ঝাড়গ্রামের ফুল চাষীরা ব্যাপক ক্ষতির মুখে - The News Lion

ঝাড়গ্রামের ফুল চাষীরা ব্যাপক ক্ষতির মুখে




দি নিউজ লায়ন ; বাগান জুড়ে  রোজই প্রায় হাজার করে ফুটে ওঠে এই জারবেরা ফুল। অার রোজ ই স্থান পায় অাস্তাকুড়ে। করোনা ভাইরাস শুধু জানেই মারছেনা, পেটেও মারছে বহু বেকার যুবক দের। বেকারত্ব দূর করতে এবং নতুন কর্মসংস্থান বাড়াতে সাবসিটি লোনের মাধ্যমে একাধিক প্রজেক্ট অাছে রাজ্য সরকারের। সেরকম ই ফুলচাষের জন্য প্রায় ২০লাখ টাকা করে খরচ করে বিশাল গ্রীন হাউস তৈরী করে জারবেরা চাষ শুরু করেন ঝাড়গ্রাম এবং বেলপাহাড়ি র দুই বাসিন্দা। দুটি বাগানে প্রায় ৭রকম রঙের জারবেরা ফুলের চাষ হয়। 


কোলকাতা, কোলাঘাট, হলদিয়ার বাজারে চাহিদাও প্রচুর এই জারবেরা ফুলের। প্রথম বছর ভালোই লাভের মুখ দেখেছিলেনওই দুই  জন জারবেরা ফুলের চাষী। কিন্তু লকডাউন শুরু হতেই সব শেষ। পাহাড় প্রমান দেনা।  সাথে গাছ বাঁচিয়ে রাখার পরিচর্যার খরচ।, লেবার খরচ নিয়ে দিশা হীন অবস্থা। কবে এই অবস্থা থেকে মুক্তি পাবেন তাও অজানা। প্রশাসন কে সমস্ত বিষয় জানালেও এখনো অাশ্বাস ছাড়া কোনো কিছুই পায়নি। রোজ এক হাজার করে ফুল ফোটে। বর্তমানে এই গোটা ফুলটাই ফেলে দিতে হচ্ছে। 


করোনা সবদিক থেকেই পথে বসিয়েছে তাদের ওই দুই ফুল চাষীকে বলে তারা জানান। যার ফলে ওই দুইজন জারবেরা ফুলের ফুল চাষী ব্যাপক ক্ষতির মুখে পড়েছেন বলে তারা জানান। ঝাড়গ্রাম এর জারবেরা ফুলের চাষী অসিত কুমার সাঁতরা বলেন প্রথম ভাল রোজগার হয়েছিল। তিনজন কর্মচারী রেখেছি ফুলের বাগান দেখার জন্য। কিন্তু করোনা পরিস্থিতির জন্য যানবাহন চলাচল বন্ধ থাকায় ফুল বাজারে নিয়ে যেতে পারছি না। যার ফলে প্রতিদিন প্রচুর ক্ষতির মুখে পড়তে হচ্ছে। সেই সঙ্গে কর্মচারীদের বেতন দিতে পারছিনা। 


এছাড়াও ব্যাংক থেকে যে লোন নেওয়া রয়েছে সেই লোন কিভাবে শোধ করবো তাও বুঝে উঠতে পারছিনা। বিষয়টি প্রশাসনিক স্তরে আমরা জানিয়েছি। প্রশাসন আশ্বাস দিয়েছে পাশে থাকার। একই কথা বলেন বেলপাহাড়ির শিমুলপাল গ্রামের জারবেরা ফুলের চাষ নির্মল কর্মা। তিনি বলেন করোণা পরিস্থিতির আগে ফুল চাষ করে ভালোই রোজগার হয়েছে।করোনা পরিস্থিতির কারণে  পরিবহন ব্যবস্থা ঠিক ভাবে না থাকায় বাজারে ফুল বিক্রি করতে নিয়ে যেতে পারছি না। তাই ব্যাপক ক্ষতির মুখে পড়েছেন বলে তিনি জানান।

কোন মন্তব্য নেই

Thankyou To Comment us

Blogger দ্বারা পরিচালিত.