অভিনব কায়দায় প্রতারনা অভিযোগ দুই স্বাস্থ্য আধিকারিকএর বিরুদ্ধে
দি নিউজ লায়নঃ দুজন স্বাস্থ্য অাধিকারিক স্বাস্থ্য ব্যবস্থা কে কাজে লাগিয়ে শুধু সরকার ও ঝাড়গ্রাম বাসীকে প্রতারনা করছে তা নয়। প্রতারনার শিকার তার নিজেদের সহকর্মী ডাক্তাররাও। ঝাড়গ্রামে পক্সো কেসের অাসামির জামিনের জন্য অভিনব প্রতারনা করতে গিয়ে ঝাড়গ্রাম সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালের ডাক্তার দের বিপদে ফেলেন এই স্বাস্থ্য অাধিকারিক। ঝাড়গ্রাম হাসপাতালের সুপার সহ পাঁচ ডাক্তার কে সমন ঝাড়গ্রাম এডিজি ২ কোর্টে।
বিভিন্নপ্রতারনায় জড়িত জামবনি ব্লকের চিলকি গড় হাসপাতালের বিএমওএইচ অভিরুপ সিং এর গুনধর ভাইকে বাঁচানোর জন্য হাসপাতাল কে ব্যাবহার করতে গিয়ে সমগ্র ঝাড়গ্রাম বাসী কে বিপাকে ফেলছেন ঝাড়গ্রামের সিএমওএইচ প্রকাশ মৃধা বলে অভিযোগ। কিছুদিন অাগে অভিযুক্তর বিরুদ্ধে এক নাবালিকার শ্লীলতাহানি র অাভিযোগ অানলে তাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। তবে জেল এড়ানোর জন্য সিএমওএইচ এর যোগসাজশে কিছু না হওয়া সত্ত্বেও প্রয় ২মাস ঝাড়গ্রাম হাসপাতালে ভর্তি থাকে অভিযুক্ত।
এবিষয়ে ঝাড়গ্রাম অাদালত অভিযুক্তর সমস্ত রিপোর্ট চেয়ে পাঠালে সমস্যায় পড়ে হাসপাতাল। বৃহস্পতিবার ঝাড়গ্রাম আদালতের বিচারক সংশ্লিষ্ট ডাক্তার দের হাসপাতালের পেস করা রিপোর্ট দেখিয়ে জানতে চান অভিযুক্ত কি এই রিপোর্টের ভিত্তিতে ২মাস ভর্তি থাকতে পারে। রিপোর্ট দেখে ডাক্তার রা জানিয়ে দেন এই ইনজুরি রিপোর্টে ভর্তি রাখাই যায় না। এর পর সুপার কে বিচারক জানতে চাইলে তিনি কোনো উত্তর দিতে পারেন নি।
ফের বিচারক অর্থপেডিক সার্জেন্ট কে রিপোর্ট দেখিয়ে জানতে চান কি ভাঙা অাছে। তাতে ডাক্তার জানান অাঙ্গুলে চিড়। তার জন্য কতটা প্লাস্টার করা উচিৎ জানতে চাইলে ডাক্তার জানান কব্জি পর্যন্ত। তাহলে অভিযুক্তর কাঁধ পর্যন্ত প্লাস্টর কেনো? অার কোনো উত্তর দিতে পারেনি ডাক্তার ও ঝাড়গ্রাম সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালের সুপার ইন্দনীল সরকার। বিচারক একেএকে সমস্ত রিপোট দেখিয়ে উত্তর জানতে চাইলে চুপ থাকেন সুপার ও ডাক্তার রা।
তাহলে কি ভাবে দুমাস সরকারি হাসপাতালের বেড অাকুপাই করে রাখলো অভিযুক্ত তারও কোনো সদুত্তর মেলেনি। রেগে বিচারক বলেন অাপনাদের কি মনে হয় অামি কিছুই জানিনা? অামি চেয়ার টায় এমনি এমনি বসে অাছি? সরকারি কৌশলি জানান কোর্টের কাছে মনে হয়েছে পুরো রিপোর্ট ই ভুয়ো। সূত্রের খবর অভিযুক্ত একমাসের বেশী সময় হাসপাতালেও ছিলো না। বাড়িতে ছিলো।
কিন্তু জামিনের জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র তৈরী করতেই ব্যাস্ত থাকার দরুন ঝাড়গ্রামের স্বাস্থ্য ব্যবস্থা কে চরম বিপদের মুখে দাঁড় করিয়েছে ঝাড়গ্রামের সিএম ওএইচ প্রকাশ মৃধা এবং তার দু একজন সাগরেদ বলে অভিযোগ। ভুয়ো রুগী সাজিয়ে ভুয়ো বিল তৈরী করে সরকারি কোষাগার থেকে লক্ষ লক্ষ টাকা অাত্মসাৎকরার ঘটনার তদন্ত রিপোর্ট জমা পড়লেও সে রিপোর্ট স্বাস্থ্য ভবনে না পাঠিয়ে নিজের কাছে চেপে রেখেছে ঝাড়গ্রামের সিএমওএইচ ডাক্তার প্রকাশ মৃধা বলে অভিযোগ।
কয়েকদিন অাগেও এক নার্সের অস্বাভাবিক মৃত্যুর ঘটনায় তদন্ত চলছে ডাক্তার অভিরুপ সিং এর বিরুদ্ধে। সাধারণ মানুষের অভিযোগ চিকিৎসা পরিষেবার বদলে ঝাড়গ্রামের এই সিএমওএইচ ও তার সাগরেদ রা নানা অসামাজিক কাজে বেশী ব্যাস্ত থাকেন। যার ফল ভুগতে হচ্ছে ঝাড়গ্রাম জেলার সাধারন মানুষ কে বলে ঝাড়গ্রাম জেলার সাধারন মানুষেরা অভিযোগ করেন।

Post a Comment