার আওতায় বিমা ক্রয়কারী হাসপাতালের খরচ পেয়ে যাবেন এই করোনা কবচে। করোনা রক্ষক বিমার প্রস্তাব জীবন, সাধারণ ও স্বাস্থ্যবিমা সংস্থাগুলি গ্রাহকদের স্টান্ডার্ড সুবিধা-ভিত্তিক পলিসি সহ ‘করোনা রক্ষক' বিমা করাল প্রস্তাব দিচ্ছে। যা রোগ নির্ণয়ের পূর্বে একটি সম্মতিযুক্ত একচেটিয়া অর্থ দেয়।
আইআরডিএআই জানিয়েছে যে দুই বিমার প্রিমিয়ামই প্যান-ইন্ডিয়া ভিত্তিক এবং এর সঙ্গে কোনও ভৌগোলিক অঞ্চল বা এলাকা-ভিত্তিক অর্থ অনুমোদিত নয়। দেশের সব প্রান্তেই প্রিমিয়াম এক। আইআরডিএআই-এর নির্দেশিকা অনুসারে, করোনা কবচ পলিসির জন্য নুন্যতম রাশি হবে ৫০ হাজার টাকা এবং সর্বাধিক রাশি হবে পাঁচ লক্ষ টাকা। স্বাস্থ্যকর্মীদের জন্য ৫ শতাংশ ছাড় দেওয়া হয়েছে।
অন্যদিকে করোনা রক্ষক বিমায় নুন্যতম রাশির পরিমাণ ৫০ হাজার এবং সর্বাধিক আড়াই লক্ষ টাকা। ক্ষতিপূরণ পাওয়া যাবে করোনা কবচে করোনা কবচ পলিসি ক্ষতিপূরণ ভিত্তিক পলিসি। তবে বিকল্প কিছু বিষয় সুবিধার ভিত্তিতে উপলব্ধ করা হবে।
করোনা কবচের আওতায় রয়েছে হাসপাতালের রুম ও থাকার খরচ সহ পিপিই কিটস, গ্লাভস, মাস্ক সহ হাসপাতালের খরচ এবং অন্যান্য খরচ। এমনকী আয়ুশ চিকিৎসাও এই বিমার অন্তর্গত। বাড়িতে ১৪ দিনের আইসোলেশনে থাকার খরচও বহন করবে করোনা কবচ। এছাড়াও এই পলিসির অন্তর্গত রয়েছে অক্সিমিটার, অক্সিজেন সিলিন্ডার ও নেবুলাইজারের খরচও।
আইআরডিএ-র নির্দেশ অনুযায়ী, ‘করোনা রক্ষক' পলিসিতে চিকিৎসার জন্য আলাদা খরচ মিলবে না। ডাক্তারি পরীক্ষায় করোনা ধরা পড়লে এবং কমপক্ষে ৭২ ঘণ্টা হাসপাতালে থাকলে বিমাকৃত পুরো টাকা পাবেন গ্রাহক। পরীক্ষা করাতে হবে সরকার স্বীকৃত কেন্দ্র থেকে। প্রিমিয়ামের টাকা দেওয়ার জন্য কোনও ইনস্টলমেন্টের বিকল্প নেই।
উভয় পলিসি গ্রাহককে বিমার টাকা পরিশোধের জন্য ১৫ দিন করে সময় দেবে। এর মধ্যে কোন দাবি গৃহীত হবে না। বিমার গ্রাহক চাইলে নগদহীন ভিত্তিতে পরিষেবাগুলি গ্রহণ করতে পারেন, যা বিমা প্রদানকারীরা নেটওয়ার্ক সরবরাহকারীদের মাধ্যমে ব্যবস্থা করবেন। পলিসির ক্ষেত্রে বয়সের সীমা উভয় পলিসির জন্য বয়সের সীমা রাখা হয়েছে ১৮ বছর ও ৬৫ বছর পর্যন্ত। শিশুদের ক্ষেত্রে ৩ বছর থেকে ২৫ বছর বয়স পর্যন্ত রাখা হয়েছে।

Post a Comment