মন্ত্রীর সই দপ্তরের স্টাম্প জাল করে প্রতারণার অভিযোগ
দি নিউজ লায়নঃ জনস্বাস্থ্য কারিগরি দপ্তর ও রাজ্যের সেচ ও উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন দপ্তরের রাষ্ট্রমন্ত্রী সাবিনা ইয়াসমিনের লেটার প্যাডের সই এবং স্ট্যাম্প জাল করে চাকরির সুপারিশের অভিযোগকে ঘিরে তুমুল চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে মালদায়। বিষয়টি জানতে পেরে কালিয়াচক থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন মন্ত্রী। কারণ ওই লেটার প্যাডে মন্ত্রীর সই জাল করে কালিয়াচক থানার চৌধুরীটোলা এলাকার জনৈক বাসিন্দা সুব্রত ঘোষ জনস্বাস্থ্য কারিগরি দপ্তরে চাকরির জন্য সুপারিশ করেছেন বলে অভিযোগ। আর এতেই ব্যাপক শোরগোল পড়ে গিয়েছে মালদা জেলা জুড়ে।
এদিকে সোমবার সকালে রাজ্য সরকারের জনস্বাস্থ্য কারিগরি দপ্তরে চাকরি সুপারিশের ঘটনার বিষয়টি সামনে আসতেই সোশ্যাল মিডিয়ায় ব্যাপক শোরগোল পরে গিয়েছে। ইতিমধ্যে মন্ত্রী সাবিনা ইয়াসমিন পুরো ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তির দাবি তুলেছেন। এমনকি এই ঘটনার পিছনে বিরোধীদলের কেউ জড়িত থাকতে পারে বলেও মনে করছেন মন্ত্রী নিজেই। রাজ্যের সেচ ও উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন দপ্তরের রাষ্ট্রমন্ত্রী সাবিনা ইয়াসমিন বলেন, আমি ঘটনাটি শুনে অবাক হয়ে গিয়েছি। আমার লেটার হেডে সই এবং শীল জাল করা হয়েছে। কারা কিভাবে এটি করলো কিছুই বুঝতে পারছি না। ঘটনাটি জানতে পেরে কালিয়াচক থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। এই জালিয়াতি চক্রের অবিলম্বে যাতে পুলিশ গ্রেফতার করে তারও কথা জানানো হয়েছে।
কি লেখা রয়েছে তারিখবিহীন মন্ত্রীর জাল করা ওই লেটার প্যাডে। সেখানে উল্লেখ করা হয়েছে কালিয়াচক থানার চৌধুরীটোলা, জোত পরম এলাকার বাসিন্দা সুব্রত ঘোষ , তার বাবা দিলীপ ঘোষ। চিঠির বিষয়বস্তুতে বলা হয়েছে ইংরেজবাজার ব্লকের দৌলতপুর মাদিয়া এলাকায় জনস্বাস্থ্য কারিগরি দপ্তরের মেকানিক্যাল বিভাগের নির্বাহী বাস্তুকারকে উদ্দেশ্য করে কাজে যোগ দেওয়ার কথা বলে মন্ত্রীর লেটার প্যাডে সুপারিশের উল্লেখ করা হয়েছে । ওই লেটার প্যাডে মন্ত্রীর দপ্তরের পদ এবং শীল ও স্বাক্ষর করা রয়েছে, যা সম্পূর্ণ জাল বলে অভিযোগ উঠেছে। মন্ত্রী সাবিনা ইয়াসমিন জানিয়েছেন, সম্পূর্ণ বিষয়টি জাল এবং ভুয়ো। এরকম কোন লেটার প্যাড তিনি কাউকে দেন নি। এব্যাপারে পূর্ণাঙ্গ তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার কথাও সংশ্লিষ্ট থানার পুলিশকে জানানো হয়েছে।

Post a Comment