মন খারাপ হলেই নাকি এই গানটি সবচেয়ে বেশি শুনতেন, সুতপা
ইরফান খানের স্ত্রী সুতপা সিকদার সম্প্রতি সোশ্যাল মিডিয়ায় জানিয়েছেন, মন খারাপ হলেই এরফান নাকি রবীন্দ্র সংগীত শুনতেন। ইরফান কে স্মরণ করে একটি পোস্টে এই ঘটনা শেয়ার করেছেন সুতপা। সুতপা জানিয়েছেন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের নির্দিষ্ট একটি গান খুব পছন্দ ছিল ইরফানের। সেটি হল, “নয়ন তোমারে পায় না দেখিতে রয়েছ নয়নে নয়নে। হৃদয় তোমারে পায় না জানিতে, হৃদয়ে রয়েছ গোপনে।” মন খারাপ হলেই নাকি ইরফান এই গানটি সবচেয়ে বেশি শুনতেন। সুতপা ফেসবুক পোস্টে লিখছেন, ইরফানের জন্য আমার ভালোবাসা ও শ্রদ্ধা চিরকালীন। এই বিশ্বব্রহ্মাণ্ডের প্রতি আমি কৃতজ্ঞ। যখন আমি ওর জন্য প্রার্থনা করি, তখন সেইসব মানুষের জন্যেও প্রার্থনা করি যারা খুব কষ্টের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছেন।
তাই ইরফানের খুব পছন্দের এই গানটি পোস্ট করলাম। ওর মন খারাপ হলে বা কঠিন সময় এলে এই গানটি ও শুনত। নয়ন তোমারে পায় না দেখিতে রয়েছ নয়নে নয়নে। সুতপার এই পোস্ট মুহূর্তে সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়ে। ইরফানের অনুরাগীরা এই পোস্ট দেখে আরো একবার অভিনেতার কথা মনে করে শোকবিহ্বল হয়ে পড়েন। প্রসঙ্গত সম্প্রতি মহারাষ্ট্রের একটি গ্রামের নামকরণ হয়েছে ইরফান খানের নামে। মহারাষ্ট্রের এই গ্রামের নাম হল ইগতপুরি। সেই গ্রামের নাম বদলে এবার নামকরণ করা হয়েছে প্রয়াত অভিনেতা নামে। কারণ ওই গ্রামের সঙ্গে বিশেষ যোগ ছিল ইরফানের। সেখানে একটি বাগান বাড়ি তৈরি করার পরিকল্পনা ছিল বলে জমি কিনেছিলেন ইরফান। এছাড়াও সেই গ্রামের জন্য বেশ কিছু কাজ করেছিলেন প্রয়াত অভিনেতা।
জানা যাচ্ছে, এই গ্রামটির দুস্থ পরিবারের বাচ্চাদের পড়াশোনার দায়িত্ব নিয়েছিলেন ইরফান খান। বাচ্চাদের নিয়মিত বইপত্র কিনে দিয়েছেন। এছাড়াও গ্রামে একটি স্কুল খোলার উদ্যোগ নিয়েছিলেন তিনি। সেই স্কুলের যাবতীয় খরচের বেশ কিছুটা বহন করেছিলেন অভিনেতা নিজেই। শুধু স্কুলের পড়াশোনাই নয়। গ্রামবাসীদের স্বাস্থ্যের কথা ভেবে বেশ কয়েকটি অ্যাম্বুলেন্সের ব্যবস্থা করেছিলেন ইরফান। যাতে কেউ অসুস্থ হয়ে সঙ্গে সঙ্গে হাসপাতালে পৌঁছতে পারেন।
Post a Comment