কি কি যোগ ব্যায়াম করলে খুব সহজেই স্পনডিলাইটিস থেকে মুক্তি পাওয়া যায়
বর্তমানে মানুষ যে রোগগুলো নিয়ে বেশি ভুগছেন তা নিয়ে চিন্তাভাবনা করার দিন এবার অতীত৷ বিশেষজ্ঞরা বলছেন, কোনও একজন ভাল যোগা প্রশিক্ষকের সাহায্য নিয়ে নিয়মিত যোগ ব্যায়াম অভ্যাস করলেই মিলবে মুক্তি৷ এই প্রসঙ্গে বিশদে জানালেন যোগা বিশেষজ্ঞ ও হাড়ের ডাক্তাররা।
কশেরুকার সন্ধিস্থলে ক্রমশ প্রদাহের ফলে ব্যথাকেই এক কথায় স্পনডিলাইটিস বলা হয়। স্পনডিলাইটিস কেন হয়? আমাদের দেশের আর্দ্র আবহাওয়াই সাধারণত এই রোগের জন্য দায়ী। ঘাড়ে, কোমরে বা মেরুদন্ডে যদি হঠাৎ চোট লাগে৷ বা ঘাড় সামনের দিকে ঝুঁকে দীর্ঘক্ষণ কাজ করলে। কিংবা নরম বিছানায় শোওয়ার অভ্যাস থাকলে এই রোগ আপনার সরীরে বাসা বাঁধতে পারে।
প্রাথমিক উপসর্গ:
ঘাড়ে, পিঠে, কোমরে ব্যথা। এমনকি বহুদিন ব্যথায় ভুগলে মেরুদন্ড বাঁকা হয়ে রোগী কুঁজো হয়ে যায়। রক্তে ইএসআর বেশি থাকে। কখনও কখনও চোখের রোগ দেখা দেয়৷ এছাড়া রক্তাল্পতাও এই রোগের উপসর্গ হতে পারে।
সোল্ডার এক্সারসাইজ: ঘাড়ে, পিঠে স্পনডিলাইটিস হলে এই যোগ ব্যায়াম উপকার দিতে পারে৷
এই যোগ ব্যায়াম করার প্রক্রিয়া- দাঁড়িয়ে বা বসে হাত দু’পাশে সমান রেখে শরীর একটুও না নড়াচাড়া করে কাঁধ দু’টোকে উপরে এবং নিচে তোলা ও নামানো। প্রথম প্রথম পাঁচ ছয় বার করতে হবে। এই ব্যায়াম করার সময় নিঃশ্বাস প্রশ্বাস থাকবে স্বাভাবিক।
অ্যাডপশন: প্রথমে সোজা হয়ে শুয়ে দুই পাশে দুই পা এক একবার করে ছয় ইঞ্চি উঁচুতে তুলতে ও নামাতে হবে।
ফ্লেক্সন এক্সটেনশন: সোজা হয়ে দাঁড়িয়ে দু’টো হাতকে কাঁধের সমান সামনে একবার সোজা করতে হবে। তারপর যতটা পারা যায় পিছনে সমান করে পাঠিয়ে দিতে হবে। এক্ষেত্রেও নিঃশ্বাস প্রশ্বাস থাকবে স্বাভাবিক।
সাইড টানিং: সোজা হয়ে দাঁড়িয়ে দু’কোমরে দু’হাত দিয়ে শরীর সোজা করে একবার ডানদিকে ঘোরা আবার বাঁ দিকে ঘোরা৷ এভাবে এই ব্যায়াম করতে হবে।
নেক এক্সারসাইজ ও ব্যাক বেল্ড: দু’টো হাতকে ঘাড়ের কাছে জোড়া করে আটকে নিঃশ্বাস ধীরে ধীরে নিয়ে সমান ভাবে কাঁধকে পেছনে ঠেলতে হবে। আবার ধীরে ধীরে ঘাড় সোজা করতে হবে। এই সময় হাতের দু’টো তালুতে সমান ভাবে চাপ দিতে হবে।
এই পাঁচটি যোগ ব্যায়ামই আপনাকে অনেকটা সুস্থ থাকতে সাহায্য করবে৷
Post a Comment