স্ত্রী ও পরিবারের লোকজন মিলে জামাইকে খুন
সেতু নিউজঃ মধ্যমগ্রাম কাটাখাল এলাকায় এক গেঞ্জির কোম্পানিতে কাজ করতো, গুমা প্রবোধ নগরের বাসিন্দা পুলক কীর্তনীয়া। মধ্যমগ্রাম থানা থেকে বুধবার ফোন আসে পুলক গুরুতর অসুস্থ বর্তমানে বারাসাত হাসপাতালে রয়েছে।
পুলকের পরিবারের লোকজন বারাসাত হাসপাতালে গিয়ে দেখতে পায় পুলকের উলঙ্গ মৃতদেহ পড়ে রয়েছে। পরিবারের লোকেদের সন্দেহ হয় ওই কারখানার এক রুমে কালিনগরের দোলন বিশ্বাস নামে এক মহিলাকে বিয়ে করে সেখানেই থাকতো।
এবং দোলন বিশ্বাস এর পরিবারের মানুষরা ওখানে যাতায়াত ছিল। দোলন এর সাথে পুলকের কোন অশান্তি সৃষ্টি হয়েছে সেই কারণে খুন করা হয়েছে পুলককে। স্থানীয় নারায়ণপুর থানায় অভিযোগ দায়ের করতে গেলে পুলিশ অভিযোগ নিতে অস্বীকার করে। শুক্রবার পুলকের মৃতদেহ ময়নাতদন্তের পর গুমাতে এনে যশোর রোড অবরোধ শুরু করে গ্রামবাসীরা।
পরিবারের লোকেদের অভিযোগ দীর্ঘদিন ধরেই ওই কোম্পানিতে থেকে কাজ করতো পুলক সেই কারণেই কালিনগরের এক মহিলা দোলন বিশ্বাস সঙ্গে বিবাহ করে এরপর দু'জনের ওই কোম্পানির রুমে থাকতে শুরু করে । স্ত্রীর পরিবারের লোকজনের যাতায়াত ছিল কোম্পানিতে কোন অশান্তি সৃষ্টি হয় তারই কারণে পুলককে খুন করেছে দোলন পরিবারের লোকজন।
পুলকের ভাই অভিজিৎ মজুমদার দাবি জানায় প্রশাসন সঠিকভাবে কাজ করছে না সেই কারণেই তাদের এই রাস্তা অবরোধ। আরও দাবি পুলিশ অবিলম্বে এফআইআর দায়ের করুক ও দোষীদের কঠিনতম শাস্তি হোক।
Post a Comment