Gange-র বাঁধ ভেঙে প্লাবনের আশঙ্কা ভুতনিতে - The News Lion

Gange-র বাঁধ ভেঙে প্লাবনের আশঙ্কা ভুতনিতে

 


দি নিউজ লায়নঃ   ফারাক্কা ব্যারেজের তৈরি করা গঙ্গার বাঁধ ভেঙে ব্যাপকভাবে জল ঢুকতে শুরু করেছে ভুতনি থানা কেশরপুর এলাকায়। যদিও সংশ্লিষ্ট এলাকার পঞ্চায়েত ও প্রশাসনের ১০০ দিনের কাজের মাধ্যমে রিং বাঁধ তৈরি হওয়ার কারণে বন্যা এবং ভাঙনের হাত থেকে বেঁচে গিয়েছে উত্তর চন্ডিপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রায় ১০ টি গ্রাম। বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে বারোটা নাগাদ ভুতনি থানা উত্তর চন্ডিপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের কেশবপুর শ্মশান ঘাট এলাকায় গঙ্গা নদীর তোরে ফারাক্কা ব্যারেজের তৈরি করা বাঁধটি ভেঙে যায়।


 প্রায় দেড়শো মিটার বাঁধ ভেঙ্গে যাওয়ার ফলে এলাকায় ব্যাপক হারে জল ঢুকতে শুরু করে। রাতেই জরুরী ভিত্তিতে কাজ শুরু করে সংশ্লিষ্ট এলাকার পঞ্চায়েত , প্রশাসন এবং সেচ দফতরের কর্তারা । তবে ওই এলাকায় আরও একটি রিংবাঁধ থাকার কারণে গঙ্গার জল আসে পাশের গ্রামে ঢুকতে পারে নি বলে জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। এর ফলে স্থানীয় গ্রামবাসীরা বন্যার হাত থেকে রেহাই পেলেও আতঙ্ক রয়েছে। স্থানীয় পঞ্চায়েত সূত্রে জানা গিয়েছে, ২০১৩-১৪ সালের ১০০ দিন প্রকল্পের মাধ্যমে  কেশরপুর এলাকায় আরও একটি রিং বাঁধ তৈরি করেছিল সংশ্লিষ্ট পঞ্চায়েত এবং প্রশাসন। যার কারণে ফারাক্কা ব্যারেজের তৈরি করা ওই বাঁধ ভাঙলেও আশেপাশের এলাকা প্লাবিত হয় নি। রিং বাঁধের জন্য গঙ্গা নদীর জল ঠেকানো সম্ভব হয়েছে বলে জানিয়েছে স্থানীয় পঞ্চায়েত এবং প্রশাসন।


প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, মানিকচক ব্লকের অন্তর্গত ভুতনি থানার উত্তর চন্ডিপুর গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায় রয়েছে কেশরপুর গঙ্গা নদীটি। ২০১১ সালে ফারাক্কা ব্যারেজ কর্তৃপক্ষ গঙ্গার ভাঙন ঠেকাতে ওই এলাকায় একটি বাঁধ তৈরি করেছিল। কিন্তু দীর্ঘদিন ধরে রক্ষণাবেক্ষণের অভাবের কারণেই ওই বাঁধটি ভেঙেছে বলে অভিযোগ করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

মালদা সেচ দপ্তরের এক ইঞ্জিনিয়ার আজিজুর রহমান জানিয়েছেন, যে অংশে বাঁধ ভেঙেছে সেই যায়গা দিয়ে গঙ্গা নদীর জল প্রবাহিত হচ্ছে। তবে পাশের রিং বাঁধটি যাতে কোনভাবেই দুর্বল না হতে পারে, তার জন্য আপৎকালীন ভিত্তিতে বালির বস্তা ফেলে কাজ শুরু করা হয়েছে।

কোন মন্তব্য নেই

Thankyou To Comment us

Blogger দ্বারা পরিচালিত.